Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা
  • slideshow 3rd annual report
  • slideshow new cso
  • slideshow impact assessment

প্রীতি সোয়েটার কারখানার অগ্নিকান্ডে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০১৬ তারিখের ভোরবেলায় গাজিপুরের প্রীতি সোয়েটার লিমিটেড ফ্যাক্টরিতে আগুন লেগে যায় । কি কারণে আগুন লেগেছিলো তা এখনও জানা যায়নি, তবে এর সূত্রপাত হয়েছিলো ৮ম তলার দক্ষিণ-পশ্চিম কোনে, এবং সেখানেই আগুন সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়েছিলো । ওই সময় ১০০ জন শ্রমিক ওই স্থানে কর্মরত ছিলেন, কিন্তু কেউই নিহত কিংবা গুরুতর আহত হননি ।

এই কারখানা পরিদর্শন করেছিলো অ্যাকর্ড অন ফায়ার এন্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ ( অ্যাকর্ড ) এবং এখানে সংস্কার কাজ অব্যাহত আছে । অ্যালায়েন্স অ্যাকর্ড কর্তৃক নির্ধারিত আন্তর্জাতিক মানদন্ড অর্জনে এই কারখানার স্প্রিংকলার সিস্টেম সংস্কার করা প্রয়োজন ছিলো, কিন্তু অগ্নিকান্ডের ওই সময় পর্যন্ত ওই কারখানা স্প্রিংকলার স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করেছিলো না । ত্রুটিপূর্ণ স্প্রিংকলার আগুন ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করেছিলো । ফায়ার ডোর এবং হাইড্রেন্টেরও সংস্কার প্রয়োজন ছিলো, তবে সেগুলো তখন ৮ম তলায় কারখানার স্টাফ এবং ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্স (এফএসসিডি ) কে আগুন নেভাতে সাহায্য করেছিলো । অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৮ম তলা বন্ধ থাকলেও কারখানায় কোনো গুরুতর অবকাঠামোগত অথবা বৈদ্যুতিক ক্ষয়ক্ষতি হয়নি, এবং কারখানার অবশিষ্ট অংশে প্রোডাকশনের কাজ পূনরায় শুরু হয়েছিলো ।

এই দূর্ঘটনাই প্রমান করে আন্তর্জাতিক নিরপত্তা মানদন্ড অর্জনে অ্যালায়েন্স, অ্যাকর্ড এবং বাংলাদেশ সরকারের যে চলমান প্রচেষ্টা তা কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ, এবং সেই সঙ্গে কারখানাগুলোকে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে যারা ধীর গতিতে সংস্কার কাজ করছেন তারা যেন তাদের সংস্কার অগ্রগতি তরান্বিত করে এবং নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ সহ শ্রমিক ক্ষমতায়নের ওপর সর্বোচ্চ জোর প্রদান করতে হবে যেন জরুরি মুহুর্তে শ্রমিকরা সাড়া প্রদান করতে পারে ।

ফেব্রুয়ারী ২ ম্যাট্রিক্স সোয়েটার লিমিটেড-এর অগ্নিকান্ডে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটির বিবৃতি ।

.

ফেব্রুয়ারী ২, ২০১৬-এ গাজিপুরের ম্যাট্রিক্স সোয়েটার লিমিটেডে ভোরবেলার দিকে অগ্নিকান্ড সংগঠিত হয় । এই কারখানা থেকে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি (অ্যালায়েন্স ) এবং অ্যাকর্ড অন ফায়ার এন্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ ( অ্যাকর্ড ) উভয়ের সদস্য কোম্পানিই পণ্য ক্রয় থাকে ।

এই অগ্নিকান্ডে ছোটখাটো কিছু দুর্ঘটনা ঘটে কিন্তু কেউ নিহত কিংবা গুরুতর আহত হয়নি । এই দূর্ঘটনাই প্রমান করে আন্তর্জাতিক নিরপত্তা মানদন্ড অর্জনে আমাদের যে চলমান প্রচেষ্টা তা কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ, এবং সেই সঙ্গে কারখানাগুলোকে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে যারা ধীর গতিতে সংস্কার কাজ করছেন তারা যেন তাদের সংস্কার অগ্রগতি তরান্বিত করে ।

অ্যালায়েন্স মেট্রিক্স সোয়েটার-এ প্রথম পরিদর্শন করে ২০১৪ সালে এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কতিপয় জরুরি উন্নয়ন সাধনের জন্য সুপারিশ করে । জুন ২০১৫-এ, একটি সংস্কার যাচাইকরন পরির্দশন অনুসারে ম্যাট্রিক্স তার প্রয়োজনীয় সংস্কারের ২৫% সম্পন্ন করেছিলো, এবং ৬২% মেরামত কাজের অগ্রগতি চলছিলো । ওই কারখানায় এখনও কিছু কাজ সম্পন্ন করতে হবে যেমন ফায়ার ডোর, স্বয়ংক্রিয় স্প্রিংকলার এবং ফায়ার ডিটেকশন সিস্টেম স্থাপনের কাজ । অতিরিক্ত অগ্রগতি যাচাই করতে অ্যালায়েন্স সম্প্রতি ফলো-আপ পরিদর্শন পরিচালনা করছে ।

অ্যালায়েন্স সহ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা উদ্দ্যোগ গ্রহনের পর থেকে আমরা দেখেছি গুরুতর দূর্ঘটনার পরিমান নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে, অগ্নিকান্ড, হতাহত, এবং মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস আমাদের প্রচেষ্টার ফল – এরপরেও কিছু ঝুঁকি থেকে যায় যা সংস্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে দূর করতে হবে । এই সমস্ত ঝুঁকিকে আরও বেশি সংকটপূর্ণ করে তোলে বাংলাদেশের অবকাঠামোগত পরিস্থিতি, যেমন পর্যাপ্ত পানি সরবরাহের অভাব এবং ঘনবসতি, যার কারণে আগুন ধরে গেলে আগুন নেভানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে – আর এ সবই প্রমান করে আমাদের কাজের গুরুত্ব কতখানি ।

অ্যালায়েন্সের উদ্দেশ্য হলো আমাদের সদস্য কোম্পানি যে সমস্ত কারখানা থেকে পণ্য ক্রয় করে থাকে সে সমস্ত কারখানা যেন যথাযথ পরিদর্শন মানদন্ড মেনে চলে এবং ভবন, বৈদ্যূতিক এবং অগ্নি সংক্রান্ত ঝুঁকি মুক্ত নিরাপদ কর্মপরিবেশ গড়ে তোলে । এই সমস্ত কারখানাতেই পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে এবং তাদের ১.১ মিলিয়ন শ্রমিকদের অ্যালায়েন্স অগ্নি নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে, এবং বর্তমানে প্রতিটি কারখানাতেই সংস্কার কাজ চলছে এটা নিশ্চিত করতে যে প্রতিটি কারখানা যেন নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান অর্জন করতে পারে । অ্যালায়েন্স এবং তার ২৭টি সদস্য কোম্পানি পূর্বে যে ২৬ টি কারখানার সঙ্গে কাজ করতো সেই ২৬ টি কারখানা এই সমস্ত মানদন্ড মেনে চলতে ব্যর্থ হয়েছে ।

যখন বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শিল্পে প্রভূত অগ্রগতি সাধিত হচ্ছিলো তখন এই অগ্নিকান্ডের দূর্ঘটনা এটি প্রমান করে যে প্রতিটি কারখানায় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সংস্কার কাজ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে, নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ সহ শ্রমিক ক্ষমতায়নের ওপর সর্বোচ্চ জোর প্রদান করতে হবে যেন জরুরি মুহুর্তে শ্রমিকরা সাড়া প্রদান করতে পারে ।

জানুয়ারী ২৪ তারিখে গাজিপুর কেমিকেল ফ্যাক্টরির অগ্নিকান্ডে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

জানুয়ারী ২৬, ২০১৬ –জানুয়ারী ২৪ তারিখে গাজিপুর কেমিকেল ফ্যাক্টরিতে অগ্নিকান্ডে নিহত ৬ জন এবং আহত ২০ জনের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি । এই মর্মান্তিক দূর্ঘটনা এটাই প্রমান করে যে বাংলাদেশের শুধু পোশাক কারখানাই নয় – সব ধরণের কারখানার জন্যই বর্তমানের এই নিরাপত্তা উদ্যোগ গ্রহন করা উচিৎ এবং সব ধরণের কারখানাতেই পরিদর্শন এবং সংস্কার করা উচিৎ যেন প্রতিটি শ্রমিক নিরাপদে থাকেন ।

অ্যালায়েন্সের উদ্দেশ্য হলো আমাদের সদস্য কোম্পানি যে সমস্ত কারখানা থেকে পণ্য ক্রয় করে থাকে সে সমস্ত কারখানা যেন যথাযথ পরিদর্শন মানদন্ড মেনে চলে এবং ভবন, বৈদ্যূতিক এবং অগ্নি সংক্রান্ত ঝুঁকি মুক্ত নিরাপদ কর্মপরিবেশ গড়ে তোলে । এই সমস্ত কারখানাতেই পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে এবং তাদের ১.১ মিলিয়ন শ্রমিকদের অ্যালায়েন্স অগ্নি নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে, এবং বর্তমানে প্রতিটি কারখানাতেই সংস্কার কাজ চলছে এটা নিশ্চিত করতে যে প্রতিটি কারখানা যেন নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান অর্জন করতে পারে । অ্যালায়েন্স এবং তার ২৭টি সদস্য কোম্পানি পূর্বে যে ২৬ টি কারখানার সঙ্গে কাজ করতো সেই ২৬ টি কারখানা এই সমস্ত মানদন্ড মেনে চলতে ব্যর্থ হয়েছে ।

আমরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে সবিনয় অনুরোধ জানিয়েছি যেন বাংলাদেশ সরকার কারখানার নিরাপত্তা উন্নয়নের জন্য, এবং বাংলাদেশের সমস্ত ধরণের কারখানায় নিরাপদ কর্মস্থল গড়ে তোলা নিশ্চিত করতে জাতীয় কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুরণে যেন আরও বেশি পদক্ষেপ গ্রহন করে ।

তাজরীন ফ্যাশনে অগ্নিকান্ডের তৃতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে বিবৃতি ।

.

২০১২ সালের এই দিনে তাজরীন ফ্যাশন লিমিটেড গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে আগুন লেগে নিহত হন ১১২ জন শ্রমিক এবং গুরুতর আহত হন আরও অনেক শ্রমিক । আজকে আমরা দুর্ঘটনার শিকার এই সমস্ত শ্রমিক এবং তাদের পরিবারদের প্রতি জ্ঞাপন করছি আমাদের আন্তরিক গভীর শ্রদ্ধা ।

তাজরীন ফ্যাশন লিমিটেড-এর অগ্নিকান্ডের এই তিন বছরে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি বাংলাদেশ সরকার, কারখানা মালিক এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কারখানাগুলোতে নিরাপত্তা বিষয়ক পদক্ষেপ গ্রহন সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছে । এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে অ্যালায়েন্স কারখানার মালিকদের দীর্ঘমেয়াদে, স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা প্রদানের জন্য কাজ করে যাচ্ছে যেন কারখানার মালিকরা ভবন, বিদ্যুৎ এবং অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কাজ শুরু করতে পারে, এবং একই সঙ্গে অ্যালায়েন্স কারখানার শ্রমিক, সিকিউরিটি গার্ড এবং কারখানা ম্যানেজারদের নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করছে ।

এছাড়াও আমরা হেল্পলাইন প্রতিষ্ঠিত করেছি যেখানে শ্রমিকরা তাদের নাম পরিচয় গোপন রেখে নিরাপত্তা বিষয়ক যে কোনো সমস্যা জানাতে পারবে । আজকের এইদিনে, অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি এই গুরুত্বপূর্ণ শিল্পের একটি টেকসই রূপান্তরকরণের মিশনে প্রতিশ্রুতবদ্ধ ।

অ্যালায়েন্স বার্ষিক প্রতিবেদন, ২০১৫

.

বাংলাদেশ পোশাক শিল্প শ্রমিকদের রক্ষা এবং ক্ষমতায়ন
অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি দ্বিতীয় বার্ষিক প্রতিবেদন

গত দুই বছরে, অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি অনেক জটিল পরিস্থিতির ভেতর দিয়েও বিপুল পরিমান সাফল্য অর্জন করতে সমর্থ হয়েছে । অনেজ চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও, পোশাক শিল্প শ্রমিকদের জন্য একটি নিরাপদ এবং অধিকতর সম্মানজনক কর্মপরিবেশ সৃষ্টিতে অ্যালায়েন্সের লক্ষ্য আমাদের সবাইকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে, কারণ আমরা প্রত্যেকেই জানি কারখানা শ্রমিকদের জন্য, পোশাক শিল্পের জন্য এবং সর্বপরি বাংলাদেশের মানুষের জন্য আমাদের কাজ কতটা গুরুত্বপূর্ণ ।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি পেতে এখানে ডাউনলোড করুন: ইংরেজি / বাংলা

এ সংক্রান্ত স্বতন্ত্র ডকুমেন্ট ডাউনলোড করতে পারবেন এখানে:

অ্যালায়েন্স প্রশিক্ষণ প্রভাব মূল্যায়ন প্রতিবেদন

.

প্রভাব মূল্যায়ন প্রতিবেদন: প্রাথমিক অগ্নি নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম
টেক্সাস হেলথ সাইন্স সেন্টার অ্যাট হাউসটন, স্কুল অব্ পাবলিক হেলথ বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি (অ্যালায়েন্স)-এর প্রাথমিক অগ্নি নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের স্বতন্ত্র প্রভাব মূল্যায়ন প্রতিবেদন তৈরি করেছে টেক্সাস হেলথ সাইন্স সেন্টার অ্যাট হাউসটন, স্কুল অব্ পাবলিক হেলথ বিশ্ববিদ্যালয় । ইউটিহেলথ (UTHealth) এর নেতৃত্বে ফ্যাকাল্টি এবং গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত একটি গবেষক দল এই গবেষণার বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে উপলব্ধি এবং ডিজাইন করে, উপাত্ত সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণ করে এবং অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের বর্ণনা প্রদান পূর্বক এই গবেষণাটি পরিচালনা করে ।

অ্যালায়েন্স সদস্যবৃন্দ নতুন পরিচালনা পর্ষদ এবং নতুন উপদেষ্টা পর্ষদ নির্বাচিত করেছেন ।

.

আসন্ন প্রকাশের জন্য: জুলাই ২২, ২০১৫
যোগাযোগ: গুইলারমো মেনেসেস +১ (২০২) ৪৪৫ – ১৫৭০ media@afbws.org

 

নিউ ইয়র্ক, এনওয়াই – অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি (অ্যালায়েন্স) আজকে তার সদস্যদের দ্বিতীয় বার্ষিক সভায় স্কয়ার টেক্সটাইল লিমিটেড-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং ঢাকা মেট্রোপলিটান চেম্বার অব্ কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রি-এর সাবেক প্রেসিডেন্ট তপন চৌধুরিকে, এবং চেয়ার অব্ ব্র্যাক ইউকে সাইমন সুলতানাকে বোর্ড অব ডিরেক্টর হিসেবে নির্বাচিত করেছে ।

“অ্যালায়েন্স বোর্ড পরবর্তী বছরগুলোর জন্য অ্যালায়েন্সের আরও বেশি কৌশলগত সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্ব প্রদান করেছে, এবং আজকে নির্বাচিত সদস্যদের এই বোর্ডে অন্তর্ভুক্তকরণ তারই একটি প্রতিফলন,” বলেছেন অ্যালায়েন্সের স্বতন্ত্র সভাপতি অ্যালেন টশার । “তপন চৌধুরী বাংলাদেশের একজন সম্মানিত নেতা এবং তিনি অ্যালায়েন্স বোর্ডে রেডিমেড গার্মেন্টস সেক্টর সহ ইন্ডাষ্ট্রির বিস্তৃত পরিসরের সরকারি এবং প্রাইভেট সেক্টরের মূল্যবান অভিজ্ঞতা আনয়ন করবেন । সাইমন সুলতানা অ্যালায়েন্সের একজন মূল্যবান অংশিদ্বার এবং বাংলাদেশের কারখানার শ্রমিকদের প্রত্যক্ষভাবে সহযোগীতা করার অ্যালায়েন্স-ব্র্যাক অ্যাসোসিয়েশনের যে অব্যাহত যুগান্তকারী প্রচেষ্টা তা নিশ্চিতকরণে তিনি আমাদের সহযোগীতা করবেন । অ্যালায়েন্স পরিচালনা পর্ষদে তাঁরা দুজন যোগদান করায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত” ।

এছাড়াও অ্যালায়েন্স উপদেষ্টা পর্ষদে আরও দুজন সদস্যকে নির্বাচিত করেছে, তাদের একজন হলেন রুমি আলি, ব্র্যাক ইন্টারপ্রাইজেজ এন্ড ইনভেস্টমেন্ট-এর সাবেক ম্যানেজিং ডিরেক্টর; এবং অপরজন হলেন বিদ্যা আমৃত খান, দেশ গার্মেন্টস লিমিটেড এর পরিচালক এবং বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং এন্ড এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) এর পরিচালক ।

বাংলাদেশ গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ কর্ম পরিবেশ তৈরির প্রচেষ্টায় অ্যালায়েন্স পরিচালনা পর্ষদ, জেষ্ঠ্য নেতৃবৃন্দ এবং সদস্যদের কে উপদেষ্টা পর্ষদ তাদের জ্ঞান, দক্ষতা এবং পরামর্শ প্রদান করবে ।

অ্যালায়েন্স নেতৃবৃন্দ সম্পর্কে আরও বেশি তথ্য পাবেন এখানে ।

বাংলাদেশের পোশাক কারখানার উন্নয়নের জন্য অ্যালায়েন্স এবং আইএফসি‌’র যৌথ ঋণ সুবিধা প্রদান

.

আসন্ন প্রকাশের জন্য: যোগাযোগ: গুইলেরমো মিনেসেস
জুলাই ৭, ২০১৫ +১ (২০২) ৪৪৫ – ১৫৭০/media@afbws.org

কারখানা মালিকদের ঋণদান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশী ব্যাংকগুলোকে ৫০ মিলিয়ন ডলার প্রদান ।

ওয়াশিংটন ডি.সি — ¬অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি কারখানা সংস্কারের লক্ষ্যে কারখানা মালিকদের অর্থায়নের জন্য ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্স কর্পোরেশনের (আইএফসি) সঙ্গে একটি চুক্তিতে মধ্যস্ততা করতে যাচ্ছে । কারখানাকে নিরাপদ করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজের জন্য মালিকরা যেন সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা পান সেজন্য আইএফসি বাংলাদেশের পাঁচটি ব্যাংককে ১০ মিলিয়ন ডলার করে মোট ৫০ মিলিয়ন ডলার প্রদান করেছে ।

ট্র্যাজেডির ওপর বিজয় : বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্প নিয়ে পুণর্ভাবনা ।

.

গত বছর, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দেন যে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাত নিয়ে তাঁর দর্শন হলো ২০২১ সাল নাগাদ এই খাত (আরএমজি) ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করবে । এটি একটি জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য যে জাতি ভবিষ্যতের জন্য একটি সম্ভাবনাময় অর্থনীতি গড়ে তুলছে । আর বাংলাদেশের সামগ্রিক রপ্তানি খাতের ৮১% আসে আরএমজি খাত থেকে, আর এই মাইলস্টোনে পৌঁছতে পারলে জাতির দারিদ্রতা দূরীকরণে এবং লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষের জন্য একটি শক্তিশালী অর্থনীতি গঠনে অত্যন্ত সহায়ক হয়ে উঠবে ।

অবশিষ্ট পড়ৃন FT.com- এ

লগইন

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

Please use our contact form for general and media inquiries.