Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

অ্যালায়েন্স প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছর উপলক্ষে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

ঢাকা, বাংলাদেশ – পাঁচ বছর আগের আজকের এই দিনে, দুই ডজনেরও বেশি নেতৃত্বস্থানীয় উত্তর আমেরিকান পোশাক কোম্পানি, খুচরা বিক্রেতা এবং ব্র্যান্ড বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প খাতের শ্রমিকদের নিরাপত্তার ব্যপক উন্নয়নের লক্ষ্যে আইনগতভাবে বাধ্য পাঁচ বছরের একটি উদ্যোগ গ্রহনের জন্য অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটি গঠনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছিলো ।

আজকে, অ্যালায়েন্স কারখানাগুলোতে ৯০ শতাংশ সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে, ১.৫ মিলিয়নেরও বেশি শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে যেন তারা অগ্নিকান্ডের জরুরি মুহুর্তে নিজেদের রক্ষা করতে পারে, এবং ১.৫ মিলিয়ন শ্রমিক নাম পরিচয় গোপন রেখে সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘন্টা হেল্পলাইনে তাদের উদ্বেগের কথা জানাতে পারে । সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, অ্যালায়েন্সের নেতৃত্বে যে সমস্ত কারখানায় সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে সে সমস্ত কারখানাগুলোতে ভবন, বৈদ্যূতিক এবং অগ্নিকান্ড দুর্ঘটনাজনিত কারনে কোনো জীবনহানির ঘটনা ঘটেনি ।

এ সমস্ত সফলতার অধিকাংশেরই দাবিদার আমাদের অংশিদাররা, বিশেষ করে কারখানার মালিকরা যারা তাদের কারখানায় শ্রমিকদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার প্রদান করেছে । আজকে, শুধুমাত্র অ্যালায়েন্স কারখানাগুলোকেই নিরাপদ কারখানায় রূপান্তরের ভিত্তি তৈরি হয়নি, বরং বাংলাদেশের সমগ্র তৈরি পোশাক শিল্প খাতকে নিরাপদ খাতে রূপান্তরের ভিত্তি তৈরি হয়েছে ।

যেহেতু এ বছর আমাদের পাঁচ বছরের মেয়েদ শেষ হয়ে আসছে, সেহেতু অ্যালায়েন্স বিশ্বস্ত, স্থানীয় অংশীদারদের সাথে কাজ অব্যাহত রেখেছে একটি স্বতন্ত্র সেইফটি মনিটরিং অর্গানাইজেশন গঠনের লক্ষ্যে, যেন আমাদের নিরাপত্তা তদারকি এবং শ্রমিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচি অব্যাহত থাকে, এবং আমাদের অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে নিরাপত্তার একটি আত্মনির্ভরশীল বাস্তুতন্ত্র তৈরি করা যায় । কেবলমাত্র দৃঢ় অঙ্গীকার এবং স্থানীয় মালিকানার আরও বেশি বেশি অংশগ্রহনেই বাংলাদেশে নিরাপত্তা কোনো ব্যতিক্রম বিষয় না হয়ে বরং একটি আইনে পরিণত হতে পারে ।

***

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

অনুগ্রহপূর্বক সাধারণ এবং গণমাধ্যম ঊভয় অনুসন্ধানের জন্য এখানে ক্লিক করুন ।