Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা
  • slideshow 3rd annual report
  • slideshow new cso
  • slideshow impact assessment

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি কর্তৃক তৃতীয় বার্ষিকী প্রতিবেদন প্রকাশ ।

.

অ্যালায়েন্সের চতুর্থ বছরে পদার্পন উপলক্ষ্যে গুরুতর নিরাপত্তা সংস্কার এবং শ্রমিক নিরাপত্তা কমিটি গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ ।

ঢাকা – বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা সংস্কৃতির প্রতি জোরদানের যে প্রতিশ্রুতি রয়েছে তারই অংশ হিসেবে, অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি ( অ্যালায়েন্স ) আজকে তার তৃতীয় বার্ষিকী প্রতিবেদন প্রকাশ করছে । অ্যালায়েন্সের গৃহীত উদ্যোগের কারনে পোশাক শিল্পগুলোকে প্রকৃত অর্থেই নিরাপদ করে রেখে যাওয়ার কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনে যে তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে তারই প্রতিফলন রয়েছে এই প্রতিবেদনটিতে ।

সর্বাধিক সংকটপূর্ণ মেরামত কাজে সর্বোচ্চ গুরুত্বপ্রদান পূর্বক অ্যালায়েন্স কারখানাগুলোর সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে- যা জীবনের নিরাপত্তার জন্য সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ, যদিও তা অর্জন করা কারখানাগুলোর জন্য অত্যন্ত ব্যায়সাপেক্ষ এবং সময়সাপেক্ষ, কেননা আমদানি এবং ফায়ার ডোর স্থাপন, স্ট্রাকচারাল বিম এবং কলামের মজবুতকরণ এবং স্প্রিংকলার সিস্টেম স্থাপনের মত বিষয়গুলো এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে । এ যাবত, ৫৫% সর্বোচ্চ-অগ্রাধিকারমূলক মেরামত কাজ সম্পন্ন হয়েছে ।

“জুলাই ২০১৮-এর মধ্যে, সবগুলো কারখানা হয় তাদের সর্বোচ্চ-অগ্রাধিকারমূলক মেরামত কাজ সম্পন্ন করবে নতুবা মেরামত কাজে ব্যর্থ কারখানাগুলোকে অ্যালায়েন্সের পণ্য সরবরাহকারী তালিকা থেকে বাদ দেয়া হবে,” বলেছেন অ্যালায়েন্সের স্বতন্ত্র সভাপতি মাননীয় অ্যালেন টশার । “লক্ষ্য অর্জনে আমরা তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি লাভ করেছি, এবং জীবনের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবশিষ্ট সমস্যাগুলোর সমাধান সম্পন্নকরণ আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য” ।

এছাড়াও অ্যালায়েন্স ওয়ার্কার সেফটি কমিটি প্রতিষ্ঠায় তার কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে, যা চালু হয়েছে এপ্রিলে- যেখানে একদল শ্রমিককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে এবং কর্মক্ষেত্রের পেশাগত নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য সমস্যা মনিটরের জন্য ক্ষমতায়ন করা হয়েছে । এপ্রিল থেকে কমিটির সংখ্যা তিনগুন বৃদ্ধি করে ১৬ থেকে ৫৪টি তে উন্নিত করা হয়েছে, এবং ২০১৮ জুলাই নাগাদ অধিকাংশ অ্যালায়েন্স কারখানায় এই কমিটি সক্রিয় হবে ।

“কারখানাকে সর্বাঙ্গিন নিরাপদ করে তোলা মেরামত কাজ সম্পন্ন করার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ । পোশাক শিল্পে জীবিকা অর্জনকারী নারী পুরুষদের নিরাপত্তা কর্মকান্ডে উদ্বুদ্ধকরণ, সম্পৃক্তকরণ এবং ক্ষমতায়নের জন্য অবশ্যই সর্বাত্নক প্রচেষ্টা গ্রহন করতে হবে,” বলেছেন অ্যালায়েন্সের এ-দেশীয় পরিচালক সাবেক রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টি । “ সংস্কার কাজ এবং ক্ষমতায়নের কাজ পাশাপাশি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে, আমরা সারা বাংলাদেশে পোশাক কারখানাগুলোতে গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড প্রণয়নে কাজ করে যাচ্ছি ।

অ্যালায়েন্সের প্রতিবেদন অনুসারে:

  • চল্লিশটি (৪০) টি কারখানা তাদের সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা ( CAP’s)-এর কাজ সম্পন্ন করেছে ;
  • সংস্কার কাজে পর্যাপ্ত অগ্রগতি সাধনে ব্যর্থ হওয়ায় ৯৭ টি কারখানাকে অ্যালায়েন্স –কমপ্লায়েন্ট কারখানা তালিকা থেকে স্থগিত করা হয়েছে;
  • প্রয়োজনীয় মেরামত কাজের ৬৩% সম্পন্ন হয়েছে –যার ভেতর অন্তর্ভূক্ত রয়েছে ৫৫% সর্বচ্চো-অগ্রাধিকারমূলক মেরামত কাজ;
  • শ্রমিক সেইফটি কমিটিকে কর্মক্ষেত্রের পেশাগত নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক সমস্যা মনিটরের জন্য ক্ষমতায়ন করা হয়েছে এবং এই কমিটি ৫৪ টি কারখানায় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে অথবা প্রতিষ্ঠা করার কাজ চলছে;
  • ১.২ মিলিয়নেরও বেশি শ্রমিককে প্রাথমিক অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে, এবং প্রায় ৮০০,০০০ শ্রমিক এ-বিষয়ক পুনঃপ্রশিক্ষণ গ্রহন করেছে;
  • প্রায় ২৩,০০০ সিকিউরিটি গার্ড অগ্নি নিরাপত্তা নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ গ্রহন করেছে, এবং
  • অ্যালায়েন্স হেল্পলাইন অ্যালায়েন্স কারখানা এবং অ্যালায়েন্স বহির্ভূত কারখানার শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানের জন্য খুব ভালো একটি মাধ্যমে পরিণত হয়েছে । হেল্পলাইন প্রতি মাসে গড়ে ৪,২০০ টি কল গ্রহন করেছে এবং হেল্পলাইন প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত মোট ৯০,০০০ কল গৃহীত হয়েছে ।

 

ডাউনলোড

লগইন

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

Please use our contact form for general and media inquiries.