Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

কারখানা নিরাপত্তায় মাইলফলক অর্জন করেছে অ্যালায়েন্স: ৪০০টি কারখানা সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছে

.

সংস্কার কাজের অগ্রগতি ৯১%; সংস্কার কাজে অগ্রগতি প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ায় ৫টি কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক চ্ছিন্ন করেছে অ্যালায়েন্স

ঢাকা, বাংলাদেশ – অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি (“অ্যালায়েন্স”) আজকে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে জুলাই মাস থেকে এ পর্যন্ত আরও ৩৬টি অ্যালায়েন্স -অধিভুক্ত কারখানা তাদের সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনায় (ক্যাপ) উল্লেখিত সমস্ত মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে, যার ফলে সংস্কার কাজ সম্পন্নকারী কারখানার মোট সংখ্যা দাঁড়ালো ৪০০টি । এযাবত পর্যন্ত অ্যালায়েন্স -অধিভুক্ত সবগুলো কারখানায় ৯১% সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে ।

“আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাতে চাই যে অ্যালায়েন্স -অধিভুক্ত কারখানাগুলোতে সংস্কার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে,” বলেছেন অ্যালায়েন্স এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রাষ্ট্রদূত জিম মরিয়ার্টি । “আমরা আত্নবিশ্বাসী যে এ বছরের শেষে অ্যালায়েন্সের রূপান্তরকালীন সময়ে আমাদের সদস্য কোম্পানিরগুলোর জন্য পণ্য উৎপাদনকারী অধিকাংশ কারখানাই একটি চমৎকার কাঠামো লাভ করবে এবং আমাদের কঠোর নিরাপত্তা মানদন্ড অনুসারে কারখানাগুলো তাদের কার্যক্রম পরিচালানা করবে । এমনকি অ্যালায়েন্সের মেয়াদ শেষেও অ্যালায়েন্স সদস্য কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের যে সমস্ত কারখানাগুলো থেকে পণ্য ক্রয় করে থাকে সে সমস্ত কারখানাগুলোর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবে, এটা যাচাই করতে যে ওই সমস্ত কারখানাগুলো যেন নিরাপত্তা বজায় রেখে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারে ।“

সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা (ক্যাপ ) সম্পন্ন করার পাশাপাশি, আগস্টে পাঁচটি কারখানার সঙ্গে অ্যালায়েন্স ব্যবসায়িক সম্পর্ক চ্ছিন্ন করেছে, ফলে এ যাবত পর্যন্ত ব্যবসায়িক সম্পর্ক চ্ছিন্ন হওয়া মোট কারখানার সংখ্যা দাঁড়ালো ১৭৩ । গত মার্চ মাস থেকে এই প্রথম অ্যালায়েন্স সংস্কার কাজে অগ্রগতি প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ার কারনে কোনো কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক চ্ছিন্ন করলো ।

“এই অর্জিত মাইলফলক সংস্কার কাজের সঙ্গে জড়িত প্রকৌশলী, পরিদর্শক যারা পুরো প্রক্রিয়ায় দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন, কারখানার মালিক, ম্যানেজার এবং শ্রমিক যাারা তাদের কারখানায় নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন তাদের প্রত্যেকের কঠোর পরিশ্রম এবং একনিষ্ঠতার একটি সাক্ষ্য,” বলেছেন অ্যালায়েন্স চিফ সেইফটি অফিসার পউল রিগবি ।“এই কারখানাগুলো বর্তমানে নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক মানদন্ড অর্জন করেছে, এবং এটি তাদের প্রত্যেকের জন্য একটি গর্বের বিষয় ।“

অ্যালায়েন্সের প্রতিটি কারখানার বর্তমান স্ট্যাটাস পাওয়া যাবে আমাদের ওয়েবসাইট-এ ।

###

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি সংক্রান্ত অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি উত্তর আমেরিকান পোশাক কোম্পানি, খুচরা বিক্রেতা এবং ব্র্যান্ড কতৃক প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিষ্ঠান যারা একত্রিত হয়েছে বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ইনিশিয়েটিভ চালু করার লক্ষ্যে এবং শ্রমিক নিরাপত্তা উন্নয়নের লক্ষ্যে । এটি একটি পাঁচ বছরের দায়বদ্ধতামূলক উদ্দোগ যা হবে মূলত স্বচ্ছ, ফলপ্রসু, পরিমাপনীয় এবং প্রতিপাদন যোগ্য যার উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের তৈরি পোশাককারখানা গুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো ।অ্যালায়েন্স পোশাক কোম্পানি এবং খুচরা বিক্রেতাদের একত্রিত হওয়ার এবং নিরাপত্তা ইস্যুর একটি মূর্ত সমাধান উপস্থাপনের এক অবাধ সুযোগের সৃষ্টি করে দিয়েছে । আরও বেশি তথ্য পেতে পারেন www.bangladeshworkersafety.org.

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

অনুগ্রহপূর্বক সাধারণ এবং গণমাধ্যম ঊভয় অনুসন্ধানের জন্য এখানে ক্লিক করুন ।