Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ঘোষণা প্রদান করছে যে ৪টি কারখানা সফলভাবে সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা অনুসারে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছে, এবং অপর ৮টি কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে ।

.

ঢাকা, বাংলাদেশ – বাংলাদেশে অ্যালায়েন্সের কারখানাগুলোতে নিরাপত্তা উন্নয়নের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে, আরও চারটি কারখানা সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা অনুসারে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছে । এছাড়াও অ্যালায়েন্স সংস্কার কাজে অগ্রগতি প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ায় ৮টি কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত ঘোষণা করেছে ।

শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ ও আদর্শ কারখানার গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য আমরা পার্ক ( বাংলাদেশ ) কোম্পানি, ওলিও অ্যাপারেলস, ফাউন্টেন গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং এবং ইউনিটেক্স ইন্টারন্যাশনাল কে অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি,” বলেছেন অ্যালায়েন্সের এ-দেশীয় পরিচালক জিম মরিয়ার্টি । “অপরদিকে, অপর ৮টি কারখানাকে স্থগিত ঘোষণা দিয়ে আমরা এই বার্তা প্রদান করতে চাই যে গুরুতর নিরাপত্তা বিষয়ক সমস্যা সমাধানে অনিচ্ছুক ও অপারগ কারখানাগুলোর সঙ্গে আমাদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক অব্যাহত থাকবেনা” ।

সদস্য কোম্পানিগুলোর জন্য পণ্য উৎপাদনকারী সবগুলো কারখানাতেই অ্যালায়েন্স অবকাঠামোগত, বৈদ্যূতিক এবং অগ্নি নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিরপেক্ষ পরিদর্শন পরিচালনা করে থাকে । এরপর প্রত্যেকটি কারখানাকেই একটি করে সংশোধনী কর্মপরিকল্পনা (CAP) প্রদান করা হয় যেখানে নিরাপত্তা সমস্যা সমাধানের এবং অ্যালায়েন্সের নিরাপত্তা মানদন্ড অর্জনের দিকনির্দেশনা উল্লেখ থাকে । এছাড়াও অ্যালায়েন্স সংস্কার কাজে সহায়তার জন্য কারিগরি সহায়তা এবং স্বল্প সুদে সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি করে থাকে ।

আজ পর্যন্ত অ্যালায়েন্স মোট ৯১ টি কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত করেছে, এবং ৩২ টি কারখানা সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছে এবং অ্যালায়েন্স কারখানাগুলোতে সমস্ত নিরাপত্তা সমস্যার ৫৭% সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে ।

স্থগিত প্রক্রিয়া সংক্রান্ত আরও তথ্য পেতে পারেন অ্যালায়েন্স সদস্য চুক্তি-তে, এবং স্থগিত কারখানা সংক্রান্ত সম্পূর্ণ তালিকা পাবেন আমাদের ওয়েব সাইট-এ ।

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি –এর সংস্কার, কারখানা স্ট্যাটাস এবং শ্রমিক ক্ষমতায়ন বিষয়ক ২য় ত্রৈমাসিক অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রকাশ

.

ঢাকা - আজকে, অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ( অ্যালায়েন্স ) কারখানা সংস্কার এবং শ্রমিক ক্ষমতায়ন উদ্যোগ বিষয়ক ত্রৈমাসিক অগ্রগতি হালনাগাদ প্রদান করছে । নিম্নে বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস মরিয়ার্টি, অ্যালায়েন্স কান্ট্রি ডিরেক্টরের প্রস্তুতকৃত মন্তব্য দেয়া হলো ।

অ্যালায়েন্স এবং বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা উন্নয়নে আমাদের উদ্যোগ সম্পর্কে আরও বেশি তথ্য পাবেন আমাদের ওয়েবসাইট-এ www.bangladeshworkersafety.org.

***

রাষ্ট্রদূত মরিয়ার্টির প্রস্তুতকৃত মন্তব্য :

শুভ সকাল এবং সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ অ্যালায়েন্সের অগ্রগতির হালনাগাদ বিষয়ক আমাদের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক ফোনকল আলোচনায় অংশগ্রহনের জন্য ।

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি-এর বিবৃতি

.

ঢাকা, বাংলাদেশ - অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ঢাকায় এ সপ্তাহে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনায় নিম্নলিখিত বিবৃতি প্রদান করেছে ।

“গত সপ্তাহে ঢাকার কূটনৈতিক এলাকায় হিংস্র আক্রমনে নিহত ব্যক্তিদের, প্রিয়জন হারানো শোকগ্রস্ত ব্যক্তিদের, আহত ব্যক্তিদের এবং আক্রমনে বিচলিত কম্যুনিটি সদস্যদের প্রতি রইল আমাদের গভীর সমবেদনা” ।

যেহেতু অ্যালায়েন্সের সকল সদস্য কোম্পানি সারা বিশ্বে তাদের নিজস্ব গ্লোবাল সোর্সিং এর জন্য দায়বদ্ধ সেহেতু অ্যালায়েন্স এই হিংস্র মর্মান্তিক দুর্ঘটনা সত্ত্বেও বাংলাদেশে অবস্থান অব্যাহত রাখবে । আমরা বিশ্বাস করি যে বাংলাদেশ পোশাক শিল্পে কর্মরত লক্ষ লক্ষ নারী পুরুষের নিরাপত্তা উন্নয়ন একটি নৈতিক অবশ্যপালনীয় কর্তব্য – এবং যেহেতু আমরা আমাদের স্টাফ এবং কন্ট্রাকটরদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহন করছি, সেহেতু পোশাক শিল্পগুলোতে আমাদের নিরাপত্তা উন্নয়নের কাজ অব্যাহত থাকবে” ।

ঢাকার জিম্মি সংকটে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

ঢাকা, বাংলাদেশ - আজকে, ঢাকার কূটনৈতিক এলাকায় গোলাগুলি এবং জিম্মি সংকটে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটির বিবৃতি:

“গত সপ্তাহে ঢাকার কূটনৈতিক এলাকায় হিংস্র আক্রমনে নিহত ব্যক্তিদের, প্রিয়জন হারানো শোকগ্রস্ত ব্যক্তিদের, আহত ব্যক্তিদের এবং আক্রমনে বিচলিত কম্যুনিটি সদস্যদের প্রতি রইল আমাদের গভীর সমবেদনা” । সমস্ত অ্যালায়েন্স কর্মচারী এবং কন্ট্রাক্টরা নিরাপদে আছেন, এবং আমরা একটি দ্রুত শান্তিপূর্ণ সমাধান আশা করছি” ।

নতুন দু’টি কারখানা সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা (কারেকটিভ অ্যাকশন প্ল্যান বা CAP ) সম্পন্ন করেছে বলে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি’র ঘোষণা

.

সিনহা ডাইয়িং এবং ফিনিশিং লিমিটেড, ব্যাবিলন ক্যাজুয়ালওয়্যার লিমিটেড সফলতার সহিত সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ইস্যূগুলোর সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছে ।

ঢাকা, বাংলাদেশ – অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি আজকে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে আ্যালায়েন্স সদস্য কোম্পানির দুটি কারখানা সিনহা ডাইয়িং এন্ড ফিনিশিং লিমিটেড এবং ব্যাবিলন ক্যাজুয়ালওয়্যার লিমিটেড, সফলতার সহিত সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা বা কারেকটিভ অ্যাকশন প্ল্যান সম্পন্ন করেছে । অ্যালায়েন্সের ৫ বছরের নিরাপত্তা উদ্যোগ সম্পন্ন হতে এখনও দু’বছরেরও বেশি সময় হাতে রয়েছে, সিনহা এবং ব্যাবিলন যথাক্রমে ২৭ এবং ২৮ তম কারখানা যারা অ্যালায়েন্সের পরিদর্শনের সময় শণাক্তকৃত সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ইস্যূগুলোর সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছে ।

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা উন্নয়নের লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে অ্যালায়েন্স সদস্য কোম্পানিগুলোর জন্য পণ্য উৎপাদনকারী কারখানাগুলোর নিরাপত্তা সমস্যা চিহ্নিত করার জন্য স্বতন্ত্র অ্যাসেসমেন্ট ফার্ম সে সমস্ত কারখানায় পরিদর্শন করে থাকে । এই প্রক্রিয়া চলাকালিন সময়, কারখানা মালিকদের একটি সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা (কারেকটিভ অ্যাকশন প্ল্যান বা CAP) প্রদান করা হয় যেন তারা তাদের শ্রমিকদের জন্য পদ্ধতিগতভাবে নিরাপত্তা পরিস্থিতির টেকসই উন্নয়ন ঘটাতে পারে । সংশোধনী কর্মপরিকল্পনা বা CAP প্রস্তুত হবার পরে, কাঠামোগত অখণ্ডতা, বৈদ্যুতিক ও অগ্নি-নিরাপত্তার সমস্যাগুলির নিরসন করার জন্য সংস্কার কাজ শুরু করা হয় । নিয়ম অমান্য করা সংক্রান্ত যেসব সমস্যা CAP-এ উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলোর নিরসন না হওয়া পর্যন্ত কারখানাগুলো সংস্কার কাজ অব্যাহত রাখে ।

“প্রতিটি CAP সম্পন্ন করার অর্থ হলো অ্যালায়েন্সের নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরির লক্ষ্যের দিকে একধাপ করে এগিয়ে যাওয়া”, বলেছেন কান্ট্রি ডিরেক্টর জিম মরিয়ার্টি । “পরিদর্শন থেকে শুরু করে সংস্কার কাজ পর্যন্ত, কারখানার মালিকদের প্রতিশ্রুতি এবং প্রচেষ্টা অপরিহার্য । আমরা সিনহা ডায়িং এন্ড ফিনিসিং লিমিটেড এবং ব্যাবিলন ক্যাজুয়াল লিমিটেডকে এই গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য পূরণের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি” ।

পাকিজা গ্রুপ ফ্যাক্টরির অগ্নিকান্ডে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটির বিবৃতি

.

ঢাকা, বাংলাদেশ ( মে ২২,২০১৬ ) – আজ সকালে ঢাকার নরসিংদি জেলার পাকিজা গ্রুপ ফ্যাক্টরিতে রাসায়নিক অগ্নিকান্ড সংঘটিত হয়, অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি আজকে সে বিষয়ক নিম্নলিখিত বিবৃতি প্রকাশ করছে:

“অগ্নিকান্ডের সংবাদে আমরা গভীরভাবে মর্মাহত, আমাদের আন্তরিক সমবেদনা এবং প্রার্থনা রইল সেই সমস্ত শ্রমিক ভাইবোনদের প্রতি যারা এই অগ্নিকান্ডে প্রান হারিয়েছেন । যদিও এই কারখানাটি অ্যালায়েন্স কিংবা অ্যাকর্ডের অন্তর্ভূক্ত নয়, কিন্তু এই দুর্ঘটনা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প শ্রমিকদের নিরাপত্তা উন্নয়ন সহায়তায় বাংলদেশ সরকার এবং আমাদের যে সম্মিলিত প্রচেষ্টা সেই প্রচেষ্টার গুরুত্বকে আরও প্রকট করে তুলেছে” ।

রানা প্লাজা ধসের তৃতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

ঢাকা, বাংলাদেশ - আজকে, অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ( অ্যালায়েন্স ) এপ্রিল ২৪, ২০১৩ সালে রানা প্লাজা ভবন ধসের তৃতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে নিম্নলিখিত বিবৃতি প্রদান করছে ।

“আজকে রানা প্লাজা ভবন ধসের তৃতীয় বার্ষিকী, এই দিন ভবন ধসে করুন মৃত্যূ ঘটেছিল ১,১৩৪ জন শ্রমিকের । রানা প্লাজা দুর্যোগের শিকার ব্যক্তিদের এবং তাদের পরিবারের সম্মানে, অ্যালায়েন্স এবং আমাদের সদস্য কোম্পানীগুলো শ্রমিকদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি বিষয়ক আমাদের যে মিশন রয়েছে তার প্রতি অ্যালায়েন্স তার প্রতিশ্রুতিতে অবিচল রয়েছে, যেখানে নিরাপত্তা ব্যতিক্রম কোনো কিছু না হয়ে বরং আইনে পরিণত হবে” ।

“রানা প্লাজা ভবন ধসের কয়েক মাসের মধ্যে গঠিত অ্যালায়েন্স সেই শুরু থেকেই বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্প কারখানার শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টিকে আমাদের একটি মিশনে পরিণত করেছে, এবং আমরা আত্নবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি অ্যালায়েন্স কারখানাগুলোর শ্রমিক বর্তমানে তিন বছর আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ । বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ পোশাক কারখানায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ২০১২ সালের তুলনায় ৯০% হ্রাস পেয়েছে এবং ২০১৫ সালে অগ্নি দূর্ঘটনায় একজনেরও মৃত্যূ হয়নি ।

“বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পের সংস্কারের জন্য আরও অনেক কাজ করতে হবে, এবং আমরা শ্রমিক ক্ষমতায়ন প্রচেষ্টায় এবং এই ধরণের মর্মান্তিক ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয় সেজন্য আমরা ভবন ও অগ্নি নিরপত্তা ইস্যূগুলো সংস্কার করার লক্ষ্যে কারখানার মালিকদের সঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে অবিচল থাকবো” ।

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি অগ্রগতি প্রতিবেদন

.

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি অগ্রগতি প্রতিবেদন
এপ্রিল ২০১৬

সভাপতির বার্তা

গত তিন বছরে, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্প কারখানার শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে অ্যালায়েন্সের যে প্রতিশ্রুতি ছিলো সে অনুযায়ী অ্যালায়েন্স বেশ তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি সাধন করেছে । মানদন্ড এবং পরিদর্শন, প্রশিক্ষণ, সংস্কার, শ্রমিক ক্ষমতায়ন এবং টেকসই উন্নয়নের ওপর ভিত্তি করে যে উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে তাতে আমরা প্রমান করতে পেরেছি যে, যেকোনো মহৎ দর্শনকে পর্যবেক্ষণযোগ্য বাস্তবতায় রূপান্তর করা সম্ভব...

প্রতিবেদন ডাউনলোড এখানে

এনএফপিএ কর্তৃক অ্যালায়েন্সের সংস্কার প্রচেষ্টার মূল্যায়ন

.

আজকে দি ন্যাশনাল ফায়ার প্রটেকশন অ্যাসোসিয়েশন ( এনএফপিএ) বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্প ( আরএমজি) বিষয়ক উচ্চ স্তরের মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে । শ্রমিকদের নিরাপত্তা উন্নয়নে অ্যালায়েন্সের প্রচেষ্টার এটি একটি স্বতন্ত্র পর্যালোচনা যা ম্যারিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএমডি) সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত হয় । সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পড়ুন এখানে। অ্যালায়েন্সের প্রতি এনএফপিএ-এর সুপারিশে এবং সুপারিশ অনুসারে অ্যালায়েন্সের কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ পড়ুন এখানে

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

অনুগ্রহপূর্বক সাধারণ এবং গণমাধ্যম ঊভয় অনুসন্ধানের জন্য এখানে ক্লিক করুন ।