Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

+ অ্যালায়েন্স কি?

অ্যালায়েন্স হলো বিশ্বের 28 টি পোশাক কোম্পানি, খুচরা বিক্রেতা এবং ব্র্যান্ড-এর একটি গ্রুপ যারা পোশাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ-এর জরুরিভিত্তিতে দ্রুত উন্নয়নের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পেরেছে এবং সে লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছে যেন বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের নিরাপত্তা উন্নয়নে সহায়তা করতে পারেন ।

+ অ্যালায়েন্সের লক্ষ্য কি ?

অ্যালায়েন্সের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোতে অগ্নি, স্থাপনা এবং বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা বিষয়ক পদ্ধতিগত ও টেকসই উন্নয়ন ঘটানো । যে ব্যাপারটি আমরা নিশ্চিত করতে চাই তা হলো পোশাক শিল্প শ্রমিকরা যেনো একটি নিরাপদ পরিবেশে কাজ করতে পারে ।

+ লক্ষ্য অর্জনের জন্য আপনারা কি অন্য কোনো গ্রুপের সঙ্গে কাজ করছেন ?

অ্যালায়েন্স বিশ্বাস করে যে অগ্রগতি অর্জনের জন্য সেক্টরসমূহ এবং একই দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করা খুব্ই গুরুত্বপূ্র্ণ । আমরা বিভিন্ন সংস্থা, কারখানার মালিক, এনজিও, সুশিল সমাজ এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি এটা নিশ্চিত করতে যে নিরাপত্তা বিষয়ক উন্নতিবিধান যেন টেকসইপূর্ণ হয় ।

+ বর্তমানে কি ধরণের অগ্রগতিমুলক কাজ চলছে ?

আমাদের লক্ষ্য ছিলো ডিসেম্বর ২০১৩ এর মধ্যে- সেক্টরগুলোর সঙ্গে একটি চুক্তিতে উপনিত হওয়া  এবং  সুস্পষ্ট ও সঠিকভাবে নির্দিষ্ট, সর্বসাধারণের জন্য অগ্নি, স্থাপনা এবং বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা বিষয়ক একটি মানদন্ড প্রনয়ণ করা যে মানদন্ডটির ভিত্তিতে কারখানা পরিদর্শন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং পাশাপাশি শ্রমিকদের জন্য একটি পরিপূর্ণ শ্রমিক প্রশিক্ষণ পাঠ্যক্রম প্রনয়ণ হবে । আমরা এই মানদন্ড প্রনয়ণে সক্ষম হয়েছি এবং আরএমজি সেক্টরের অন্যান্য পার্টিগুলোর সঙ্গে এর সমন্বয়করণে সফল হয়েছি ।

এছাড়াও, আমাদের লক্ষ্য ছিলো অ্যালায়েন্সের ৭০০টি কারখানার প্রত্যেকটিতে জুলাই ২০১৪ এর মধ্যে পরিদর্শনের কাজ সমাপ্ত করা । বর্তমানে বাংলাদেশি পরিদর্শক এবং একটি বিশেষজ্ঞ কমিটির তত্তাবধানে পরিদর্শনের কাজ সুষ্ঠভাবে চলছে এবং ৫০% পরিদর্শনের কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়ে গেছে ।

অ্যালায়েন্স একটি পরিপূর্ণ শ্রমিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে এবং ইতিমধ্যে প্রায় ৫০% কারখানায় ৪০০,০০০ জনেরও বেশি কারখানা শ্রমিক এবং ম্যানেজারদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে । জুলাই ২০১৪ এর মধ্যে আমরা আশা করছি ১,০০০,০০০ জনেরও বেশি কারখানা শ্রমিকদের এবং ম্যানেরজারদের প্রশিক্ষণ প্রদান সম্পন্ন করবো । এবং সবশেষে, পরিদর্শনে যে সব কারখানায় নিরাপত্তা বিষয়ক সমস্যা দেখা গেছে সেই সব কারখানায় (রেমিডিয়েশনের) কাজ শুরু হয়ে গেছে ।

অ্যালায়েন্সের ছয় মাসের অগ্রগতি প্রতিবেদন বিস্তারিত দেখতে পাবেন এখানে ।

+ কারখানা পরিদর্শনে প্রাপ্ত তথ্যগুলো কি সবার জন্য উন্মুক্ত ?

হ্যাঁ । সদস্য কোম্পানিগুলো পরিদর্শন থেকে প্রাপ্ত সমস্ত তথ্য ফেয়ার ফ্যাক্টরিজ ক্লিয়ারিং হাউস প্লাটফরম এর মাধ্যমে সবার জন্য উন্মুক্ত করবে, এবং পরিদর্শনের সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন প্রতিমাসেই হালনাগাদ করা হবে । এই তথ্য কারখানায় ক্রিয়াশীল ওয়ার্কার গ্রুপদেরকেও প্রদান করা হবে ।

+ কারখানার উন্নয়নের জন্য অ্যালায়েন্স কি আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে ?

প্রত্যেকটি সদস্য কোম্পানিই  কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা  উন্নয়নের লক্ষ্যে কারখানার মালিকদের সহজ শর্তে ঋন প্রদানের জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলারের আর্থিক প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছে ।

+ কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়নের এই প্রচেষ্টায় অ্যালায়েন্স কিভাবে শ্রমিকদের সম্পৃক্ত করছে ?

আমরা বিশ্বাস করি শ্রমিকদের কন্ঠস্বর এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে অবশ্যই বদল আনতে হবে ।

ডিসেম্বর ২০১৩-এ , শ্রমিকদের অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক ধারণা ও প্রয়োজনীয়তা এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে কোনো ঘাটতি আছে কিনা তা যাচাই করার লক্ষ্যে অ্যালায়েন্স শ্রমিকদের ওপর একটি ব্যাপক জরিপ পরিচালনা করে । ৩২০০ জন শ্রমিকের ওপর পরিচালিত জরিপের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে একটি পরিপূর্ণ প্রশিক্ষণ কারিকুলাম তৈরি করা হয়েছে , যা বর্তমানে আমাদের ৭০০ এরও অধিক কারখানার একটি মানদন্ড হিসেবে কাজ করছে ।

আমরা ইতিমধ্যেই শ্রমিকদের জন্য হেল্পলাইন প্রবর্তনের কাজ শুরু করে দিয়েছি যেনো শ্রমিকরা তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও তাদের সমস্যার কথা সাথে সাথে তাদের নাম গোপন রেখে এবং চাকরি হারানোর কোনো রকম ভয় ভীতি ছাড়াই জানাতে পারে ।

আমাদের কারখানাগুলোতে আমরা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত শ্রমিক প্রতিনিধিদের সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করছি এবং আমরা তাদের সমর্থন প্রদান করি ।  বর্তমানে অ্যালায়েন্সের প্রায় ২০ টি কারখানায় ট্রেড ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । আমরা এইসব ট্রেড ই্‌উনিয়নগুলোর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করে যাচ্ছি এটা নিশ্চিত করতে যে তাদের প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে এবং তারা আমাদের এই প্রচেষ্টার সঙ্গে সম্পৃক্ত ।

আমাদের সমস্ত কাজের ওপর শ্রমিকদের দৃষ্টিভঙ্গির যে প্রভাব রয়েছে তা নিশ্চিত করতে ,বেশ কজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি ইউনিয়ন নেতা আমাদের  উপদেষ্টা পর্ষদ-এ রয়েছেন । তাঁরা হলেন:

•    সিরাজুল ইসলাম রনি,সভাপতি,বাংলাদেশ ন্যাশনাল গার্মেন্ট ওয়ার্কার লীগ(বিএনজিডব্লিউইএল)
•    শুকুর মাহমুদ, সভাপতি, এক্সিকিউটিভ কমিটি অব দি ন্যাশনাল লেবার লীগ( জাতীয় শ্রমিক লীগ )
•    ওয়াজেদুল ইসলাম খান, জেনারেল সেক্রেটারি, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র

+ চাকরিচ্যূত শ্রমিকদের কি অ্যালায়েন্স আর্থিক সহায়তা দেবে ?

হ্যাঁ দেবে । অ্যালায়েন্স অন্তর্ভুক্ত কারখানার শ্রমিকদের সহায়তা প্রদানের জন্য কারখানায় সংস্কার (রেমিডিয়েশন )চলাকালীন সময়ে সদস্য কোম্পানির মোট প্রদেয় অর্থের শতকরা দশভাগ সাময়িকভাবে চাকরিচ্যূত শ্রমিকদের মুজুরি পরিশোধে ব্যবহৃত হবে বলে অ্যালায়েন্স প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছে । এই তহবিল পরিচালনার জন্য, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য এবং অর্থ বিতরণ পরিচালনার জন্য আমরা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এনজিও ব্র্যাকের সঙ্গে অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করছি ।

+ মর্মান্তিক কারখানা দূর্ঘটনায় যারা ক্ষতিগ্রস্থ তাদের কোনো আর্থিক ক্ষতিপূরণ কি অ্যালায়েন্স দিয়েছে?

অ্যালায়েন্স সম্প্রতি এই প্রথম ঢাকায় অগ্নি এবং নিরাপত্তা বিষয়ক একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে, এই প্রদর্শনী থেকে অর্জিত আয় রানা প্লাজা ট্র্যাজেডিতে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার লক্ষ্যে আইএলও-এর  গঠিত রানা প্লাজা ডোনোর ট্রাস্ট ফান্ডে দান করা হয়েছে । এছাড়াও, বেশ কিছু সদস্য কোম্পানি ব্র্যাক ইউএসএ- এর পরিচালনায় স্বতন্ত্রভাবে বাংলাদেশ হিউম্যানিটারিয়ান ফান্ডে উল্লেখযোগ্য পরিমান অর্থ প্রদান করেছে । এই তহবিল থেকে  তিনটি সুনির্দিষ্ট কর্মসূচির জন্য অর্থ প্রদান করা হবে, যার ভেতর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে আইএলও রানা প্লাজা ডোনোর ট্রাস্ট ফান্ড ।

+ যদি শ্রমিকরা তাদের কারখানাকে অনিরাপদ মনে করে তাহলে কি তাদের নিরাপত্তা প্রদান করা হবে?

হ্যাঁ, অ্যালায়েন্স সদস্যরা যে সমস্ত কারখানা থেকে পণ্য উৎপাদন করে থাকে সেই সমস্ত কারখানাগুলোকে শ্রমিকদের এই অধিকারের প্রতি অবশ্যই শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে যে যে কোনো শ্রমিকের নিরাপত্তা জনিত সমস্যার কারণে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানোর অধিকার রয়েছে, এবং এই শ্রমিকের সঙ্গে যেন কোনপ্রকার বিধিবিরুদ্ধ ব্যবস্থা নেয়া না হয় সে ব্যাপারে তাকে নিরাপত্তা প্রদান করা হবে ।

+ পরিদর্শনে যে কারখানাগুলো অনিরাপদ বলে চিহ্নিত হবে সে কারখানাগুলো থেকে সদস্য কোম্পানি কি পণ্য উৎপাদন করাবে?

অ্যালায়েন্স সদস্যপদ চুক্তিতে সদস্যগণ এই মর্মে স্বাক্ষর প্রদান করেছেন যে, যোগ্যতা সম্পন্ন  কোন পরিদর্শক যদি কোন কারখানাকে অনিরাপদ মনে করেন তাহলে ওই কারখানা থেকে কোন সদস্যই পণ্য উৎপাদন করাবেননা। অ্যালায়েন্স পরিদর্শকদের নিকট  অনিরাপদ কারখানাগুলোর সংস্কারের  রেমিডিয়েশন) ক্ষেত্রে আমরা ন্যাশনাল টাইপারটাইট কমিটি (এনটিসি) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া অনুসরন করবো, অর্থাৎ যে সব কারখানাগুলোকে আমরা দ্রুত বন্ধ করে  দেয়ার সুপারিশ করবো, সেগুলো বিস্তারিত বিশ্লেষন এবং সুপারিশের জন্য একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল কর্তৃক পুনর্নিরীক্ষণ  করা হবে।

শ্রমিকদের  জন্য মারাত্মক এবং আসন্ন হুমকি হয়ে উঠতে পারে এমন কারখানা অ্যালায়েন্স পরিদর্শক কর্তৃক চিহ্নিত হওয়া মাত্রই তা সঙ্গে সঙ্গে কারখানার মালিককে  (যে কারখানা থেকে অ্যালায়েন্স সদস্যরা পণ্য উৎপাদন করে  থাকে) অবহিত করা হয় এবং অ্যালায়েন্স কর্মকর্তাগন শ্রমিকদের  নিরাপত্তা নিশ্চিত কারার জন্য তা এনটিসি – এর বিশেষজ্ঞ প্যানেলকে অবহিত করবেন।

একই সাথে, একটি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সক্ষম এমন কারখানাগুলোর সঙ্গে অ্যালায়েন্সের সদস্যরা কাজ করে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অ্যালায়েন্স সদস্যরা কারখানার নিরাপত্তা পরিদর্শন প্রতিবেদন এবং সংস্কার  (রেমিডিয়েশন) পরিকল্পনা সহজেই দেখতে এবং পর্যালোচনা করে দেখতে পারবে ফেয়ার ফ্যাক্টরি ক্লিয়ারিং হাউসে(এফএফসি)-এর  উপাত্তের মাধ্যমে। এবং এফএফসি-এর মাধ্যমে সুপারিশকৃত নিরাপত্তা বিষয়ক পদক্ষেপ বাস্তবায়নের অগ্রগতি সাধিত হচ্ছে এবং নিয়মিতভাবে অন্য কারখানাগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ অব্যাহত আছে।

+ অ্যালায়েন্স কি আইনানুমোদিতভাবে দ্বায়বদ্ধ?

হ্যা, অ্যালায়েন্সর সদস্যপদ হচ্ছে একটি পাঁচ বছরের প্রতিশ্রুতি – এবং এর চুক্তি ও শর্তাবলী সকল সদস্য আইনানুমোদিতভাবে মেনে চলতে বাধ্য ।  অ্যালায়েন্স বোর্ড অব ডিরেক্টর - একজন স্বতন্ত্র সভাপতি – যার কতৃত্ব রয়েছে যে কোনো সদস্য কোম্পানির বিরুদ্ধে মধ্যস্ততা করার অর্থাৎ যে কোম্পানি চুক্তি অনুসারে তার আর্থিক বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে অসুন্তষ্টি প্রকাশ করবে, এবং চুক্তি অনুসারে যে সব প্রতিশ্রুতি রয়েছে সেগুলো মেনে চলতে ব্যর্থ হলে সেই সদস্যকে খোলাখুলিভাবে বহিস্কার করতে পারবেন ।

+ অ্যালায়েন্স কি কোনো কারখানা বন্ধ করেছে ?

১৩ এপ্রিলে অ্যালায়েন্স ন্যাশনাল ট্রাইপারটাইট রিভিউ কমিটি(এনটিসি) এর রিভিউ প্যানেলে পণ্য উৎপাদন বন্ধের জন্য এবং সংস্কার কাজের জন্য (রেমিডিয়েশন) ৫টি কারখানা খুব দ্রুত ব্ন্ধ করে দেবার সুপারিশ করেছে । আমাদের পরিদর্শনে আমরা কাঠামোগত ত্রুটি  এবং ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত মালামাল খুঁজে পেয়েছি  যা ওই সমস্ত কারখানার শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ নয় ।

+ অ্যালায়েন্স শ্রমিকদের মুজুরির কতটুকু পর্যন্ত দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ?

আমরা উপলব্ধি করতে পেরেছি যে বাংলাদেশে পোশাক শিল্পের প্রায় সব স্তরেই বিনিয়োগ করতে হবে । অ্যালায়েন্স  ওয়ার্কার সেফটি ফান্ডের জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছে ,যা সদস্য কোম্পানি কতৃক প্রদেয় মোট অর্থের শতকরা দশভাগ ।এই তহবিলের শতকরা দশভাগ ওয়ার্কার কমপেসেশন ফান্ডের জন্য আলাদা করে রাখা হবে, যা  পরিচালিত হবে ব্র্যাক কতৃক এবং এটি ব্যবহৃত হবে কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে এবং সংস্কারের (রেমিডিয়েশন) কারণে চাকরিচ্যূত শ্রমিকদের সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে । পুরো দুই মাস শ্রমিকদের মুজুরির ৫০% দেয়া হবে এখান থেকে এবং বাঁকি ৫০% পরিশোধ করবে কারখানার মালিক।

এছাড়াও, কারখানার নিরাপত্তা উন্নয়নে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের জন্য আমরা আরও ১০০ মিলিয়ন ডলারের সংস্থান করেছি ।

+ Does the Alliance have a protocol for receiving and resolving ethics complaints?

The Alliance has an Integrity Program to ensure ethical practices and compliance with applicable laws in the implementation of our work in Bangladesh and internationally. This program includes a hotline, hosted by third party provider EthicsPoint – reports are submitted to EthicsPoint on a confidential and anonymous basis (if so chosen) and sent to the Alliance Compliance Committee, which comprises only independent observers (that have no affiliation with Alliance members).

If you believe that Alliance staff or partners have engaged in unethical behavior, please submit a claim here. The Alliance shall not allow retaliation for reports made in good faith (see Whistleblower and Anti-Retaliation Policy here).

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

অনুগ্রহপূর্বক সাধারণ এবং গণমাধ্যম ঊভয় অনুসন্ধানের জন্য এখানে ক্লিক করুন ।