Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

সাবেক কংগ্রেসওমেন অ্যালেন টাওসার-এর বিবৃতি

Translation in Bengali WASHINGTON, D.C. — ওয়াশিংটন, ডি.সি- অ্যালিয়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি'র প্রেসিডেন্ট এবং পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে এই সপ্তাহে ঢাকায় আসতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত । বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের নিরাপত্তার উন্নয়নের যে লক্ষ্য তা এগিয়ে নিতেই আমরা এখানে সমবেত হয়েছি। দশ সপ্তাহ আগে অ্যালিয়েন্সের গঠন উপলক্ষে আমরা বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ইনিশিয়েটিভ-এর মাধ্যমে স্বচ্ছ, টেকসইপূর্ণ,পরিমাপনযোগ্য সমাধানের একটি উদ্যোগ নিয়েছি ।

এই শিল্পটিকে ঘিরে যে সমস্ত জটিল চ্যালেন্জগুলো রয়েছে তা আমরা উপলবদ্ধি করেছি, আমরা এটাও জানি যে বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলো যে সমস্যার মুখোমিখি হচ্ছে তার সমাধান কোনো সাধারণ সহজ পথে সম্ভব নয় । সে কারণে আমরা সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের সহযোগিতার ওপর জোর দিচ্ছি এবং আমরা বিশ্বাস করি যে আমরা যে অংশিদারিত্বের প্রতিষ্ঠা করেছি - বিশেষ করে বাংলাদেশ সরকার এবং সুশিল সমাজের ভেতর -তা আমাদের কাজের সফলতা অর্জনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।

সরকার, শ্রমিক প্রতিনিধি এবং অন্যান্য বেসরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে এ সপ্তাহে যে আলোচনা হয়েছে সেখানে আমাদের উদ্দেশ্যের প্রতি তাদের যে দায়িত্ববোধ তাতে আমরা অনুপ্রানিত : যে আমরা সবা‌ই বাংলাদেশের শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য কাজ করব যেন দ্রুত এবং কার্যকরি একটি পরিবর্তন আনয়ন সম্ভব হয় । আমাদের অগ্রগতি জানানোর সুযোগ পেয়ে আমরা আনন্দিত । বেশ কিছু মাইলফলক আমরা অর্জন করতে পেরেছি:

১. প্রথমত আমরা বাংলাদেশ পোশাক কারখানার জন্য অগ্নি এবং ভবন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে অগ্নি এবং ভবন নিরাপত্তা বিষয়ক একটি সর্বজনিন আদর্শ নীতিমালা প্রস্তুত করেছি । এই মানদন্ড বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং জাতীয় ত্রিপক্ষীয় কর্ম পরিকল্পনা দ্বারা সমর্থিত । স্বচ্ছতা এবং সহযোগিতার ব্যাপারে অ্যালিয়েন্সের যে প্রতিশ্রুতি তার একটি খসড়া নমুনা ৭ সেপ্টেম্বর, ঢাকায়  আই এল ও -আহূত একটি সভায় উপস্থাপিত হয়েছে, এবং আই এল ও-এর ওই সভার পূর্বে বিষয়টি নিয়ে অ্যাকর্ড, বিজিএমইএ, বুয়েট এবং বাংলাদেশ শ্রম ও কর্ম সংস্থান মণ্ত্রনালয়ের সঙ্গে অগ্রিম আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে । আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সর্বজনিন মানদন্ড চিহ্নিতকরণকে আরো তরান্বিত করা যা এই সমস্ত কারখানাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে ।

২.দ্বিতীয়ত, অ্যালিয়েন্স একটি নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক গঠনে কাজ করেছে যা ব্যবহার করবেন কারখানা ম্যানেজার এবং কর্মচারী বৃন্দ । এছাড়াও, অ্যালিয়েন্স একটি তৃতীয় দল চিহ্নিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে যারা এই প্রশিক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে

৩. তৃতীয়ত, শ্রমিক ক্ষমতায়ন উন্নয়নে আমাদের যে প্রতিশ্রুতি তার অংশ হিসেবে, অ্যালিয়েন্স নতুন ধরণের প্রযুক্তিগত সমাধান উদ্ভাবন করেছে যেখানে শ্রমিকরা নিজেদের নাম গোপন রেখে তাদের নিরাপত্তা বিষয়ক অভিযোগ জানাতে পারবে  ।

চতুর্থত, অ্যালিয়েন্সের ১৭জন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তাদের কারখানাগুলোর তালিকা দাখিল করেছে যাদের সাথে বাংলাদেশে তাদের চুক্তি রয়েছে এবং ফেয়ার ফ্যাক্টরিজ ক্লিয়ারিং হাউসের সাথে তারা সেই তথ্য নিয়ে আলোচনা করে । আমরা এই তথ্য নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গেও আলোচনা করব

এ সপ্তাহে যারা আমাদের আতিথেয়তা করেছেন এবং সম্মিলিতভাবে একটি সমাধানে পৌঁছার লক্ষ্যে সময় এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন,বাংলাদেশ পোশাক শ্রমিকদের পক্ষ থেকে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি । আমরা ভবিষ্যতেও বাংলাদেশে আসার জন্য আশা প্রকাশ করছি এবং বাংলাদেশের টেকসই পরিবর্তন করার লক্ষ্যে অংশিদারিত্ব অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা করছি

গনমাধ্যম যোগাযোগ: গনমাধ্যমের তথ্য জানতে যোগাযোগ করুন: media@afbws.org

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

অনুগ্রহপূর্বক সাধারণ এবং গণমাধ্যম ঊভয় অনুসন্ধানের জন্য এখানে ক্লিক করুন ।