Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

বাংলাদেশ অর্থমন্ত্রীর মন্তব্যে অ্যালায়েন্সের প্রতিক্রিয়া

জুন ১৯, ২০১৫

বাংলাদেশ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা উন্নয়ন প্রচেষ্টার সমালোচনা করে যে মন্তব্য করেছেন তাতে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ( অ্যালায়েন্স) এবং এর সদস্য কোম্পানিগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ।

“আমি অত্যন্ত মর্মাহত যে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্ত্রীসভার একজন সদস্য তৈরি পোশাক শিল্প খাতের নিরাপত্তা উন্নয়ন প্রচেষ্টার কঠোর সমালোচনা করেছেন, যে খাতে কর্মরত রয়েছেন প্রায় ৪ মিলিয়ন নারী এবং পুরুষ এবং এই খাতটি বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিতে অন্যতম বৃহত্তম অবদানকারী খাত,” বলেছেন অ্যালায়েন্সের স্বতন্ত্র সভাপতি মাননীয় অ্যালেন টশার । “আমি আশান্বিত যে বাংলাদেশ সরকার তার অবস্থান স্পষ্ট করবেন এবং তার জনগণের নিরাপত্তা উন্নয়নে এবং তার দেশের অর্থনীতির টেকসইমুলক উন্নয়নে অ্যালায়েন্স ও অন্যান্য উদ্যোগের প্রতি দ্ব্যর্থহীন সমর্থন প্রদর্শন করবেন” ।

২০১৩ সালে অ্যালায়েন্স এবং এর সদস্যবৃন্দ সদস্য কোম্পানির কারখানাগুলো যেন আন্তর্জাতিক মানের অগ্নি এবং নিরাপত্তা মানদন্ড অর্জন করতে পারে এবং জীবিকা অর্জন করতে গিয়ে কারখানার শ্রমিকদের যেন জীবনের ঝুঁকি নিতে না হয় তা নিশ্চিত করতে এবং সে লক্ষ্যে পাঁচ বছরের জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করে । অ্যালায়েন্স তার সদস্য কোম্পানির কারখানাগুলোতে শতভাগ পরিদর্শন সম্পন্ন করেছে এবং কারেকটিভ অ্যাকশন প্ল্যান বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে এবং কারখানার মালিকদের সংস্কার কাজে সহযোগীতা প্রদান করছে । সংস্কার কাজের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ থাকা কারখানার শ্রমিকদের ৪মাসের মুজুরির ৫০% প্রদান করবে অ্যালায়েন্স এবং অবশিষ্ট ৫০% প্রদান করবে কারখানার মালিক । অ্যালায়েন্স নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে এবং শ্রমিকরা যেন অনিরাপদ কর্মপরিবেশে কাজ করাকে প্রত্যাখ্যান করতে পারে সেজন্য অ্যালায়েন্স কারখানার শ্রমিকদের ক্ষমতায়নের কাজ করছে ।

যদিও প্রতিশ্রুতি অত্যন্ত দৃঢ় কিন্তু এই উদ্যোগ পাঁচ বছরের মধ্যে সীমাবদ্ধ । অ্যালায়েন্স এবং অন্যান্য উদ্যোগের কারণে যে টেকসইমূলক সংস্কার সাধিত হয়েছে তাতে সমর্থন জানাতে এবং অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ সরকারকে অবশ্যই প্রতিশ্রুতবদ্ধ হতে হবে, যা শুরু হবে ২০১৮ সাল থেকে ।

“অর্থ মন্ত্রী এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা যে মন্তব্য করেছেন তাতে এই নজিরহীন বেসরকারী খাত কতৃক পরিচালিত এবং অর্থায়নকৃত নিরাপত্তা উদ্যোগের প্রতি বাংলাদেশ সরকারের যে প্রতিশ্রুতি তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে,” বলেছেন টশার । অ্যালায়েন্স প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকারকে সনির্বন্ধ অনুরোধ জানাচ্ছে যে কারখানার নিরাপত্তা উন্নয়নের জন্য যে মহৎ কাজগুলো করা হচ্ছে এবং যে তাৎপর্যপূর্ণ অর্থায়ন করা হয়েছে সে বিষয়ের প্রতি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করার জন্য, এবং কারখানার শ্রমিক, পোশাক শিল্প এবং দেশের স্বার্থে এই উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ব্যাপারে তাদের কি মনোভাব তা স্পষ্ট করার জন্য”।

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

অনুগ্রহপূর্বক সাধারণ এবং গণমাধ্যম ঊভয় অনুসন্ধানের জন্য এখানে ক্লিক করুন ।