Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

অ্যালায়েন্স প্রশিক্ষণ প্রভাব মূল্যায়ন প্রতিবেদন

.

প্রভাব মূল্যায়ন প্রতিবেদন: প্রাথমিক অগ্নি নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম
টেক্সাস হেলথ সাইন্স সেন্টার অ্যাট হাউসটন, স্কুল অব্ পাবলিক হেলথ বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি (অ্যালায়েন্স)-এর প্রাথমিক অগ্নি নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের স্বতন্ত্র প্রভাব মূল্যায়ন প্রতিবেদন তৈরি করেছে টেক্সাস হেলথ সাইন্স সেন্টার অ্যাট হাউসটন, স্কুল অব্ পাবলিক হেলথ বিশ্ববিদ্যালয় । ইউটিহেলথ (UTHealth) এর নেতৃত্বে ফ্যাকাল্টি এবং গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত একটি গবেষক দল এই গবেষণার বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে উপলব্ধি এবং ডিজাইন করে, উপাত্ত সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণ করে এবং অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের বর্ণনা প্রদান পূর্বক এই গবেষণাটি পরিচালনা করে ।

অ্যালায়েন্স সদস্যবৃন্দ নতুন পরিচালনা পর্ষদ এবং নতুন উপদেষ্টা পর্ষদ নির্বাচিত করেছেন ।

.

আসন্ন প্রকাশের জন্য: জুলাই ২২, ২০১৫
যোগাযোগ: গুইলারমো মেনেসেস +১ (২০২) ৪৪৫ – ১৫৭০ media@afbws.org

 

নিউ ইয়র্ক, এনওয়াই – অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি (অ্যালায়েন্স) আজকে তার সদস্যদের দ্বিতীয় বার্ষিক সভায় স্কয়ার টেক্সটাইল লিমিটেড-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং ঢাকা মেট্রোপলিটান চেম্বার অব্ কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রি-এর সাবেক প্রেসিডেন্ট তপন চৌধুরিকে, এবং চেয়ার অব্ ব্র্যাক ইউকে সাইমন সুলতানাকে বোর্ড অব ডিরেক্টর হিসেবে নির্বাচিত করেছে ।

“অ্যালায়েন্স বোর্ড পরবর্তী বছরগুলোর জন্য অ্যালায়েন্সের আরও বেশি কৌশলগত সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্ব প্রদান করেছে, এবং আজকে নির্বাচিত সদস্যদের এই বোর্ডে অন্তর্ভুক্তকরণ তারই একটি প্রতিফলন,” বলেছেন অ্যালায়েন্সের স্বতন্ত্র সভাপতি অ্যালেন টশার । “তপন চৌধুরী বাংলাদেশের একজন সম্মানিত নেতা এবং তিনি অ্যালায়েন্স বোর্ডে রেডিমেড গার্মেন্টস সেক্টর সহ ইন্ডাষ্ট্রির বিস্তৃত পরিসরের সরকারি এবং প্রাইভেট সেক্টরের মূল্যবান অভিজ্ঞতা আনয়ন করবেন । সাইমন সুলতানা অ্যালায়েন্সের একজন মূল্যবান অংশিদ্বার এবং বাংলাদেশের কারখানার শ্রমিকদের প্রত্যক্ষভাবে সহযোগীতা করার অ্যালায়েন্স-ব্র্যাক অ্যাসোসিয়েশনের যে অব্যাহত যুগান্তকারী প্রচেষ্টা তা নিশ্চিতকরণে তিনি আমাদের সহযোগীতা করবেন । অ্যালায়েন্স পরিচালনা পর্ষদে তাঁরা দুজন যোগদান করায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত” ।

এছাড়াও অ্যালায়েন্স উপদেষ্টা পর্ষদে আরও দুজন সদস্যকে নির্বাচিত করেছে, তাদের একজন হলেন রুমি আলি, ব্র্যাক ইন্টারপ্রাইজেজ এন্ড ইনভেস্টমেন্ট-এর সাবেক ম্যানেজিং ডিরেক্টর; এবং অপরজন হলেন বিদ্যা আমৃত খান, দেশ গার্মেন্টস লিমিটেড এর পরিচালক এবং বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং এন্ড এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) এর পরিচালক ।

বাংলাদেশ গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ কর্ম পরিবেশ তৈরির প্রচেষ্টায় অ্যালায়েন্স পরিচালনা পর্ষদ, জেষ্ঠ্য নেতৃবৃন্দ এবং সদস্যদের কে উপদেষ্টা পর্ষদ তাদের জ্ঞান, দক্ষতা এবং পরামর্শ প্রদান করবে ।

অ্যালায়েন্স নেতৃবৃন্দ সম্পর্কে আরও বেশি তথ্য পাবেন এখানে ।

বাংলাদেশের পোশাক কারখানার উন্নয়নের জন্য অ্যালায়েন্স এবং আইএফসি‌’র যৌথ ঋণ সুবিধা প্রদান

.

আসন্ন প্রকাশের জন্য: যোগাযোগ: গুইলেরমো মিনেসেস
জুলাই ৭, ২০১৫ +১ (২০২) ৪৪৫ – ১৫৭০/media@afbws.org

কারখানা মালিকদের ঋণদান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশী ব্যাংকগুলোকে ৫০ মিলিয়ন ডলার প্রদান ।

ওয়াশিংটন ডি.সি — ¬অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি কারখানা সংস্কারের লক্ষ্যে কারখানা মালিকদের অর্থায়নের জন্য ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্স কর্পোরেশনের (আইএফসি) সঙ্গে একটি চুক্তিতে মধ্যস্ততা করতে যাচ্ছে । কারখানাকে নিরাপদ করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজের জন্য মালিকরা যেন সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা পান সেজন্য আইএফসি বাংলাদেশের পাঁচটি ব্যাংককে ১০ মিলিয়ন ডলার করে মোট ৫০ মিলিয়ন ডলার প্রদান করেছে ।

ট্র্যাজেডির ওপর বিজয় : বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্প নিয়ে পুণর্ভাবনা ।

.

গত বছর, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দেন যে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাত নিয়ে তাঁর দর্শন হলো ২০২১ সাল নাগাদ এই খাত (আরএমজি) ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করবে । এটি একটি জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য যে জাতি ভবিষ্যতের জন্য একটি সম্ভাবনাময় অর্থনীতি গড়ে তুলছে । আর বাংলাদেশের সামগ্রিক রপ্তানি খাতের ৮১% আসে আরএমজি খাত থেকে, আর এই মাইলস্টোনে পৌঁছতে পারলে জাতির দারিদ্রতা দূরীকরণে এবং লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষের জন্য একটি শক্তিশালী অর্থনীতি গঠনে অত্যন্ত সহায়ক হয়ে উঠবে ।

অবশিষ্ট পড়ৃন FT.com- এ

নেপালে ভূমিকম্প: পোশাক কারখানা মূল্যায়ন হালনাগাদ

.

মে ১৩, ২০১৫ – ২০১৫ সালের ২৫ এপ্রিল কাঠমুন্ডু থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে ৭.৯ মাত্রার  হিমালয়ান ভূমিকম্প আঘাত হানে, নেপাল সহ দক্ষিণ এশিয়ার বেশ কিছু অংশে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয় । ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ঢাকা অ্যালায়েন্স স্টাফরা এই ভূকম্পন অনুভব করেন, এবং তারা আফটার শকের কারণে পোশাক কারখানার ভবনগুলোর সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন করতে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়েছেন ।

যন্পাশলর ভূম কশের ওপর অ্যালাশেন্স ফর বাাংলাশেে ওোককার যসফটির মববৃমি

.

আশজকর যন্পাশলর ভূ ম কশের ঘটন্াে অ্যালাশেন্স গভীর স শবেন্া প্রকাে করশে, আর এই ভূ ম কশে বাাংলাশেে সহ অ্ন্যান্য প্রমিশবমে যেেগুশলাশিও প্রান্হামন্, হিাহি এবাং ভবন্ কেকমির ঘটন্া ঘশটশে...

Read the entire statement here. (PDF)

নেপালের মমমান্তিক ভূ ন্তমকলের ওপর মােেীয় অ্যালেে টশালরর ন্তিিৃন্তি

.

আজশক যন্পাশলর কাঠ ুন্ডু শে ৭.৮ াত্রার ভূ প্র কম্প আঘাে যেশন্শে এবং এর ফশল ১০,০০০ এরও যবপ্রে ান্ুষ প্রন্েে েশেশেন্ ।ভূ প্র কম্পন্শতার কম্পন্ অন্ুভূ ে েশেশে যন্পাল, বাংলাশেে, ভারে এবং েপ্রিন্ এপ্রেোর অন্যান্য প্রকেু অঞ্চশল । যন্পাশল প্রন্েে এবং প্রন্েেশের পপ্ররবাশরর প্রপ্রে আপ্র আন্তপ্ররক গভীর স শবেন্া প্রকাে করপ্রে...

Read Ellen's entire statement here. (PDF)

রানা প্লাজা বিপর্যের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটির বিবৃতি

.

এপ্রিল ১৪, ২০১৫ রানা প্লাজা ধসের দ্বিতীয় বার্ষিকী যেখানে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত হয় ১, ১৩৪ জন শ্রমিক । আমরা আজকে কার্যবিরতি দিয়ে দুর্ঘটনার স্বীকার ব্যক্তিদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের স্মরণ করছি – এবং জীবিকা অর্জন করতে গিয়ে বাংলাদেশের কোনো শ্রমিককে যেনো জীবনের ঝুঁকি নিতে না হয় তা নিশ্চিত করতে আমরা নিজেরা আবারও প্রতিশ্রুতবদ্ধ হচ্ছি ।

সম্পূর্ণ বিবৃতিটি পড়ুন এখানে (পিডিএফ )

অ্যালায়েন্সের ১৮ মাসের হালনাগাদ

.

মার্চ ৯, ২০১৫
অ্যালায়েন্সের ১৮ মাসের হালনাগাদ

 

প্রিয় সহকর্মীবৃন্দ

বাংলাদেশের পোশাক শিল্প লক্ষ লক্ষ মানুষের ভালোভাবে বেচে থাকার একটি উপায় । এটি কেবলমাত্র জীবিকা অর্জনেরেই একটি পথ নয়, বরং তারা তাদের পরিবার এবং তাদের দেশের জন্য এক অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক সুযোগের সৃষ্টি করছে । যে উদ্দীপনা এবং দৃঢ়তা নিয়ে নারী এবং পুরুষরা তৈরি পোশাক শিল্পে কাজ করে যাচ্ছে তাতে এই খাতের এবং বাংলাদেশের অর্থনীতির তুলনাহীন উন্নয়ন ঘঠছে । উন্নয়নের নতুন স্তরে উত্তরণের যে ভিত্তিভূমি তৈরি হয়েছে তা অন্য কোনোভাবেই সম্ভব ছিলোনা ।

কতিপয় ট্র্যাজেডির কারণে বাংলাদেশে যে পরিবর্তন এসেছে তা সারা বিশ্বের তৈরি পোশাক শিল্পেই এক পরিবর্তন এনেছে । নিরাপত্তা মানদন্ড, শ্রমিক নিরাপত্তা এবং শ্রমিক অধিকারের প্রশ্রে এখন সবার লক্ষ্যই এক । বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি অংশিদ্বাররা যদি শ্রমিকদের উন্নয়নের প্রতি গুরুত্ব প্রদান করেন তাহলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প চিরকালের জন্য বদলে যাবে ।

কোনো পোশাক শিল্প শ্রমিককে যেন নিরাপদ কর্ম পরিবেশ এবং একটি পে-চেক এই দুটির একটিকে আর বেছে নিতে না হয় তা নিশ্চিত করতেই ২০১৩ এর জুলাইয়ে গঠিত হয়েছে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি । তৈরি পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা উন্নয়ন, প্রত্যেকটি পোশাক শিল্পে পরিদর্শন নিশ্চিতকরণ, প্রত্যেক শ্রমিককে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং তাদের ক্ষমতায়ন করা, প্রত্যেকটি কারখানার মালিক কর্তৃক সংস্কারের কাজ হাতে নেয়ার যে প্রচেষ্টা অ্যালায়েন্স এবং সদস্য কোম্পনিরা হাতে নিয়েছেন আমি তার জন্য অত্যন্ত গর্বিত ।

যদিও আরও অনেক কাজ করে যেতে হবে, তারপরেও আমি ২০১৩ থেকে এ যাবত পর্যন্ত আমাদের প্রধান অর্জনগুলো সবার দৃষ্টিগোচর করার এবং আমরা এ বছর কোন কাজগুলোকে প্রাধান্য দেব তা জানানোর সুযোগ গ্রহন করতে চাই ।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি ডাউনলোড করুন এখানে (পিডিএফ)

লগইন

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

অনুগ্রহপূর্বক সাধারণ এবং গণমাধ্যম ঊভয় অনুসন্ধানের জন্য এখানে ক্লিক করুন ।