Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

চার বছরে কারখানাগুলোতে অ্যালায়েন্স নিরাপত্তা বিষয়ক উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে

.

সদস্য কোম্পানিগুলো ২০১৮-এর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরাপত্তা লক্ষ্য অর্জনে প্রতিশ্রুতবদ্ধ রয়েছে

ঢাকা – গত বছরের, পর্যাপ্ত কারখানা নিরাপত্তা উন্নয়ন এবং শ্রমিক প্রশিক্ষণ ও শ্রমিক ক্ষমতায়নের উদ্যোগ সম্প্রসারণ ঘোষণা পূর্বক আজকে অ্যালায়েন্স তার চতুর্থ বার্ষিকী প্রতিবেদন প্রকাশ করছে । তথ্য নিশ্চিত করে যে, নতুনভাবে যোগ হওয়া এবং সম্প্রসারিত হওয়া কিছু কারখানা ব্যতীত প্রায় সমস্ত কারখানাই সংশোধনমূলক কর্ম পরিকল্পনা (সিএপি) সম্পন্ন করার পথে রয়েছে ।

“শত শত কারখানায় সংস্কার কাজ করা একটি গুরুতর কর্মভার, এবং গত চার বছরের এই সংক্ষিপ্ত সময়ে অ্যালায়েন্স তার অংশীদ্বারদের সঙ্গে একত্রে যে সফলতা অর্জন করেছে তাতে আমরা অত্যন্ত গর্বিত,” বলেছেন অ্যালায়েন্স এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রাষ্ট্রদূত জিম মরিয়ার্টি । “ যতক্ষণ না আমরা আমাদের ম্যান্ডেট অর্জন না করতে পারছি, অ্যালায়েন্স কারখানার নিরাপত্তা বাড়াতে না পারছি এবং শ্রমিকদের ক্ষমতায়ন না করতে পারছি ততক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়গুলো আমাদের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে” ।

অ্যালায়েন্স চতুর্থ বার্ষিকীর উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো হলো:

  • সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনায় উল্লেখিত মেরামত কাজের ৮৫% সম্পন্ন হয়েছে – যার ভেতর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ৮০% উচ্চ-অগ্রাধিকার প্রাপ্ত মেরামত কাজ;
  • অ্যালায়েন্স-অধিভূক্ত ২৩৪ টি কারখানা সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনায় উল্লেখিত সমস্ত মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে;
  • সংস্কার কাজে ব্যার্থ ১৬২টি কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক চ্ছিন্ন করেছে আ্যালায়েন্স;
  • ১৭১ টি কারখানায় গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সেইফটি কমিটি গঠন করা হয়েছে যেখানে শ্রমিকরা নিরাপত্তা ইস্যূগুলো মনিটরিং করার অধিকার পাবে;
  • অ্যালায়েন্স-অধিভুক্ত এবং অ্যালায়েন্স বহির্ভূত ৯৪১টি কারখানার ১.৩ মিলিয়ন শ্রমিক অ্যালায়েন্সের গোপনীয় শ্রমিক হেল্পলাইন আমাদের কথা ব্যবহারের সুযোগ লাভ করেছে;
  • ১.৪ মিলিয়নেরও বেশি শ্রমিক প্রাথমিক অগ্নি নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ লাভ করেছে, এবং ১.৩ মিলিয়ন শ্রমিক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণে অংশগ্রহন করেছে;
  • প্রায় ২৭,০০০ সিকিউরিটি গার্ড অগ্নি নিরাপত্তায় নেতৃত্ব প্রদান বিষয়ক প্রশিক্ষণ লাভ করেছে, এবং প্রায় ২০,০০০ সিকিউরিটি গার্ড এ বিষয়ক রিফ্রশার প্রশিক্ষণ লাভ করেছে, এবং
  • অ্যালায়েন্স সিনিয়র ফ্যাক্টরি ম্যানেজারদের জন্য একটি নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ ওয়ার্কশপ ডিজাইন করেছে এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনলোজি (বুয়েট) এর সঙ্গে অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশের প্রকৌশলীদের জন্য একটি স্নাতক স্তরের শর্ট কোর্সের ডিজাইন করেছে, এই উভয় বিষয় ডিজাইন করা হয়েছে যেন দেশেই নিরাপত্তা বিষয়ক সক্ষমতা গড়ে ওঠে ।

“ আমাদের কারখানাগুলো অ্যালায়েন্সের কাজ শুরুর পূর্বের চেয়ে বর্তমানে স্পষ্টভাবে নিরাপদ – এবং ২০১৩ সাল থেকে কারখানার মালিকরা যে কঠোর পরিশ্রম করেছেন তার সুফল তারা এখন পাচ্ছেন, কেননা কয়েকশত কারখানা তাদের সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা সম্পন্ন করেছেন,” বলেছেন রাষ্ট্রদূত মরিয়ার্টি । “ এই অর্জনের মাধ্যমে কারখানাগুলোর যাত্রা শুরু হলো, যারা অবশ্যই কঠোর নিরাপত্তা মানদন্ড বজায় এবং তা অব্যাহত রাখাকে অগ্রাধিকার দেবেন – এবং আমরা আমাদের কর্মসূচি হস্তান্তরে প্রতিশ্রুতবদ্ধ এবং তা এমনভাবে করতে চাই যেন ২০১৮ সালের পর এই টেকসই অগ্রতি অব্যাহত রাখার একটি পথ প্রস্তুত হয়” । ”

সংস্কার বিষয়ক অগ্রগতি ছাড়াও, অ্যালায়েন্স প্রতিবেদনে রয়েছে অ্যালায়েন্স পার্টনার এবং নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎকার, অ্যালায়েন্স হেল্পলাইনের কেস স্টোরি, কারখানার শ্রমিকদের ভিডিও টেস্টিমোনাল এর লিঙ্ক এবং ২০১৮ সালের পর অ্যালায়েন্সের হস্তান্তর পরিকল্পনা বিষয়ক পূর্বাভাস । অ্য

সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি পেতে এখানে ডাউনলোড করুন

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

অনুগ্রহপূর্বক সাধারণ এবং গণমাধ্যম ঊভয় অনুসন্ধানের জন্য এখানে ক্লিক করুন ।