Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

শ্রমিকদের নিরাপত্তায় সম্মিলিত ঐক্যমতে পৌঁছতে অ্যালায়েন্সের আহবান

.

ঢাকা, বাংলাদেশ – অ্যালায়েন্সের উত্তরাধিকারী সেইফটি মনিটরিং অর্গানাইজেশন (এসএমও) গঠনের পরিকল্পনা বিষয়ে আলোচনার লক্ষ্যে এই সপ্তাহে ঢাকায় এসেছেন অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটি ( অ্যালায়েন্স )-এর ২৯টি ব্র্যান্ডের বোর্ড অব ডিরেক্টরগণ, এই সংস্থ্যাটি ২০১৮ সালের পর অ্যালায়েন্সের ৫ বছর মেয়াদ শেষে অ্যালায়েন্সের পরিদর্শন, নিরাপত্তা মনিটরিং, প্রশিক্ষণ এবং হেল্পলাইন সার্ভিস এর কাজগুলো অব্যাহত রাখবে ।

“অ্যালায়েন্স সদস্য কোম্পানিগুলো আমাদের গুরুত্বপূর্ণ কাজ অব্যাহত রাখতে একটি স্বাধীন, বিশ্বাসযোগ্য এবং স্থানীয়ভাবে পরিচালিত একটি সংস্থ্যা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সরকার এবং বিজিএমইএ-এর অংশীদার হতে প্রস্তুত”, বলেছেন অ্যালায়েন্স এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, রাষ্ট্রদূত জেমস মরিয়ার্টি । “আজ পর্যন্ত যে সমস্ত আলোচনা হয়েছে তাতে আমরা অগ্রগতি লক্ষ্য করেছি, এবং টেকসই নিরাপত্তা প্রচেষ্টার ব্যাপারে সম্মিলিত ঐক্যমত যে গতিলাভ করেছে তাতে আমরা উৎসাহিত” ।

২০১৩ সালে এটি প্রতিষ্টার পর থেকে, অ্যালায়েন্স তার অধিভুক্ত কারখানাগুলোতে নিরাপত্তা বিষয়ে ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে । ৬০০টিরও বেশি কারখানায় ৯০% সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে; ১,০০০টি কারখানার ১৪ লক্ষ্য শ্রমিক ২৪ ঘন্টা চালু অ্যালায়েন্স হেল্পলাইন ব্যবহারের সুযোগ লাভ করেছে; ১৫ লক্ষ্য শ্রমিক অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ পেয়েছে; গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত ওয়ার্কার সেইফটি কমিটি গঠন হয়েছে প্রায় ২০০টি কারখানায় ।

“নিরাপদ পোশাক কারখানা লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের জীবন রক্ষা করে, এবং সারা বিশ্বে বাংলাদেশ পোশাক উৎপাদনে যে নেতৃত্ব প্রদানকারী অবস্থানে রয়েছে তা বজায় রাখতে নিরাপত্তা বিষয়টি অপরিহার্য,” বলেছেন রাষ্ট্রদূত মরিয়ার্টি । “ আমরা আত্নবিশ্বাস রয়েছে যে, সারা বাংলাদেশ জুড়ে অব্যাহতভাবে শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কল্যান সাধনের সবচেয়ে ভাল উপায় হলো স্টেকহোল্ডারদের শ্রমিক নিরাপত্তা বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছানো” ।

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

অনুগ্রহপূর্বক সাধারণ এবং গণমাধ্যম ঊভয় অনুসন্ধানের জন্য এখানে ক্লিক করুন ।