Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

পঞ্চম এবং চুড়ান্ত বর্ষে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটির নিরাপত্তা ফলাফল বিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশ

.

পঞ্চম এবং চুড়ান্ত বর্ষে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটির নিরাপত্তা ফলাফল বিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশ

ঢাকা, বাংলাদেশ – অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটি (“অ্যালায়েন্স”) প্রায় সমাপ্তকৃত কারখানার নিরাপত্তা উন্নয়নের কাজের পাশাপাশি তার সুপরিচিত অগ্নি নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ পরিপূর্ণভাবে নিষ্পাদন এবং অ্যালায়েন্স -অধিভুক্ত কারখানার ১৫ লক্ষেরও বেশি শ্রমিকদের নিকট ২৪ ঘন্টা শ্রমিক হেল্পলাইনের সুবিধা প্রদান বিষয়ক আজ তার পঞ্চম এবং চূড়ান্ত বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ।

নিরাপত্তার একটি ইকোসিস্টেমে বর্তমানে যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠিত, অ্যালায়েন্স তার ব্যাপক সুপরিচিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং হেল্পলাইন স্থানীয় অংশিদারদের নিকট হস্তান্তর করতে যাচ্ছে, যারা এই উভয় কর্মসূচির কর্মকান্ড অব্যাহত রাখবে এবং একই সাথে সারা বাংলাদেশ জুড়ে অন্যান্য কারখানাগুলোতে এর বিস্তার ঘটাবে । অ্যালায়েন্সের অধিকাংশ ব্র্যান্ডগুলোই অ্যালায়েন্স সদস্যদের জন্য পণ্য উৎপাদন করে থাকে এমন কারখানাগুলোতে স্থানীয় সংস্থ্যার মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে নিরাপত্তা মানদন্ড পর্যবেক্ষণ, প্রশিক্ষণ নির্বাহ এবং হেল্পলাইন উন্নয়নের কাজের পরিকল্পনা গ্রহন করেছে, এই সমস্ত ব্র্যান্ডগুলোর শর্ত থাকবে এই যে অ্যালায়েন্সের অধীনে যে পর্যায়ের নিরাপত্তা মান অর্জিত হয়েছিলো তার ধারাবাহিকতা যেন বজায় থাকে ।

“গত পাাঁচ বছরে, অ্যালায়েন্স, আমাদের সদস্য ব্র্যান্ডগুলো এবং অ্যালায়েন্স-অধিভুক্ত কারখানার মালিকরা বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা উন্নয়নে অভাবিত অগ্রগতি অর্জন করেছে, এবং একই সঙ্গে পোশাক রপ্তানিতে সারা বিশ্বে নেতৃত্বের অবস্থানকে আরও সূদৃঢ় করতে সহায়তা করেছে ।“ বলেছেন অ্যালায়েন্স এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সাবেক রাষ্ট্রদূত জিম মরিয়ার্টি । “এই অগ্রগতি বজায় রাখতে অবশ্যই একটি চলমান প্রচেষ্টার প্রয়োজন রয়েছে – এবং আমাদের সদস্য ব্র্যান্ডগুলোর কাছে অ্যালায়েন্স চলে যাবার পর এই বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে ।“

“ঢাকার মার্কিন দূতাবাস অ্যালায়েন্সের এই অর্জনের ব্যাপক প্রশংসা জ্ঞাপন করেছে, এবং একই সঙ্গে মার্কিন দূতাবাস কারখানাগুলোতে নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ এবং শ্রমিক ক্ষমতায়নে ব্র্যান্ডগুলোর এই প্রচেষ্টার প্রতি দৃঢ় সমর্থন অব্যাহত রাখবে,” বলেছেন বাংলাদেশের নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার । “এই কাজের মাধ্যমে, বাংলাদেশের অনুসরনের লক্ষ্যে অ্যালায়েন্স পোশাক শিল্পের জন্য একটি মানদন্ড নির্ধারণ করেছে ।“

অ্যালায়েন্সের চুড়ান্ত প্রতিবেদনের হাইলাইটসমূহ:

  • অ্যালায়েন্স-অধিভুক্ত কারখানাগুলো জুড়ে ৯৩ শতাংশ সংস্কার কাজ সম্পূর্ণরূপে সম্পন্ন হয়েছে – যার ভেতর জীবনের নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এমন ৯০ শতাংশ আইটেমের সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে;
  • ৪২৮টি অ্যালায়েন্স -অধিভুক্ত কারখানা তাদের সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনায় (ক্যাপ) উল্লেখিত সমস্ত মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে;
  • প্রায় ১৬ লক্ষ শ্রমিক অগ্নিকান্ডের জরুরি মুহুর্তে নিজেদের কিভাবে রক্ষা করতে হবে সে বিষয়ক প্রশিক্ষণ গ্রহন করেছে, এবং অ্যালায়েন্স -অধিভুক্ত কারখানাগুলোর বাইরে অন্যান্য কারখানাগুলোতে এই প্রশিক্ষণের বিস্তার ঘটানোর লক্ষ্যে অ্যালায়েন্স একটি স্থানীয় প্রশিক্ষণ অংশিদার গঠন করেছে ।
  • ২৮,০০০ সিকিউরিটি গার্ড অগ্নি নিরাপত্তা এবং জরুরি ভবনত্যাগ প্রক্রিয়া বিষয়ক প্রশিক্ষণ গ্রহন করেছে ।
  • ১৫ লক্ষেরও বেশি শ্রমিক বর্তমানে ২৪ ঘন্টা চালু গোপন শ্রমিক হেল্পলাইন ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছে, যা একটি স্থানীয় সংস্থ্যা ফুলকির নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই এটি সারা বাংলাদেশ জুড়ে সমস্ত আরএমজি কারখানাগুলোতে ছড়িয়ে পড়বে; এবং
  • ১৮১টি শ্রমিক সেইফটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, এর ফলে শ্রমিকরা ম্যানেজমেন্টদের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসে তাদের কারখানার নিরাপত্তা বিষয়ক সমস্যার সমাধান করতে পারবে ।

সম্পূর্ণ বার্ষিক প্রতিবেদনটি “ একটি রূপান্তরিত শিল্প: বাংলাদেশের পোশাক খাতের নিরাপত্তা বিষয়ক একটি উত্তরাধিকার” পড়তে অনুগ্রহপূর্বক অ্যালায়েন্স ওয়েবসাইট ভিজিট করুন ।

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর