Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

ঢাকা সিগারেট লাইটার কারখানার ভয়ানক অগ্নিকান্ডে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ঢাকা, আশুলিয়ার সিগারেট ফ্যাক্টরির ভয়ানক অগ্নিকান্ডের সংবাদে গভীরভাবে মর্মাহত, যেখানে নিহত হয়েছেন একজন শ্রমিক এবং আহত হয়েছেন ৩০ জনেরও বেশি শ্রমিক । আমরা জানতে পেরেছি যে দুর্ঘটনায় আহত ২০ বছর বয়সের নিচের অনেক নারী শ্রমিক রয়েছেন যাদের অনেকের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক । এই মর্মান্তকি দুর্ঘটনার শিকার শ্রমিক, তাদের পরিবার এবং অন্যান্য সকলের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি ।

এটি কোনো তৈরি পোশাক শিল্প কারখানা ছিলোনা, যার কারণে এটি বর্তমান নিরাপত্তা উদ্যোগসমূহের আওতাধীন নয়, এবং এই ঘটনা আবারও প্রমান করে যে বাংলাদেশের প্রতিটি শিল্প কারখানার প্রতিটি শ্রমিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সারা বাংলাদেশের প্রতিটি কারখানাকেই নিরাপত্তা সংস্কারের আওতাধিনে নিয়ে আসা কতটা জরুরি ।

অ্যালায়েন্স বাংলাদেশ পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছে

.

ওয়াশিংটন — মাননীয় অ্যালেন ও’কেন টশার, অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ( অ্যালায়েন্স )-এর স্বতন্ত্র সভাপতি, ইন্টারন্যাশনাল লেবার রাইট ফোরাম, ক্লিন ক্লথস ক্যাম্পেইন, ওয়ার্কার রাইট কনসোর্টিয়াম এন্ড ম্যাকুইলা সলিডারিটি নেটওয়ার্ক কর্তৃক প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ নিম্নলিখিত বিবৃতি প্রকাশ করেছেন, প্রতিবেদনের বিভিন্ন জায়গায়, অ্যালায়েন্স এবং বাংলাদেশ অ্যাকর্ড অন ফায়ার এন্ড বিল্ডিং সেফটি ( অ্যাকর্ড )-এর বাংলাদেশের শ্রমিকদের নিরাপত্তা উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে খাটো করে দেখা হয়েছে এবং ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে । গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রতিবেদনে যে সমস্ত কারখানাগুলোকে হাইলাইট করা হয়েছে সেগুলো অ্যালায়েন্স এবং অ্যাকর্ড উভয়ের জন্যই পণ্য উৎপাদন করে ।

অ্যালায়েন্স আরও ৭ টি কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত ঘোষণা করেছে

.

ঢাকা, বাংলাদেশ - অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি আজকে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে, সংস্কার কাজে অগ্রগতি প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ায় আরও ৭টি কারখানার সঙ্গে অ্যালায়েন্স তার ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত করেছে । উক্ত সাতটি কারখানার মধ্যে ৫ টি কারখানা তালাবদ্ধ বহির্গমন পথ অপসারণে ব্যর্থ হয়েছিলো । এই ৭ টি কারখানা সহ অ্যালায়েন্স এ যাবত মোট ১০৪ টি কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত করেছে ।

“অ্যালায়েন্স-নিরাপত্তা মানদন্ড অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজে অনিচ্ছুক অথবা সংস্কার কাজে অগ্রগতি প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়া কারখানাগুলোকে অ্যালায়েন্স-কমপ্লায়েন্ট তালিকা থেকে বাদ দেয়া হবে, শুধুমাত্র কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া,” বলেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং অ্যালায়েন্সের এ-দেশীয় পরিচালক জিম মরিয়ার্টি । তিনি আরও বলেছেন, “অ্যালায়েন্স-অধিভূক্ত কারখানারগুলোর শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণকে আমরা সর্বচ্চো অগ্রাধিকার প্রদান করে থাকি” ।

সদস্য কোম্পানিগুলোর জন্য পণ্য উৎপাদনকারী সবগুলো কারখানাতেই অ্যালায়েন্স অবকাঠামোগত, বৈদ্যূতিক এবং অগ্নি নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিরপেক্ষ পরিদর্শন পরিচালনা করে থাকে । এরপর প্রত্যেকটি কারখানাকেই একটি করে সংশোধনী কর্মপরিকল্পনা (CAP) প্রদান করা হয় যেখানে নিরাপত্তা সমস্যা সমাধানের এবং অ্যালায়েন্সের নিরাপত্তা মানদন্ড অর্জনের দিকনির্দেশনা উল্লেখ থাকে । এছাড়াও অ্যালায়েন্স সংস্কার কাজে সহায়তার জন্য কারিগরি সহায়তা এবং স্বল্প সুদে সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি করে থাকে ।

পাঁচ বছরের উদ্যোগের এই তৃতীয় বছরে, অ্যালায়েন্স তার সক্রিয় কারখানাগুলোতে সমস্ত গুরুতর নিরাপত্তা সমস্যার সংস্কার কাজ ২০১৮ সালের ভেতর সম্পন্ন করার পথে রয়েছে । আজ পর্যন্ত, অ্যালায়েন্স কারখানাগুলোতে সমস্ত নিরাপত্তা সমস্যার ৬৩% মেরামত কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং ৪০টি কারখানা তাদের সংশোধনী কর্মপরিকল্পনায় উল্লেখিত প্রয়োজনীয় সমস্ত মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে ।

স্থগিত প্রক্রিয়া সংক্রান্ত আরও তথ্য পেতে পারেন অ্যালায়েন্স সদস্য চুক্তি-তে, এবং স্থগিত কারখানা সংক্রান্ত সম্পূর্ণ তালিকা পাবেন আমাদের |

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি কর্তৃক তৃতীয় বার্ষিকী প্রতিবেদন প্রকাশ ।

.

অ্যালায়েন্সের চতুর্থ বছরে পদার্পন উপলক্ষ্যে গুরুতর নিরাপত্তা সংস্কার এবং শ্রমিক নিরাপত্তা কমিটি গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ ।

ঢাকা – বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা সংস্কৃতির প্রতি জোরদানের যে প্রতিশ্রুতি রয়েছে তারই অংশ হিসেবে, অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ( অ্যালায়েন্স ) আজকে তার তৃতীয় বার্ষিকী প্রতিবেদন প্রকাশ করছে । অ্যালায়েন্সের গৃহীত উদ্যোগের কারনে পোশাক শিল্পগুলোকে প্রকৃত অর্থেই নিরাপদ করে রেখে যাওয়ার কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনে যে তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে তারই প্রতিফলন রয়েছে এই প্রতিবেদনটিতে ।

গাজিপুর প্যাকেজিং প্ল্যান্টের মর্মান্তিক দূর্ঘটনায় অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি, গাজিপুর প্যাকেজিং কারখানার বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনায় অত্যন্ত শোকাহত । এই দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৪ জন এবং আহত হয়েছেন ৭০ জনেরও বেশি । এই মর্মান্তিক দূর্ঘটনার শিকার পরিবার, শ্রমিক এবং ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি আমরা গভীর শোক এবং সমবেদনা জ্ঞাপন করছি ।

এই কারখানাটি কোনো তৈরি পোশাক শিল্প কারখানা নয়, এবং সেকারণে এটি বর্তমান নিরাপত্তা উদ্যোগের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়- আর এ থেকেই প্রতীয়মান হয় যে প্রত্যেক শ্রমিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সারা বাংলাদেশ জুড়ে সমস্ত শিল্পকারখানার নিরাপত্তা সংস্কার কেন অত্যন্ত জরুরি ।

আমরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ করবো যেন, কারখানার নিরাপত্তা উন্নয়নের জন্য জাতীয় কর্ম পরিকল্পনার যে প্রতিশ্রুতি ছিল তা বাস্তবায়নে আরও বেশি পদক্ষেপ গ্রহন করেন, এবং এ ধরণের উদ্যোগ শুধুমাত্র পোশাক শিল্পে না নিয়ে সারা বাংলাদেশ জুড়ে সমস্ত ধরণের কারখানার কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গ্রহন করেন ।

৪টি কারখানা সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা অনুসারে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছে এবং অ্যালায়েন্স ৪টি কারখানার সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত করেছে ।

.

ঢাকা, বাংলাদেশ: অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটি ঘোষণা প্রদান করছে যে, আগস্ট মাসে ৪টি কারখানা সফলভাবে সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা অনুসারে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছে এবং সংস্কার কার্যক্রম কারখানায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে অগ্রগতি সাধনে ব্যর্থ হওয়ার কারণে অপর ৪টি কারখানার সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত করেছে।

“আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে স্বাগত জানাচ্ছি রিলায়েন্স বক্স ইন্ডাস্ট্রিজ (পিকেজি), রেডিয়াল ইন্টারন্যাশনাল লিঃ (ইউনিট ১ এবং ২), ম্যাসট্রেড ইন্টারন্যাশনাল গার্মেন্টস্ লিঃ এবং এম/এস স্টান্ডার্ড গ্রূপ কে যারা নিজ কারখানায় অ্যালায়েন্স’র নিরাপত্তা মানদন্ড অনুযায়ী চলমান সংস্কার কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন।”- বলেছেন অ্যালায়েন্স বাংলাদেশ অফিস’র পরিচালক জিম মরিয়ার্টি। “অপরদিকে, ৪টি কারখানাকে অ্যালায়েন্স এর তালিকা থেকে স্থগিত করা হয়েছে। কর্মক্ষেএ নিরাপত্তা বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন না করলে, আমাদের কঠোর নীতি রয়েছে” তা তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

সদস্য কোম্পানিগুলোর/ব্রান্ডের সবগুলো কারখানাতেই অ্যালায়েন্স কাঠামোগত, বৈদ্যুতিক এবং অগ্নি নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিরপেক্ষ পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। কারখানাকে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে অ্যালায়েন্স’র নিরাপত্তা মানদন্ড এর আলোকে নিরাপত্তা বিষয়গুলো উল্লেখপূর্বক প্রত্যেকটি কারখানাকেই একটি করে সংশোধনী কর্মপরিকল্পনা (CAP) প্রদান করা হয়। এছাডাও অ্যালায়েন্স সংস্কার কাজে সহায়তার জন্য কারিগরি পরামর্শ প্রদান এবং স্বল্প হারে ও সহজ শর্তে ঋণ গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করে থাকে।

এ যাবত অ্যালায়েন্স মোট ৯৫ টি কমপ্লায়েন্ট নয় এমন কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত করেছে এবং তালিকাভুক্ত ৩৮ টি কারখানা সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছে। এছাড়া অ্যালায়েন্স‘র তালিকাভূক্ত সক্রিয় কারখানাসমূহ ৫৭% নিরাপত্তা বিষয়ক সমস্যার সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছে।

স্থগিত প্রক্রিয়া সংক্রান্ত আরও তথ্য পেতে পারেন- অ্যালায়েন্স সদস্য চুক্তিতে (অ্যালায়েন্স মেম্বারস এগ্রিমেন্ট) এবং স্থগিত কারখানা সংক্রান্ত সম্পূর্ণ তালিকা পাবেন আমাদের ওয়েব সাইট-এ।

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি নতুন চিফ সেইফটি অফিসার নিয়োগদান করেছে

.

ঢাকা, বাংলাদেশ – আজকে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটি পাউল রিগবি কে নতুন চিফ সেইফটি অফিসার (সিএসও) হিসেবে নিয়োগ প্রদানের ঘোষণা প্রদান করছে । ইউকে ফায়ার এন্ড রেসকিউ সার্ভিস, লন্ডন ফায়ার ব্রিগেড এন্ড ন্যাটো –এ সর্বচ্চো পর্যায়ের নেতৃত্ব প্রদান সহ অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ে মি. রিগবির রয়েছে সূদীর্ঘ ৩০ বছরের অভিজ্ঞতা । একজন দক্ষ দুর্যোগ এবং জরুরি ব্যবস্থাপক হিসেবে, মি. রিগবি দেশে, বিদেশে, সামরিক, বেসামরিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রায় ১০,০০০ এরও বেশি অগ্নি এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলা, ব্যবস্থাপনা এবং মনিটরিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন ।

“পাউল কে আমাদের টিমে পেয়ে আমরা নিজেদের অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি,” বলেছেন এ-দেশীয় পরিচালক জিম মরিয়ার্টি । “পরিবর্তন সৃষ্টিতে তিনি তাঁর দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন, যিনি নিরাপত্তা উন্নয়নে আমাদের আবেগকে বুকে ধারন করেন । আমরা নিশ্চিত যে তাঁর জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার প্রাচুর্য অ্যালায়েন্স অধিভূক্ত পোশাক কারখানাগুলোর নিরাপত্তা উন্নয়নে এবং আগুনের ঝুঁকি দূরীকরণে আমাদের প্রচেষ্টাকে আরও বেগবান করবে” ।

বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত জিম মরিয়ার্টি অ্যালায়েন্সের এ-দেশীয় পরিচালক (একটি নতুন পদ যেখানে গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে অ্যালায়েন্স কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং টেকসইকরণের প্রতি আলোকপাত করা হয়েছে ) হিসেবে যোগদান করার ঠিক কয়েক মাস পর মি. রিগবি এদেশে আসেন । রাষ্ট্রদূত মরিয়ার্টি ঢাকা অফিসে কৌশলগত নিয়োগদান এবং দীর্ঘদিন যাবত কর্মরত বেশ কিছু কর্মকর্তাকে অভ্যন্তরীণ পদন্নতি প্রদান করেন ।

“অ্যালায়েন্স প্রথম চিফ সেই্ফটি অফিসার হিসেবে কাজ করার জন্য আমরা মার্ক চাবের প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ,” বলেছেন রাষ্ট্রদূত মরিয়ার্টি । “মার্কের কারিগরি দক্ষতা এবং অ্যালায়েন্স মিশনের প্রতি তাঁর আন্তরিক আবেগ থাকার কারণে পোশাক কারখানার নিরাপত্তায় বাস্তব অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে । যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর পরিবারকে সময় দেবার জন্য এবং তিনি যে অন্যান্য সুযোগ সন্ধান করছেন সে বিষয়ে তাঁর প্রতি আমাদের শুভকামনা রইল” ।

২০১৮ সালে অ্যালায়েন্সের মেয়াদে শেষ হতে আর দুবছরেরও কম সময় রয়েছে, জীবনের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে মি. রিগবি কারখানার মালিকদের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন ।

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ঘোষণা প্রদান করছে যে ৪টি কারখানা সফলভাবে সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা অনুসারে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছে, এবং অপর ৮টি কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে ।

.

ঢাকা, বাংলাদেশ – বাংলাদেশে অ্যালায়েন্সের কারখানাগুলোতে নিরাপত্তা উন্নয়নের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে, আরও চারটি কারখানা সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা অনুসারে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছে । এছাড়াও অ্যালায়েন্স সংস্কার কাজে অগ্রগতি প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ায় ৮টি কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত ঘোষণা করেছে ।

শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ ও আদর্শ কারখানার গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য আমরা পার্ক ( বাংলাদেশ ) কোম্পানি, ওলিও অ্যাপারেলস, ফাউন্টেন গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং এবং ইউনিটেক্স ইন্টারন্যাশনাল কে অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি,” বলেছেন অ্যালায়েন্সের এ-দেশীয় পরিচালক জিম মরিয়ার্টি । “অপরদিকে, অপর ৮টি কারখানাকে স্থগিত ঘোষণা দিয়ে আমরা এই বার্তা প্রদান করতে চাই যে গুরুতর নিরাপত্তা বিষয়ক সমস্যা সমাধানে অনিচ্ছুক ও অপারগ কারখানাগুলোর সঙ্গে আমাদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক অব্যাহত থাকবেনা” ।

সদস্য কোম্পানিগুলোর জন্য পণ্য উৎপাদনকারী সবগুলো কারখানাতেই অ্যালায়েন্স অবকাঠামোগত, বৈদ্যূতিক এবং অগ্নি নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিরপেক্ষ পরিদর্শন পরিচালনা করে থাকে । এরপর প্রত্যেকটি কারখানাকেই একটি করে সংশোধনী কর্মপরিকল্পনা (CAP) প্রদান করা হয় যেখানে নিরাপত্তা সমস্যা সমাধানের এবং অ্যালায়েন্সের নিরাপত্তা মানদন্ড অর্জনের দিকনির্দেশনা উল্লেখ থাকে । এছাড়াও অ্যালায়েন্স সংস্কার কাজে সহায়তার জন্য কারিগরি সহায়তা এবং স্বল্প সুদে সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি করে থাকে ।

আজ পর্যন্ত অ্যালায়েন্স মোট ৯১ টি কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত করেছে, এবং ৩২ টি কারখানা সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছে এবং অ্যালায়েন্স কারখানাগুলোতে সমস্ত নিরাপত্তা সমস্যার ৫৭% সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে ।

স্থগিত প্রক্রিয়া সংক্রান্ত আরও তথ্য পেতে পারেন অ্যালায়েন্স সদস্য চুক্তি-তে, এবং স্থগিত কারখানা সংক্রান্ত সম্পূর্ণ তালিকা পাবেন আমাদের ওয়েব সাইট-এ ।

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি –এর সংস্কার, কারখানা স্ট্যাটাস এবং শ্রমিক ক্ষমতায়ন বিষয়ক ২য় ত্রৈমাসিক অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রকাশ

.

ঢাকা - আজকে, অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ( অ্যালায়েন্স ) কারখানা সংস্কার এবং শ্রমিক ক্ষমতায়ন উদ্যোগ বিষয়ক ত্রৈমাসিক অগ্রগতি হালনাগাদ প্রদান করছে । নিম্নে বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস মরিয়ার্টি, অ্যালায়েন্স কান্ট্রি ডিরেক্টরের প্রস্তুতকৃত মন্তব্য দেয়া হলো ।

অ্যালায়েন্স এবং বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা উন্নয়নে আমাদের উদ্যোগ সম্পর্কে আরও বেশি তথ্য পাবেন আমাদের ওয়েবসাইট-এ www.bangladeshworkersafety.org.

***

রাষ্ট্রদূত মরিয়ার্টির প্রস্তুতকৃত মন্তব্য :

শুভ সকাল এবং সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ অ্যালায়েন্সের অগ্রগতির হালনাগাদ বিষয়ক আমাদের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক ফোনকল আলোচনায় অংশগ্রহনের জন্য ।

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

অনুগ্রহপূর্বক সাধারণ এবং গণমাধ্যম ঊভয় অনুসন্ধানের জন্য এখানে ক্লিক করুন ।