Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

রানা প্লাজার চতুর্থ বার্ষিকী উপলক্ষে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

ঢাকা-বাংলাদেশ ( এপ্রিল ২৪, ২০১৭)- আজকে রানা প্লাজা ভবন ধসের ৪ বছর পূর্ণ হলো – এই হৃদয় বিদারক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিলো ১,১৩৪ জন শ্রমিক, আহত হয়েছিলো আরও কয়েক হাজার শ্রমিক এবং এই দুর্ঘটনা বাংলাদেশ পোশাক শিল্পে চিরদিনের জন্য একটি পরিবর্তন বয়ে নিয়ে আসে । দুর্ঘটনার শিকার ব্যাক্তিদের এবং তাদের পরিবার পরিজনদের সম্মানে আজকে আমরা বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভাববো এবং পোশাক শিল্প শ্রমিকদের জীবিকা অর্জন করতে গিয়ে যেন আর কখনই জীবনের ঝুঁকি নিতে না হয় তা নিশ্চিত করতে যে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হাতে নিয়েছি তা সফল করতে আমরা পুনরায় প্রতিশ্রুতবদ্ধ হবো ।

দেশের এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার পরপরই, সদস্য কোম্পানিগুলো একত্রিত হয়েছিলো অ্যালায়েন্স গঠন করার জন্য – কারখানার নিরাপত্তা উন্নয়নের, শ্রমিকরা যেন নিজেদের রক্ষা করতে পারে সে বিষয়ক জ্ঞান এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে তাদের প্রশিক্ষণ প্রদানের এবং শ্রমিকরা যেন পরিবর্তন দাবি করতে পারে সেজন্য তাদের ক্ষমতায়ন করার উচ্চাভিলাষী উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছিলো ।

ছয়টি অ্যালায়েন্স কারখানা সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা সম্পন্ন করেছে; অন্য সাতটি কারখানা স্থগিত

.

ফেব্রুয়ারী মাসে অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে

ঢাকা, বাংলাদেশ - অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি আজকে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে অ্যালায়েন্স অধিভুক্ত আরও ছয়টি কারখানা তাদের সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনায় (ক্যাপ) উল্লেখিত সমস্ত মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে, যার ফলে সংস্কার কাজ সম্পন্নকারী কারখানার মোট সংখ্যা দাঁড়ালো ৬৬ ।

সংস্কার কাজ সম্পন্নকারী কারখানাগুলো হলো এনভয় ডিজাইন লিমিটেড, এনভয় ফ্যাশন লিমিটেড, কেনপার্ক বাংলাদেশ (প্রাইভেট) লিমিটেড, মানতা অ্যাপারেল লিমিটেড, মোহরা এশিয়ান অ্যাপারেলস লিমিটেড এবং ইয়াঙ্গুন (সিইপিজেড) লিমিটেড (এক্সটেনশন বিল্ডিং).

“সংস্কার কাজকে অগ্রাধিকার দেয়ায় এই ছয়টি কারখানা প্রশংসার দাবিদার, এবং এর মাধ্যমে এই কারখানাগুলো একটি উন্নত মান সম্পন্ন নিরাপদ কর্মপরিবেশ অর্জন করলো,” বলেছেন অ্যালায়েন্সের এ-দেশীয় পরিচালক জিম মরিয়ার্টি । “কারখানাগুলো যখন অব্যাহত উন্নয়নে অঙ্গীকারাবদ্ধ হয় তখন বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে ব্যাপক পরিবর্তন সম্ভাবনা থেকে বাস্তবে পরিণত হয়” ।

ত্রিপক্ষীয় চুক্তির সমর্থনে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

সরকার, শিল্পকারখানা এবং শ্রমিক প্রতিনিধিদের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিতে শ্রমিক অধিকার এবং আইনের শাসনের প্রতি অঙ্গীকারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে

ঢাকা, বাংলাদেশ - শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারারস এন্ড এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) এবং ইন্ডাষ্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল (আইবিসি) এর মধ্যে সম্পাদিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটি (“অ্যালায়েন্স”) । ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকার মত নুন্যতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আশুলিয়ায় শ্রমিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার কারনে বহু সংখ্যক শ্রমিকনেতাকে গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং এই ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পর এই চুক্তি সম্পাদিত হয় ।

এই চুক্তিতে, সকল পক্ষই আটক ব্যক্তিদের মুক্তি, বন্ধ জোনাল অফিস পুনরায় খোলা এবং আন্দোলনে অংশগ্রহনকারি চাকরিচ্যূত শ্রমিকদের মজুরি প্রদান অথবা তাদের পুনরায় কাজে নিয়োগদানের দাবিতে ঐক্যমত পোষণ করেন । স্বাক্ষরকারী সকলেই মালিকপক্ষ এবং শ্রমিকদের ভেতর শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে পোশাক কারখানারগুলোর ভেতর টেকসই সম্পর্ক নিশ্চিতকরণে প্রতিশ্রুতবদ্ধ হন ।

সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনার অধিকাংশ সম্পন্ন করেছে আরও দশটি অ্যালায়েন্স কারখানা; অন্য এগারোটি কারখানা স্থগিত

.

তাৎপর্যপূর্ণ সংস্কার অগ্রগতি সহকারে অ্যালায়েন্সের নতুন বছর শুরু

ঢাকা, বাংলাদেশ – অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটি আজকে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে আরও দশটি অ্যালায়েন্স অধিভূক্ত কারখানা তাদের সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনায় (ক্যাপ) উল্লেখিত সমস্ত মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে, এবং এ যাবত সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা সম্পন্ন করা কারখানার মোট সংখ্যা দাড়ালো ৬০ ।

এ সমস্ত কারখানাগুলো হলো: কর্ণফুলি সুজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (গার্মেন্টস), রিলায়েন্স ওয়াশিং ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড, ক্যানভাস গার্মেন্ট (প্রাইভেট) লিমিটেড, লানো (বিডি) লিমিটেড, স্মার্ট জ্যাকেট (বিডি) লিমিটেড, সেহান স্পেশালাইজড টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, পার্ল গার্মেন্ট কোং লিমিটেড, ইস্টার্ন নিট ওয়্যার লিমিটেড, শিকদার প্রিন্টিং এবং লেনি ফ্যাশন লিমিটেড (ইউনিট -২) ।

“আমরা এই দশটি কারখানাকে স্বাগত জানাতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত যে তারা শ্রমিকদের নিরাপত্তা রক্ষার প্রতিশ্রতিকে সংস্কার কাজের মাধ্যমে বাস্তবে রূপদান করেছে,” বলেছেন অ্যালায়েন্সের এ-দেশীয় পরিচালক জেমস এফ. মরিয়ার্টি । “তাদের এই সফলতা অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে এবং একই সঙ্গে এটি প্রমান করে যে, চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে রূপান্তরমূলক পরিবর্তন আনয়ন সম্ভব” ।

ঢাকায় ফুটওয়্যার ফ্যাক্টরির ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

বাংলাদেশের রাজধানি ঢাকার আলুবাজারের একটি ফুটওয়্যার কারখানায় অগ্নিকান্ডের ঘটনায় অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি গভীরভাবে শোকাহত । এই অগ্নিকান্ডে একজন শ্রমিক নিহত এবং দু’জন আহত । দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করছি ।

বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আমাদের বিনীত আহবান এই যে সরকার যেন সারা দেশের সকল কারখানার নিরাপত্তা উন্নয়নের জন্য জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রতিশ্রুতির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করেন । আমাদের সদস্য কোম্পানিগুলোর জন্য পণ্য উৎপাদনকারি কারখানাগুলো যেন কঠোর পরিদর্শন মানদন্ড মেনে চলে এবং কারখানাগুলো যেন ভবন, অগ্নি এবং বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা ঝুঁকি মুক্ত থাকে তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অ্যালায়েন্স কাজ করে যাচ্ছে । ব্র্যান্ড-নেতৃত্বে পরিচালিত উদ্যোগের অধিনে থাকা শ্রমিকরাই যে শুধু নিরাপদ থাকবে তা নয়, আমরা চাই বাংলাদেশের সকল শ্রমিক নিরাপদে থাকুক ।

অ্যালায়েন্সের আরো চারটি কারখানা পর্যাপ্ত সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা সম্পন্ন করেছে; আরও ১৫টি কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত

.

ডিসেম্বর কারখানা সংস্কার কাজে অগ্রগতি এবং দায়বদ্ধতা পরিমাপে ব্যস্ত মাস হিসেবে চিহ্নিত

ঢাকা, বাংলাদেশ – অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটি আজকে এই মর্মে ঘোষণা করছে যে, এই ডিসেম্বর মাসে, আরও চারটি অতিরিক্ত অ্যালায়েন্স অধিভূক্ত-কারখানা তাদের সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনায় ( CAP) উল্লেখিত সকল ধরনের মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে, ফলে সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা সম্পন্নকারি কারখানার মোট সংখ্যা দাড়ালো ৫০ ।

যে সমস্ত কারখানা ডিসেম্বরে সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা সম্পন্ন করেছে সেগুলো হলো অ্যারো জিন্স(প্রাইভেট) লিমিটেড, এলসিবি ইন্টারন্যাশনাল (বিডি) লিমিটেড, স্মার্ট জিন্স লিমিটেড, এন্ড দ্যাট’স ইট সুয়েটার লিমিটেড । অ্যালায়েন্স অধিভুক্ত কারখানাগুলোর ভেতর স্মার্ট জিন্স লিমিটেডই প্রথম কারখানা যে কারখানা স্থগিত হবার পর পরবর্তীতে পুনরায় সক্রিয় হয়ে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছে ।

“অ্যালায়েন্সের শর্ত মেনে, এই সমস্ত কারখানাগুলো তাদের কর্মচারিদের জন্য যে নিরাপদ কর্মস্থল প্রদান করছে তার জন্য আমরা এই সমস্ত কারখানাগুলোর প্রশংসা করছি,” বলেছেন অ্যালায়েন্সের এ-দেশীয় পরিচালক জিম মরিয়ার্টি” । এই সমস্ত কারখানাগুলো প্রমান করেছে যে সর্বচ্চো মানসম্পন্ন নিরাপদ কর্মস্থল অর্জন কারখানাগুলোর নাগালের মধ্যে, এবং এই কাজের প্রতি যারা প্রতিশ্রুতবদ্ধ তাদের সঙ্গে অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত”।

এছাড়াও ডিসেম্বরে সংস্কার কাজে পর্যাপ্ত অগ্রগতি প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ায় অ্যালায়েন্স আরও ১৫ টি অতিরিক্ত কারখানার সঙ্গে ব্যাবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত করেছে, এবং এ যাবত মোট স্থগিত হওয়া কারখানার সংখ্যা দাড়ালো ১১৭ । স্থগিত কারখানার সম্পূর্ণ তালিকা এবং যে সমস্ত কারখানা সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা সম্পন্ন করেছে তাদের তালিকা পাবেন আমাদের ওয়েবসাইট-এ ।

বাংলাদেশে শ্রমিক নেতাদের আটক এবং জিজ্ঞাসাবাদে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বেশ কয়েকজন শ্রমিক নেতাকে আটক এবং জিজ্ঞাসাবাদে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন । বাংলাদেশের আইন অনুসারে শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার যে অধিকার রয়েছে তা আমরা জোরালোভাবে সমর্থন করি । আমাদের সদস্যদের চুক্তিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয়া আছে যে শ্রমিকরা যে কোনো বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে, এবং অ্যালায়েন্স-অধিভূক্ত কারখানাগুলোর শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার অধিকারকে আমরা সমর্থন জানাই এবং উৎসাহিত করি ।

পাঁচ জন ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ দ্বারা গঠিত আমাদের বোর্ড লেবার কমিটির সঙ্গে শ্রমিকদের সাথে প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত এমন সকল বিষয় নিয়ে আমরা ঘনিষ্টভাবে শলা পরামর্শ করেছি । এবং ২০১৮ সালের জুলাই-এর মধ্যে আমরা অ্যালায়েন্সের ৬০০টিরও বেশি ফ্যাক্টরিতে শ্রমিক সেইফটি কমিটি গঠন করবো যেখানে কারখানার পেশাগত নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য সমস্যা মনিটর করার জন্য একদল শ্রমিককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে এবং ক্ষমতায়ন করা হবে ।

কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে শ্রমিকদের ক্ষমতায়নকে অ্যালায়েন্স একটি মৌলিক অধিকার বলে গণ্য করে । আমরা ১.২ মিলিয়ন শ্রমিককে অগ্নি নিরাপত্তা এবং ভবনত্যাগ- দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছি, এবং ২২,০০০ সিকিউরিটি গার্ডকে জরুরি মূহুর্তে –সম্পদ নয় - শ্রমিকদের জীবন রক্ষায় নেতৃত্বের ভূমিকা পালনের জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান করেছি । আমরা শ্রমিক হেল্পলাইন পরিচালনা করছি যা দেশে এই প্রথম এবং একমাত্র, যেখানে প্রায় এক মিলিয়ন শ্রমিক নাম পরিচয় গোপন রেখে এবং চাকুরিচ্যূত হবার ভয়ভীতি ছাড়াই নিরাপত্তা বিষয়ে রিপোর্ট করতে পারে । এবং আমরা কারখানার সংস্কার কাজের কারণে কর্মচ্যূত হওয়া ৬,৬০০ জন শ্রমিককে ক্ষতিপূরণ দিতে পেরে অত্যন্ত গর্বিত ।

যখন অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে, তখন বাংলাদেশের শ্রমিক অধিকারকে সমর্থন করার নিবেদিত প্রচেষ্টাকে অবশ্যই অব্যাহত রাখতে হবে, এবং শ্রমিক নেতাদের যেকোনো ধরণের অন্যায্য আটক অথবা জিজ্ঞাসাবাদ বরদাশত করা উচিৎ নয় । আমরা ম্যানেজমেন্ট এবং শ্রমিকদের ভেতর তৈরি হওয়া দূরত্ব শান্তিপূর্ণভাবে এবং বাংলাদেশের আইন অনুসারে নিরসন করার জন্য আহবান জানাচ্ছি ।

আরও চারটি অ্যালায়েন্স কারখানা পর্যাপ্ত সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা সম্পন্ন করেছে

.

অ্যালায়েন্সের নভেম্বরের হালনাগাদে তিনটি স্থগিত কারখানাকে সংস্কার কাজে অগ্রগতি প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ পুনর্বহাল এবং একটি কারখানাকে সংস্কার কাজে অগ্রগতি প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ায় স্থগিত ঘোষণা

ঢাকা, বাংলাদেশ - অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি আজকে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে আরও চারটি অ্যালায়েন্স-অধিভুক্ত কারখানা তাদের সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনায় (CAP) উল্লেখিত সমস্ত ধরণের মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে, ফলে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা মোট কারখানার সংখ্যা দাড়ালো ৪৬ । এছাড়াও, ইতিপূর্বে অ্যালায়েন্সের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত হওয়া তিনটি কারখানার সঙ্গে -সংস্কার কাজে অগ্রগতি প্রদর্শনের জন্য- অ্যালায়েন্স তার ব্যবসায়িক সম্পর্ক পুনর্বহাল করেছে ।

গ্লোবাল ফ্যাশন গার্মেন্টস লিমিটেড, গ্লোবাল আউটওয়্যার লিমিটেড, অরনেট নিট গার্মেন্ট ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড এবং সাজিদ ওয়াশিং এন্ড ডায়িং তাদের CAP-এ উল্লেখিত সব ধরণের মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে, এবং শিহান স্পেশালাইজড টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, স্মার্ট জ্যাকেট (বিডি) লিমিটেড এবং স্মার্ট জিন্স লিমিটেড কে স্থগিত তালিকা থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে ।

“শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এই কারখানাগুলো যে ব্যপক অগ্রগতি প্রদর্শন করেছে তাতে আমরা অত্যন্ত গর্বিত,” বলেছেন অ্যালায়েন্সের এ-দেশীয় পরিচালক জিম মরিয়ার্টি । “এই অগ্রগতি এটাই প্রমান করে যে, নিরাপত্তা উন্নয়নের জন্য কারখানাগুলোর সঙ্গে কাজ করার আমাদের যে প্রতিশ্রুতি ছিলো সে বিষয়টি কারখানাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে, এবং নির্ধারিত সময়সীমার ভেতর আমাদের মানদন্ড অনুসারে কমপ্লায়েন্স অর্জন সম্ভব যেহেতু কারখানাগুলো এই প্রক্রিয়ার প্রতি প্রতিশ্রুতবদ্ধ” ।

অ্যালায়েন্স আরও ঘোষণা করছে যে, সংস্কার কাজে অগ্রগতি প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ায় অথবা বহির্গমন পথ তালাবদ্ধ থাকায় অ্যালায়েন্স আরেকটি নতুন কারখানা - স্টাইলো ফ্যাশন গার্মেন্টস লিমিটেড – এর সঙ্গে ব্যবসায়িক চুক্তি স্থগিত করেছে, এবং এর ফলে বর্তমানে অ্যালায়েন্সের সঙ্গে ব্যবসায়কি সম্পর্ক স্থগিত হওয়া মোট কারখানার সংখ্যা দাড়ালো ১০২ । স্থগিত কারখানার সম্পূর্ণ তালিকা, এবং সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনায় উল্লেখিত মেরামত কাজ পর্যাপ্ত পরিমান সম্পন্ন করেছে এমন কারখানার তালিকা পাবেন আমাদের ওয়েব সাইট–এ ।

ঢাকা সিগারেট লাইটার কারখানার ভয়ানক অগ্নিকান্ডে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ঢাকা, আশুলিয়ার সিগারেট ফ্যাক্টরির ভয়ানক অগ্নিকান্ডের সংবাদে গভীরভাবে মর্মাহত, যেখানে নিহত হয়েছেন একজন শ্রমিক এবং আহত হয়েছেন ৩০ জনেরও বেশি শ্রমিক । আমরা জানতে পেরেছি যে দুর্ঘটনায় আহত ২০ বছর বয়সের নিচের অনেক নারী শ্রমিক রয়েছেন যাদের অনেকের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক । এই মর্মান্তকি দুর্ঘটনার শিকার শ্রমিক, তাদের পরিবার এবং অন্যান্য সকলের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি ।

এটি কোনো তৈরি পোশাক শিল্প কারখানা ছিলোনা, যার কারণে এটি বর্তমান নিরাপত্তা উদ্যোগসমূহের আওতাধীন নয়, এবং এই ঘটনা আবারও প্রমান করে যে বাংলাদেশের প্রতিটি শিল্প কারখানার প্রতিটি শ্রমিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সারা বাংলাদেশের প্রতিটি কারখানাকেই নিরাপত্তা সংস্কারের আওতাধিনে নিয়ে আসা কতটা জরুরি ।

আরো নিবন্ধ...

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

অনুগ্রহপূর্বক সাধারণ এবং গণমাধ্যম ঊভয় অনুসন্ধানের জন্য এখানে ক্লিক করুন ।