Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

নতুন দু’টি কারখানা সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা (কারেকটিভ অ্যাকশন প্ল্যান বা CAP ) সম্পন্ন করেছে বলে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি’র ঘোষণা

.

সিনহা ডাইয়িং এবং ফিনিশিং লিমিটেড, ব্যাবিলন ক্যাজুয়ালওয়্যার লিমিটেড সফলতার সহিত সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ইস্যূগুলোর সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছে ।

ঢাকা, বাংলাদেশ – অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি আজকে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে আ্যালায়েন্স সদস্য কোম্পানির দুটি কারখানা সিনহা ডাইয়িং এন্ড ফিনিশিং লিমিটেড এবং ব্যাবিলন ক্যাজুয়ালওয়্যার লিমিটেড, সফলতার সহিত সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা বা কারেকটিভ অ্যাকশন প্ল্যান সম্পন্ন করেছে । অ্যালায়েন্সের ৫ বছরের নিরাপত্তা উদ্যোগ সম্পন্ন হতে এখনও দু’বছরেরও বেশি সময় হাতে রয়েছে, সিনহা এবং ব্যাবিলন যথাক্রমে ২৭ এবং ২৮ তম কারখানা যারা অ্যালায়েন্সের পরিদর্শনের সময় শণাক্তকৃত সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ইস্যূগুলোর সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছে ।

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা উন্নয়নের লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে অ্যালায়েন্স সদস্য কোম্পানিগুলোর জন্য পণ্য উৎপাদনকারী কারখানাগুলোর নিরাপত্তা সমস্যা চিহ্নিত করার জন্য স্বতন্ত্র অ্যাসেসমেন্ট ফার্ম সে সমস্ত কারখানায় পরিদর্শন করে থাকে । এই প্রক্রিয়া চলাকালিন সময়, কারখানা মালিকদের একটি সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা (কারেকটিভ অ্যাকশন প্ল্যান বা CAP) প্রদান করা হয় যেন তারা তাদের শ্রমিকদের জন্য পদ্ধতিগতভাবে নিরাপত্তা পরিস্থিতির টেকসই উন্নয়ন ঘটাতে পারে । সংশোধনী কর্মপরিকল্পনা বা CAP প্রস্তুত হবার পরে, কাঠামোগত অখণ্ডতা, বৈদ্যুতিক ও অগ্নি-নিরাপত্তার সমস্যাগুলির নিরসন করার জন্য সংস্কার কাজ শুরু করা হয় । নিয়ম অমান্য করা সংক্রান্ত যেসব সমস্যা CAP-এ উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলোর নিরসন না হওয়া পর্যন্ত কারখানাগুলো সংস্কার কাজ অব্যাহত রাখে ।

“প্রতিটি CAP সম্পন্ন করার অর্থ হলো অ্যালায়েন্সের নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরির লক্ষ্যের দিকে একধাপ করে এগিয়ে যাওয়া”, বলেছেন কান্ট্রি ডিরেক্টর জিম মরিয়ার্টি । “পরিদর্শন থেকে শুরু করে সংস্কার কাজ পর্যন্ত, কারখানার মালিকদের প্রতিশ্রুতি এবং প্রচেষ্টা অপরিহার্য । আমরা সিনহা ডায়িং এন্ড ফিনিসিং লিমিটেড এবং ব্যাবিলন ক্যাজুয়াল লিমিটেডকে এই গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য পূরণের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি” ।

পাকিজা গ্রুপ ফ্যাক্টরির অগ্নিকান্ডে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটির বিবৃতি

.

ঢাকা, বাংলাদেশ ( মে ২২,২০১৬ ) – আজ সকালে ঢাকার নরসিংদি জেলার পাকিজা গ্রুপ ফ্যাক্টরিতে রাসায়নিক অগ্নিকান্ড সংঘটিত হয়, অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি আজকে সে বিষয়ক নিম্নলিখিত বিবৃতি প্রকাশ করছে:

“অগ্নিকান্ডের সংবাদে আমরা গভীরভাবে মর্মাহত, আমাদের আন্তরিক সমবেদনা এবং প্রার্থনা রইল সেই সমস্ত শ্রমিক ভাইবোনদের প্রতি যারা এই অগ্নিকান্ডে প্রান হারিয়েছেন । যদিও এই কারখানাটি অ্যালায়েন্স কিংবা অ্যাকর্ডের অন্তর্ভূক্ত নয়, কিন্তু এই দুর্ঘটনা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প শ্রমিকদের নিরাপত্তা উন্নয়ন সহায়তায় বাংলদেশ সরকার এবং আমাদের যে সম্মিলিত প্রচেষ্টা সেই প্রচেষ্টার গুরুত্বকে আরও প্রকট করে তুলেছে” ।

রানা প্লাজা ধসের তৃতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

ঢাকা, বাংলাদেশ - আজকে, অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ( অ্যালায়েন্স ) এপ্রিল ২৪, ২০১৩ সালে রানা প্লাজা ভবন ধসের তৃতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে নিম্নলিখিত বিবৃতি প্রদান করছে ।

“আজকে রানা প্লাজা ভবন ধসের তৃতীয় বার্ষিকী, এই দিন ভবন ধসে করুন মৃত্যূ ঘটেছিল ১,১৩৪ জন শ্রমিকের । রানা প্লাজা দুর্যোগের শিকার ব্যক্তিদের এবং তাদের পরিবারের সম্মানে, অ্যালায়েন্স এবং আমাদের সদস্য কোম্পানীগুলো শ্রমিকদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি বিষয়ক আমাদের যে মিশন রয়েছে তার প্রতি অ্যালায়েন্স তার প্রতিশ্রুতিতে অবিচল রয়েছে, যেখানে নিরাপত্তা ব্যতিক্রম কোনো কিছু না হয়ে বরং আইনে পরিণত হবে” ।

“রানা প্লাজা ভবন ধসের কয়েক মাসের মধ্যে গঠিত অ্যালায়েন্স সেই শুরু থেকেই বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্প কারখানার শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টিকে আমাদের একটি মিশনে পরিণত করেছে, এবং আমরা আত্নবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি অ্যালায়েন্স কারখানাগুলোর শ্রমিক বর্তমানে তিন বছর আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ । বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ পোশাক কারখানায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ২০১২ সালের তুলনায় ৯০% হ্রাস পেয়েছে এবং ২০১৫ সালে অগ্নি দূর্ঘটনায় একজনেরও মৃত্যূ হয়নি ।

“বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পের সংস্কারের জন্য আরও অনেক কাজ করতে হবে, এবং আমরা শ্রমিক ক্ষমতায়ন প্রচেষ্টায় এবং এই ধরণের মর্মান্তিক ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয় সেজন্য আমরা ভবন ও অগ্নি নিরপত্তা ইস্যূগুলো সংস্কার করার লক্ষ্যে কারখানার মালিকদের সঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে অবিচল থাকবো” ।

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি অগ্রগতি প্রতিবেদন

.

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি অগ্রগতি প্রতিবেদন
এপ্রিল ২০১৬

সভাপতির বার্তা

গত তিন বছরে, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্প কারখানার শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে অ্যালায়েন্সের যে প্রতিশ্রুতি ছিলো সে অনুযায়ী অ্যালায়েন্স বেশ তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি সাধন করেছে । মানদন্ড এবং পরিদর্শন, প্রশিক্ষণ, সংস্কার, শ্রমিক ক্ষমতায়ন এবং টেকসই উন্নয়নের ওপর ভিত্তি করে যে উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে তাতে আমরা প্রমান করতে পেরেছি যে, যেকোনো মহৎ দর্শনকে পর্যবেক্ষণযোগ্য বাস্তবতায় রূপান্তর করা সম্ভব...

প্রতিবেদন ডাউনলোড এখানে

এনএফপিএ কর্তৃক অ্যালায়েন্সের সংস্কার প্রচেষ্টার মূল্যায়ন

.

আজকে দি ন্যাশনাল ফায়ার প্রটেকশন অ্যাসোসিয়েশন ( এনএফপিএ) বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্প ( আরএমজি) বিষয়ক উচ্চ স্তরের মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে । শ্রমিকদের নিরাপত্তা উন্নয়নে অ্যালায়েন্সের প্রচেষ্টার এটি একটি স্বতন্ত্র পর্যালোচনা যা ম্যারিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএমডি) সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত হয় । সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পড়ুন এখানে। অ্যালায়েন্সের প্রতি এনএফপিএ-এর সুপারিশে এবং সুপারিশ অনুসারে অ্যালায়েন্সের কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ পড়ুন এখানে

প্রীতি সোয়েটার কারখানার অগ্নিকান্ডে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০১৬ তারিখের ভোরবেলায় গাজিপুরের প্রীতি সোয়েটার লিমিটেড ফ্যাক্টরিতে আগুন লেগে যায় । কি কারণে আগুন লেগেছিলো তা এখনও জানা যায়নি, তবে এর সূত্রপাত হয়েছিলো ৮ম তলার দক্ষিণ-পশ্চিম কোনে, এবং সেখানেই আগুন সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়েছিলো । ওই সময় ১০০ জন শ্রমিক ওই স্থানে কর্মরত ছিলেন, কিন্তু কেউই নিহত কিংবা গুরুতর আহত হননি ।

এই কারখানা পরিদর্শন করেছিলো অ্যাকর্ড অন ফায়ার এন্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ ( অ্যাকর্ড ) এবং এখানে সংস্কার কাজ অব্যাহত আছে । অ্যালায়েন্স অ্যাকর্ড কর্তৃক নির্ধারিত আন্তর্জাতিক মানদন্ড অর্জনে এই কারখানার স্প্রিংকলার সিস্টেম সংস্কার করা প্রয়োজন ছিলো, কিন্তু অগ্নিকান্ডের ওই সময় পর্যন্ত ওই কারখানা স্প্রিংকলার স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করেছিলো না । ত্রুটিপূর্ণ স্প্রিংকলার আগুন ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করেছিলো । ফায়ার ডোর এবং হাইড্রেন্টেরও সংস্কার প্রয়োজন ছিলো, তবে সেগুলো তখন ৮ম তলায় কারখানার স্টাফ এবং ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্স (এফএসসিডি ) কে আগুন নেভাতে সাহায্য করেছিলো । অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৮ম তলা বন্ধ থাকলেও কারখানায় কোনো গুরুতর অবকাঠামোগত অথবা বৈদ্যুতিক ক্ষয়ক্ষতি হয়নি, এবং কারখানার অবশিষ্ট অংশে প্রোডাকশনের কাজ পূনরায় শুরু হয়েছিলো ।

এই দূর্ঘটনাই প্রমান করে আন্তর্জাতিক নিরপত্তা মানদন্ড অর্জনে অ্যালায়েন্স, অ্যাকর্ড এবং বাংলাদেশ সরকারের যে চলমান প্রচেষ্টা তা কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ, এবং সেই সঙ্গে কারখানাগুলোকে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে যারা ধীর গতিতে সংস্কার কাজ করছেন তারা যেন তাদের সংস্কার অগ্রগতি তরান্বিত করে এবং নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ সহ শ্রমিক ক্ষমতায়নের ওপর সর্বোচ্চ জোর প্রদান করতে হবে যেন জরুরি মুহুর্তে শ্রমিকরা সাড়া প্রদান করতে পারে ।

ফেব্রুয়ারী ২ ম্যাট্রিক্স সোয়েটার লিমিটেড-এর অগ্নিকান্ডে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটির বিবৃতি ।

.

ফেব্রুয়ারী ২, ২০১৬-এ গাজিপুরের ম্যাট্রিক্স সোয়েটার লিমিটেডে ভোরবেলার দিকে অগ্নিকান্ড সংগঠিত হয় । এই কারখানা থেকে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি (অ্যালায়েন্স ) এবং অ্যাকর্ড অন ফায়ার এন্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ ( অ্যাকর্ড ) উভয়ের সদস্য কোম্পানিই পণ্য ক্রয় থাকে ।

এই অগ্নিকান্ডে ছোটখাটো কিছু দুর্ঘটনা ঘটে কিন্তু কেউ নিহত কিংবা গুরুতর আহত হয়নি । এই দূর্ঘটনাই প্রমান করে আন্তর্জাতিক নিরপত্তা মানদন্ড অর্জনে আমাদের যে চলমান প্রচেষ্টা তা কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ, এবং সেই সঙ্গে কারখানাগুলোকে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে যারা ধীর গতিতে সংস্কার কাজ করছেন তারা যেন তাদের সংস্কার অগ্রগতি তরান্বিত করে ।

অ্যালায়েন্স মেট্রিক্স সোয়েটার-এ প্রথম পরিদর্শন করে ২০১৪ সালে এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কতিপয় জরুরি উন্নয়ন সাধনের জন্য সুপারিশ করে । জুন ২০১৫-এ, একটি সংস্কার যাচাইকরন পরির্দশন অনুসারে ম্যাট্রিক্স তার প্রয়োজনীয় সংস্কারের ২৫% সম্পন্ন করেছিলো, এবং ৬২% মেরামত কাজের অগ্রগতি চলছিলো । ওই কারখানায় এখনও কিছু কাজ সম্পন্ন করতে হবে যেমন ফায়ার ডোর, স্বয়ংক্রিয় স্প্রিংকলার এবং ফায়ার ডিটেকশন সিস্টেম স্থাপনের কাজ । অতিরিক্ত অগ্রগতি যাচাই করতে অ্যালায়েন্স সম্প্রতি ফলো-আপ পরিদর্শন পরিচালনা করছে ।

অ্যালায়েন্স সহ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা উদ্দ্যোগ গ্রহনের পর থেকে আমরা দেখেছি গুরুতর দূর্ঘটনার পরিমান নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে, অগ্নিকান্ড, হতাহত, এবং মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস আমাদের প্রচেষ্টার ফল – এরপরেও কিছু ঝুঁকি থেকে যায় যা সংস্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে দূর করতে হবে । এই সমস্ত ঝুঁকিকে আরও বেশি সংকটপূর্ণ করে তোলে বাংলাদেশের অবকাঠামোগত পরিস্থিতি, যেমন পর্যাপ্ত পানি সরবরাহের অভাব এবং ঘনবসতি, যার কারণে আগুন ধরে গেলে আগুন নেভানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে – আর এ সবই প্রমান করে আমাদের কাজের গুরুত্ব কতখানি ।

অ্যালায়েন্সের উদ্দেশ্য হলো আমাদের সদস্য কোম্পানি যে সমস্ত কারখানা থেকে পণ্য ক্রয় করে থাকে সে সমস্ত কারখানা যেন যথাযথ পরিদর্শন মানদন্ড মেনে চলে এবং ভবন, বৈদ্যূতিক এবং অগ্নি সংক্রান্ত ঝুঁকি মুক্ত নিরাপদ কর্মপরিবেশ গড়ে তোলে । এই সমস্ত কারখানাতেই পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে এবং তাদের ১.১ মিলিয়ন শ্রমিকদের অ্যালায়েন্স অগ্নি নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে, এবং বর্তমানে প্রতিটি কারখানাতেই সংস্কার কাজ চলছে এটা নিশ্চিত করতে যে প্রতিটি কারখানা যেন নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান অর্জন করতে পারে । অ্যালায়েন্স এবং তার ২৭টি সদস্য কোম্পানি পূর্বে যে ২৬ টি কারখানার সঙ্গে কাজ করতো সেই ২৬ টি কারখানা এই সমস্ত মানদন্ড মেনে চলতে ব্যর্থ হয়েছে ।

যখন বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শিল্পে প্রভূত অগ্রগতি সাধিত হচ্ছিলো তখন এই অগ্নিকান্ডের দূর্ঘটনা এটি প্রমান করে যে প্রতিটি কারখানায় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সংস্কার কাজ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে, নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ সহ শ্রমিক ক্ষমতায়নের ওপর সর্বোচ্চ জোর প্রদান করতে হবে যেন জরুরি মুহুর্তে শ্রমিকরা সাড়া প্রদান করতে পারে ।

জানুয়ারী ২৪ তারিখে গাজিপুর কেমিকেল ফ্যাক্টরির অগ্নিকান্ডে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

জানুয়ারী ২৬, ২০১৬ –জানুয়ারী ২৪ তারিখে গাজিপুর কেমিকেল ফ্যাক্টরিতে অগ্নিকান্ডে নিহত ৬ জন এবং আহত ২০ জনের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি । এই মর্মান্তিক দূর্ঘটনা এটাই প্রমান করে যে বাংলাদেশের শুধু পোশাক কারখানাই নয় – সব ধরণের কারখানার জন্যই বর্তমানের এই নিরাপত্তা উদ্যোগ গ্রহন করা উচিৎ এবং সব ধরণের কারখানাতেই পরিদর্শন এবং সংস্কার করা উচিৎ যেন প্রতিটি শ্রমিক নিরাপদে থাকেন ।

অ্যালায়েন্সের উদ্দেশ্য হলো আমাদের সদস্য কোম্পানি যে সমস্ত কারখানা থেকে পণ্য ক্রয় করে থাকে সে সমস্ত কারখানা যেন যথাযথ পরিদর্শন মানদন্ড মেনে চলে এবং ভবন, বৈদ্যূতিক এবং অগ্নি সংক্রান্ত ঝুঁকি মুক্ত নিরাপদ কর্মপরিবেশ গড়ে তোলে । এই সমস্ত কারখানাতেই পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে এবং তাদের ১.১ মিলিয়ন শ্রমিকদের অ্যালায়েন্স অগ্নি নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে, এবং বর্তমানে প্রতিটি কারখানাতেই সংস্কার কাজ চলছে এটা নিশ্চিত করতে যে প্রতিটি কারখানা যেন নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান অর্জন করতে পারে । অ্যালায়েন্স এবং তার ২৭টি সদস্য কোম্পানি পূর্বে যে ২৬ টি কারখানার সঙ্গে কাজ করতো সেই ২৬ টি কারখানা এই সমস্ত মানদন্ড মেনে চলতে ব্যর্থ হয়েছে ।

আমরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে সবিনয় অনুরোধ জানিয়েছি যেন বাংলাদেশ সরকার কারখানার নিরাপত্তা উন্নয়নের জন্য, এবং বাংলাদেশের সমস্ত ধরণের কারখানায় নিরাপদ কর্মস্থল গড়ে তোলা নিশ্চিত করতে জাতীয় কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুরণে যেন আরও বেশি পদক্ষেপ গ্রহন করে ।

তাজরীন ফ্যাশনে অগ্নিকান্ডের তৃতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে বিবৃতি ।

.

২০১২ সালের এই দিনে তাজরীন ফ্যাশন লিমিটেড গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে আগুন লেগে নিহত হন ১১২ জন শ্রমিক এবং গুরুতর আহত হন আরও অনেক শ্রমিক । আজকে আমরা দুর্ঘটনার শিকার এই সমস্ত শ্রমিক এবং তাদের পরিবারদের প্রতি জ্ঞাপন করছি আমাদের আন্তরিক গভীর শ্রদ্ধা ।

তাজরীন ফ্যাশন লিমিটেড-এর অগ্নিকান্ডের এই তিন বছরে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি বাংলাদেশ সরকার, কারখানা মালিক এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কারখানাগুলোতে নিরাপত্তা বিষয়ক পদক্ষেপ গ্রহন সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছে । এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে অ্যালায়েন্স কারখানার মালিকদের দীর্ঘমেয়াদে, স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা প্রদানের জন্য কাজ করে যাচ্ছে যেন কারখানার মালিকরা ভবন, বিদ্যুৎ এবং অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কাজ শুরু করতে পারে, এবং একই সঙ্গে অ্যালায়েন্স কারখানার শ্রমিক, সিকিউরিটি গার্ড এবং কারখানা ম্যানেজারদের নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করছে ।

এছাড়াও আমরা হেল্পলাইন প্রতিষ্ঠিত করেছি যেখানে শ্রমিকরা তাদের নাম পরিচয় গোপন রেখে নিরাপত্তা বিষয়ক যে কোনো সমস্যা জানাতে পারবে । আজকের এইদিনে, অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি এই গুরুত্বপূর্ণ শিল্পের একটি টেকসই রূপান্তরকরণের মিশনে প্রতিশ্রুতবদ্ধ ।

লগইন

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

Please use our contact form for general and media inquiries.