Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

বাংলাদেশের শ্রমিকদের নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নয়নের লক্ষ্যে উত্তর আমেরিকান শীর্ষস্থানীয় পোশাক কোম্পানিগুলো পাঁচ বছরের প্রতিশ্রুতি নিয়ে একটি জোট গঠন করেছে ।

বাংলাদেশ শ্রমিক নিরাপত্তা উদ্দ্যোগ - গড়ে উঠেছে সিনেটর মিশেল এবং স্নোয়ের সহায়তায় - পরিদর্শন, প্রশিক্ষণ এবং ক্ষমতায়নের জন্য একটি আগ্রাসী সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে

ওয়াশিংটন, ডি.সি – জুলাই ১০, ২০১৩ – বাংলাদেশ থেকে আমদানি করে থাকে এমন সংখ্যাগরিষ্ঠ উত্তর আমেরিকান পোশাক কোম্পানিগুলোর ভেতর এক ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পাদিত হয় । উত্তর আমেরিকান পোশাক কোম্পানিগুলোর এই নজিরবিহীন জোট আজকে একত্রিত হয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক কারখানার নিরাপত্তা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নয়নের ঘোষণা প্রদান করার লক্ষ্যে । সাবেক ইউ. এস সিনেটর জর্জ জে মিশেল এবং অলিম্পিয়া স্নোয়ের তত্বাবধানে বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ইনিশিয়েটিভ গত পাঁচ সপ্তাহে গঠিত হয়,তাঁরা দুজনই বাইপার্টিসান পলিসি সেন্টারে স্বতন্ত্র ফ্যাসিলিয়েটরস হিসেবে কাজ করছেন ।

১৭ জন ক্রেতা একত্রিত হয়ে গঠন করেছেন অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি – পাঁচ বছরের দায়বদ্ধতামূলক উদ্যোগকে সমর্থন দেয়ার জন্য, যা পরিদর্শন, প্রশিক্ষণ এবং শ্রমিক ক্ষমতায়নের জন্য একটি আগ্রাসী সময়সীমা নির্ধারন করেছে। এই উদ্যোগের ভেতর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে প্রথম বছরেই শতভাগ কারখানার পরিদর্শন সম্পন্নকরণ, আগামী তিন মাসের ভেতর একটি সাধারণ নিরাপত্তা মানদন্ড সম্পন্নকরণ , পরিদর্শনের ফলাফল স্বচ্ছতার সহিত বিনিময়করণ এবং প্রতিটি কারখানাই যেনো গনতান্ত্রিক নির্বাচন এবং ওয়ার্কার পর্টিসিপেশন কমিটির (ডব্লিউপিসি) সফল কার্যকলাপকে সমর্থন জানায়।

এই উদ্যোগের ভেতর যে সমস্ত পরিদর্শন কর্মসূচি রয়েছে তাতে পরিদর্শকগণ কারখানার নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টিকে সর্বাধিক প্রাধান্য দেবেন এবং তাৎক্ষনিকভাবে তা অ্যালায়েন্স ডব্লিইপিসি, ভবন মালিক এবং বাংলাদেশ সরকারকে রিপোর্ট করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

পরিচালনা পর্ষদের স্বতন্ত্র সভাপতির একটি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রয়েছে। পরিচালনা পর্ষদ যে কোন ভূলত্রুটির জন্য দ্বায়বদ্ধ ।

অ্যালায়েন্স সদস্যরা পাঁচ বছরের প্রয়োজনীয় তহবিল সরবরাহ করছে - বর্তমানে তহবিলে রয়েছে ৪২ মিলিয়ন ডলার যা ক্রমবর্ধমান এই উদ্যোগের সুনিদিষ্টি কর্মসূচিকে সমর্থন প্রদানের লক্ষ্যে আরো কিছু কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে সর্ব মোট ১০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি সুবিধা প্রদান করা হয়েছে এবং বাংলাদেশের কারখানা নিরাপত্তা উন্নয়নের জন্য যে সমস্ত কারখানার সঙ্গে সদস্য কোম্পানিগুলো কাজ করছে সে সমস্ত কারখানার মালিকদের সহজ শর্তে ঋণদান সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।

আজকে অ্যালায়েন্স সদস্যদের সিইওবৃন্দ একটি যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন: "বাংলাদেশী কারখানাগুলোর নিরাপত্তার যে রেকর্ড রয়েছে তা গ্রহনযোগ্য নয় এবং এর জন্য প্রয়োজন আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা । ভবিষ্যতে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করতে হলে আমাদের স্বতন্ত্র প্রচেষ্টাকে আরও দৃঢ় এবং শক্তিশালী করতে হবে যেন একটি সত্যিকার টেকসই অগ্রগতি সাধিত হয়।

অ্যালায়েন্স-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হলো কারখানা মালিকদের এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের সঙ্গে অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করা এবং তাদের সম্পৃক্ত করা যেনো সব দলের ভেতরই জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় এবং বাংলাদেশে একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং টেকসই পরিবর্তনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

অ্যালায়েন্সের সৃষ্টিতে বাই পার্টিসান পলিসি সেন্টারের ভুমিকা বর্ণনা করতে গিয়ে সিনেটর মিশেল বলেছেন, "আমরা বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সরকার, অগ্নি এবং নিরাপত্তা বিষয়ক শ্রমিক প্রতিনিধিসহ অসংখ্য আগ্রহী পার্টির কাছ থেকে মতামত জানতে চেয়েছি এবং গ্রহন করেছি। অনুপুঙ্খ এবং বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এ বিষয়ে। স্বার্থ এবং সমস্যা বিষয়ক বিস্তর মতপার্থক্য থাকলেও মূল যে বিষয়টি এখানে প্রাধান্য পেয়েছে তা হলো বাংলাদেশ পোষাক শিল্পের শ্রমিকদের নিরাপত্তা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নয়নের জন্য একটি কার্যকরী কর্মপরিকল্পনা গঠন করা এবং তা বাস্তবায়ন করার গুরুত্ব এবং অপরিহার্যতা"।

"এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছি যে কারণে তা হলো বাংলাদেশী পোষাক শিল্প শ্রমিকদের পক্ষ থেকে সমস্যার সমাধানে সহায়তা করার জন্য"। বলেছেন সিনেটর স্নোয়ে।

বাংলাদেশের জীবনহানীর যে বিভীষিকাময় দুর্ঘটনা আমরা প্রত্যক্ষ করেছি তার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে আমাদের প্রত্যেকেরই রয়েছে সম্মিলিত গভীর দ্বায়িত্ববোধ। অ্যালায়েন্স একটি গুরুত্বপূর্ন ঐকান্তিক চুক্তি ঘোষনা করেছে, যে চুক্তির উদ্ভব নানান স্টেকহোল্ডারদের মতামতের ভিত্তিতে গঠিত একটি সম্মিলিত প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে এবং বাংলাদেশী শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা বিধানকল্পে এটি হয়ে উঠবে একটি সময়োচিত বাস্তব পদক্ষেপ।

দেশের দ্রুতবর্ধনশীল পোষাক শিল্পের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সে বিষয়ক সুনির্দিষ্ট এবং পরিমাপযোগ্য কার্যক্রমের

  • কারখানাপরিদর্শনএবংনিরাপত্তাপ্রতিশ্রুতি:অ্যালায়েন্স সদস্যদের জন্য পণ্য উৎপাদনকারী শতভাগ কারখানাতে এক বছরের মধ্যে পরিদর্শন সম্পন্ন করা হবে। অ্যালায়েন্স সদস্যরা এই মর্মে চুক্তিতে উপনীত হয়েছে যে, যে সমস্ত কারখানা নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করবে তারা কেবল সেই সমস্ত কারখানার সঙ্গেই কাজ করবে। এবং যে সমস্ত কারখানা অনিরাপদ বলে প্রতিপন্ন হবে সেইসব কারখানা থেকে কোন সদস্যই পন্য উৎপাদন করাবে না।
  • কারখানাগুলোর জন্য একটি সাধারণ নিরাপত্তা মানদন্ড প্রনয়ন : একটি সাধারণ নিরাপত্তা মানদন্ড এই বছরের অক্টোবরের ভেতর প্রনয়ন করা হবে। গৃহীত অগ্নি এবং ভবন নিরাপত্তা মানদন্ড অনুসারে পরিচালিত কারখানা পরিদর্শনের ফলাফল অ্যালায়েন্সের সকল সদস্য শেয়ার করবেন। পরিদর্শনের ফলাফল বেনামে একটি স্বতন্ত্র সংস্থা ফেয়ার ফ্যাক্টরী ক্লিয়ারিং হাউসের মাধ্যমে শেয়ার করা হবে, যেন ঝুঁকিপূর্ন কারখানাগুলো তাৎক্ষনিকভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়, এই সমস্ত প্রাপ্ত তথ্য স্বচ্ছতার সহিত কারখানার মালিকদের, শ্রমিকদের এবং সরকারকে অবহিত করা হবে এবং সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হবে।
  • শ্রমিক প্রশিক্ষণ: কারখানার শ্রমিকদের এবং ব্যবস্থাপকদের চলমান, বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষা প্রদান নিশ্চিতকরণ এবং অ্যালায়েন্সের সকল সদস্য কোম্পানি কারখানাগুলো যেন ওয়ার্কার পর্টিসিপেশন কমিটির গনতান্ত্রিক নির্বাচন এবং তার সফল কর্মকান্ডকে সক্রিয়ভাবে সমর্থন করে তা নিশ্চিত করা। এই কমিটি শ্রমিকদের জন্য একটি ফোরাম গঠন করবে যেনো শ্রমিকরা চাকরী খোয়া যাবার ভয়-ভীতি ছাড়াই নিরাপত্তা এবং কর্মস্থল বিষয়ক সমস্যার কথা তুলে ধরতে পারে।
  • শ্রমিকদের কন্ঠ: শ্রমিক ক্ষমতায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি গোপন শ্রমিক হটলাইন এই বছরের নভেম্বরের ভেতর প্রতিষ্ঠা করা হবে যেখানে ব্যবহৃত হবে মোবাইল প্রযুক্তি এবং এটি পরিচালিত হবে একটি থার্ডপার্টি দ্বারা।
  • অ্যালায়েন্সের তত্ত্বাবধান: অ্যালায়েন্স পরিচালনার জন্য এবং ক্রেতা সদস্যরা যেন তাদের প্রতিশ্রুতির যথাযথ অনুসরণ করে তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নয় সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে ।এই বোর্ড স্বাধীনভাবে পর্যালোচনা করতে পারবে, এই বোর্ডে রয়েছে ৪ ব্র্যান্ড, ৪ স্টেকহোল্ডার রয়েছে বিশেষজ্ঞ দল এবং একজন স্বতন্ত্র বোর্ড চেয়ার । বোর্ড চেয়ারের নাম আগামী কয়েক সপ্তাহের ভেতর ঘোষণা করা হবে ।
  • অর্ধ-বার্ষিকী প্রতিবেদন: জবাবদিহিতা এবং অ্যালায়েন্স কর্তৃক নির্ধারিত নির্দিষ্ট সময়সীমা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যে সমস্ত লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল তার পরিপ্রেক্ষিতে অ্যালায়েন্সের কর্মসূচির অর্ধ-বার্ষিকী প্রতিবেদন জনসম্মুখে উন্মুক্ত করবে পরিচালনা পর্ষদ। এছাড়াও , অ্যালায়েন্স সিনেটর মিশেল এবং স্নোয়েকে অনুরোধ জানিয়েছে অন্ততঃ প্রথম দুবছরের কর্মসূচীর কার্যকারিতা স্বাধীনভাবে যাচাই করে দেখতে।
  • কর্মসূচির তহবিল : এই উদ্যোগকে সফল করতে অ্যালায়েন্সর প্রতিটি সদস্যই একটি নির্দিষ্ট পরিমান অংকের অর্থ   প্রদান করে থাকে। এই অংকের পরিমান নির্ভর করে কোন কোম্পানি কি পরিমান পণ্য বাংলাদেশ থেকে উৎপন্ন করিয়ে নেয়। সবচেয়ে বেশি পণ্য উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো ৫ বছরের জন্য এক মিলিয়ন ডলার প্রদান করে থাকে। সম্প্রতি অ্যালায়েন্সের নিরাপত্তা তহবিলে রয়েছে ৪২ মিলিয়ন ডলার এবং এর পরিমান আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অ্যালায়েন্স এই তহবিলের ১০% বরাদ্দ দিয়েছে কারখানা উন্নয়ন কিংবা নিরাপত্তা জনিত কারণবশত কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে অস্থায়ীভাবে চাকরিচ্যূত শ্রমিকদের সহায়তা করার জন্য । কর্মসূচির নানান বিষয়বস্তু বাস্তবায়নের জন্য বাছাইকৃত বেসরকারী প্রতিষ্ঠানকেও এই তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হবে। এনজিও গুলো সরেজমিনে বাংলাদেশে কাজ শুরু করবে এবং আগামী ৩০ দিনের ভেতর এই এনজিও বাছাই করা হবে।
  • কারখানা উন্নয়ন সহায়তা: অ্যালায়েন্স সদস্যরা যে সমস্ত কারখানা থেকে পণ্য উপাদন করিয়ে থাকে সে সমস্ত কারখানার সংস্কার কাজ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রত্যেক ক্রেতা স্বল্প সুদে এবং সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের জন্য সম্মিলিতভাবে ১০০ মিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল গঠন করেছে।
  • বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধিকরণ: দীর্ঘমেয়াদী অবকাঠামো এবং ইন্ডাষ্ট্রি উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইন্ডাষ্ট্রির সম্মিলিত শক্তি ব্যবহার করে অ্যালায়েন্স বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একটি শক্তিশালী অংশীদ্বারিত্ব জোরদারের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যেনো ইন্ডাষ্ট্রি দিন দিন সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে ।উদ্যোগে গৃহিত কর্মকান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্প খাতে ন্যাশনাল ট্রাইপারটাইট প্লান অব্ অ্যাকশান( এনএপি ) অন ফায়ার সেফটি-এর সঙ্গে সমন্বয় সাধনের জন্য অ্যালায়েন্স বাংলাদেশ সরকার এবং এর ইন্ডাস্ট্রি গ্রুপের সঙ্গে, শ্রমিক অধিকার সংস্থাগুলোর সঙ্গে এবং যারা কারখানার নিরাপদ কর্মপরিবেশকে সমর্থন করে তাদের সঙ্গে কাজ করবে।

সিইও এর চিঠিতে শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড নেতৃবৃন্দ আরও যোগ করে বলেছেন,“আমরা বিশ্বাস করি যে অংশীদারিত্ব এবং পারস্পরিক সহযোগীতা আমাদের সফলতার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন। দ্রুত পরিবর্তন সাধন করার জন্য আমরা বিশ্বের আরও অন্যান্য ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই নবসৃষ্ট জোটের শক্তির ব্যবহার করে অতিরিক্ত অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য আমরা তহবিলের অন্যান্য উৎসের সন্ধান করবো। সারা বিশ্বের সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্টভাবে কাজ করবো”।

এই উদ্যোগ চলাকালীন জোটের অনুরোধে সিনেটর মিশেল স্নোয়ে কর্মসুচি পরিকল্পনায় সহায়তার জন্য সম্পৃক্ত সকলের কাছে মতামত প্রদানের আহবান জানিয়েছিলেন, যার ভেতর অর্ন্তভুক্ত রয়েছে আইএলও, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত, ইউএস বাংলাদেশ উপদেষ্টা পরিষদ এবং ইউ এস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট এবং অফিস অব দ্যা ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেনটেটিভ।

“একটি বাস্তব এবং টেকসই পরিবর্তন অর্জনের পারস্পরিক যে আকাঙ্খা এবং কিভাবে সর্বোত্তম সফলতা অর্জন করা যায় সে বিষয়ক তীব্র বিতর্ক থেকে এই প্রক্রিয়ার উদ্ভব”, বলেছেন জ্যাসন গ্রুমেট, বাই পর্টিসান পলিসি সেন্টারের সভাপতি। “উদ্ভুত এই জোট সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য একটি পথ প্রদর্শক - আন্তজার্তিক নেতা, শ্রমিক সংস্থা, বাংলাদেশ এবং অন্যান্য দেশের সরকারের জন্য - যেন সরেজমিনে পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটে”।

অ্যালিয়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি সংক্রান্ত

অ্যালিয়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ১৭ টি উত্তর আমেরিকান পোশাক কম্পানি, খুচরা বিক্রেতা এবং ব্র্যান্ড কতৃক প্রতিষ্ঠিত যারা একত্রিত হয়েছে বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ইনিশিয়েটিভ চালু করার লক্ষে এবং শ্রমিক নিরাপত্তা উন্নয়নের লক্ষে । এটি একটি পাঁচ বছরের শর্তাবদ্ধ উদযোগ যা হবে মূলত স্বচ্ছ, ফলপ্রসু, পরিমাপনীয় এবং প্রতিপাদন যোগ্য যার উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো । সমবেতভাবে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের নর্থ আমেরিকান আমদানিকারকদের এক বিরাট অংশের প্রতিনিধিত্ব করে এই অ্যালিয়েন্স সদস্যরা, এই আমদানিকৃত পোশাক তৈরি হয়েছে প্রায় পাঁচশতেরও বেশি কারখানায় ।

অ্যালিয়েন্স পোশাক কম্পানি এবং খুচরা বিক্রেতাদের একত্রিত হওয়ার এবং নিরাপত্তা ইস্যুর একটি মূর্ত সমাধান উপস্থাপনের এক অবাধ সুযোগের সৃষ্টি করে দিয়েছে । বর্তমানে ১৭টি কম্পানির যে গ্রুপ রয়েছে তা হলো: অ্যারিয়েলা-আলফা ইনটারন্যাশনাল; কানাডিয়ান টায়ার কর্পোরেশন লিমিটেড; কার্টার আই এন সি; দি চিলড্রেন‌‌'স প্লেস রিটেল স্টোর আই এন সি; গ্যাপ আই এন সি; হাডসন বে কম্পানি; আই এফ জি করপ; জে.সি পেনি কম্পানি আই এন সি; দি দি জোনস গ্রুপ আই এন সি; কোল ডিপার্টমেন্ট ষ্টোরস; এল. এল বিন  আই এন সি;; ম্যাকিস; নর্ডস্ট্রম আই এন সি; পাবলিক ক্লোদিং কম্পানি; সিয়ারস হোল্ডিং কর্পোরেশন; টার্গেট কর্পোরেশন; ভি এফ কর্পোরেশন; এবং ওয়াল-মার্ট ষ্টোরস,আই এন সি; । আশা করা হচ্ছে আগামী দিনগুলোয় আরো কিছু সদস্য আমাদের সঙ্গে যোগদান করবে ।

সহযোগি সংস্থাগুলো হলো: আমেরিকান অ্যাপারেল এন্ড ফুট ওয়্যার অ্যাসোসিয়েশন, ব্র্যাক, কানাডিয়ান অ্যাপারেল ফেডারেশন, ন্যাশনাল রিটেইল ফেডারেশন, রিটেইল কাউন্সিল অব কানাডা, রিটেইল ইন্ডাস্ট্রি লিডারস অ্যাসোসিয়েশন, এবং ইউনাইটেড স্টেটস অ্যাসোসিয়েশন অব ইমপোটারস অব টেক্সটাইল এন্ড অ্যাপারেল । এছাড়াও, লি এন্ড ফুং, একটি প্রধান হংকং ভিত্তিক সোর্সিং কম্পানি যেটি অ্যালিয়েন্সের অনেক সদস্যের সঙ্গেই ব্যবসা করে থাকে, পরামর্শক হিসেবে কাজ করবে । 

                           এইইভেন্টেরওয়েবকান্সটদেখুনwww.bipartisanpolicy.orgএবংওয়েবকাস্টএবংআর্কাইভদেখুনwww.bangladeshworkersafety.org

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

অনুগ্রহপূর্বক সাধারণ এবং গণমাধ্যম ঊভয় অনুসন্ধানের জন্য এখানে ক্লিক করুন ।