Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

আরও উনত্রিশটি অ্যালায়েন্স কারখানা পর্যাপ্ত সংশোধনী কর্মপরিকল্পনা সম্পন্ন করেছে

.

প্রথম এবং দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের চেয়ে তৃতীয় ত্রৈমাসিকে সংশোধনী কর্মপরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে চারগুনেরও বেশি

ঢাকা, বাংলাদেশ - অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি আজকে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে সেপ্টেম্বর মাসে, অ্যালায়েন্স অধিভুক্ত আরও ২৯টি কারখানা তাদের সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনায় (ক্যাপ) উল্লেখিত সমস্ত মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে, যার ফলে সংস্কার কাজ সম্পন্নকারী কারখানার মোট সংখ্যা দাঁড়ালো ১৯৫ ।

ক্যাপ সম্পন্নকারী কারখানাগুলো হলো, এআরকে ওয়াশিং, আয়েশা ক্লোথিং কোর্পোরেশন লিমিটেড, আয়েশা ওয়াশিং লিমিটেড, ব্যবিলন ট্রিমস লিমিটেড (পিকেজি), সিভিক অ্যাপারেলস লিমিটেড, কালার সিটি, কলোসাস অ্যাপারেল লিমিটেড ইউনিট ২, কনফিডেন্স ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড, কর্টজ অ্যাপারেল লিমিটেড, ডিবি টেক্স লিমিটেড, ঢাকারিয়া লিমিটেড, (ইয়াপুং ইনকর্পোরেশন), ডিএনভি ক্লথিং লিমিটেড, গ্লোবাল নাসা ওয়্যার লিমিটেড, হামজা টেক্সটাইল লিমিটেড, ইমপ্রেসিভ গার্মেন্ট (প্রাইভেট লিমিটেড ), ইন্টিমেট অ্যাটায়ার লিমিটেড, মাহদিন সুয়েটার লিমিটেড, মাম গার্মেন্টস লিমিটেড, মানসিন কোং (বিডি) লিমিটেড, মারিনা অ্যাপারেলস লিমিটেড, মাইমুম টেক্সটাইল লিমিটেড, নাসা বেসিক লিমিটেড, নাসা ফ্যাশন লিমিটেড, নাসা হাই-টেক ওয়্যার লিমিটেড, ওয়ান কোম্পোজিট মিলস লিমিটেড, ট্রাই অন সু ম্যাটেরিয়াল বিডি লিমিটেড, সান অ্যাপারেল লিমিটেড, সামজের রেজিয়া ফ্যাশন লিমিটেড এবং দি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারস লিমিটেড ।

" সংস্কার কাজকে অগ্রাধিকার প্রদানের জন্য এবং কর্মচারিদের জন্য নিরাপদ কর্মস্থল গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুরনের জন্য এই প্রত্যেকটি কারখানাই প্রশংসার দাবিদার,” বলেছেন অ্যালায়েন্স কান্ট্রি ডিরেকটর জিম মরিয়ার্টি ।

তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ( জুলাই – সেপ্টেম্বর ২০১৭) অ্যালায়েন্স-অধিভূক্ত কারখানাগুলোতে প্রথম অথবা দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের চেয়ে চারগুনেরও বেশি সংশোধনী কর্মপরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে, যা আবারও প্রমান করে যে অ্যালায়েন্স-অধিভুক্ত কারখানাগুলোতে ২০১৮ সালের ভেতর সংস্কার কাজ সম্পন্ন করার জন্য অ্যালায়েন্সের কাজ গতিশীল রয়েছে । এ বছরের সেপ্টেম্বর মাস হলো প্রথম একটি মাস যে মাসে একটি কারখানাও সংস্কার কাজে ব্যর্থ হওয়ার জন্য স্থগিত হয়নি ।

“ আমাদের কারখানায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে আমাদের যে প্রচেষ্টা তা সঠিক পথেই রয়েছে, এবং আমাদের নেটওয়ার্কের আওতার ভেতর যে সমস্ত কারখানাগুলো রয়েছে তারা আমাদের কঠোর নিরাপত্তা শর্তাবলি পুরনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে”, বলেছেন রাষ্ট্রদূত মরিয়ার্টি । বাংলাদেশের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে আরও জোরালো, আমরা এখন হস্তান্তর পরিকল্পনার জন্য ঢাকার গুরুত্বপূর্ন সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করছি যেন বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের এই গুরুত্বপূর্ন কাজ দীর্ঘমেয়াদে অব্যাহত থাকে ।

প্রতিটি অ্যালায়েন্স কারখানার বর্তমান অবস্থা জানতে পারবেন আমাদের ওয়েবসাইট -এ ।

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

অনুগ্রহপূর্বক সাধারণ এবং গণমাধ্যম ঊভয় অনুসন্ধানের জন্য এখানে ক্লিক করুন ।