Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

বাংলাদেশের পোশাক কারখানার উন্নয়নের জন্য অ্যালায়েন্স এবং আইএফসি‌’র যৌথ ঋণ সুবিধা প্রদান

.

আসন্ন প্রকাশের জন্য: যোগাযোগ: গুইলেরমো মিনেসেস
জুলাই ৭, ২০১৫ +১ (২০২) ৪৪৫ – ১৫৭০/media@afbws.org

কারখানা মালিকদের ঋণদান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশী ব্যাংকগুলোকে ৫০ মিলিয়ন ডলার প্রদান ।

ওয়াশিংটন ডি.সি — ¬অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি কারখানা সংস্কারের লক্ষ্যে কারখানা মালিকদের অর্থায়নের জন্য ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্স কর্পোরেশনের (আইএফসি) সঙ্গে একটি চুক্তিতে মধ্যস্ততা করতে যাচ্ছে । কারখানাকে নিরাপদ করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজের জন্য মালিকরা যেন সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা পান সেজন্য আইএফসি বাংলাদেশের পাঁচটি ব্যাংককে ১০ মিলিয়ন ডলার করে মোট ৫০ মিলিয়ন ডলার প্রদান করেছে ।

“আমরা এই উদ্যোগ চালু করতে আইএফসির সঙ্গে সংঘবদ্ধ হতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত, বাংলাদেশের লক্ষ্য লক্ষ গার্মেন্ট শ্রমিকদের রক্ষার জন্য কারখানাগুলোতে সংস্কার প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ কারখানা মালিকদের সহযোগীতা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, বলেছেন অ্যালায়েন্সের স্বতন্ত্র সভাপতি অ্যালেন টশার । “সুফল পেতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারি, নিরাপত্তার জন্য একটি নতুন, টেকসই মানদন্ডকে সাদরে গ্রহন করতে এবং তা বাস্তবায়নে আমরা এই সামগ্রিক শিল্পকে সহযোগীতা করতে পারি” ।

বাংলাদেশে অর্থায়ন ঐতিহ্যগতভাবেই বেশ অসুবিধাজনক এবং ব্যায়বহুল, ঋণ প্রদান বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অনিরাপদ, সুদের হার উচ্চ এবং ঋণ পরিশোধ করতে হয় স্বল্পমেয়াদে । অন্য দিকে, বাংলাদেশ আরএমজি এসইএফ সেফটি রেমিডিয়েশন ফিনান্সিং প্রোগ্রাম নামে পরিচিত, এই ঋণ সুবিধা, সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করবে এবং তিন থেকে পাঁচ বছর মেয়াদে ঋণ পরিশোধের সুবিধা প্রদান করবে, যা কারখানা মালিকদের ঋণের বোঝার পরিমান তাৎপর্যপূর্ণভাবে কমিয়ে দেবে ।

২৬টি আন্তর্জাতিক রিটেইলার এবং ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিত্বকারি সংস্থ্যা অ্যালায়েন্স, আইএফসি এর সঙ্গে এই তহবিল প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে অনুঘটকের কাজ করেছে এবং তহবিলে ২৫০,০০০ ইউএস ডলার প্রদান করবে ।

কারখানা মালিকরা তাদের কারেক্টিভ অ্যাকশন প্ল্যান সম্পন্নকরণে অগ্রগতি লাভ করছে কিনা তা মনিটর করার জন্য, অ্যালায়েন্স যোগ্যতাসম্পন্ন পরিদর্শকদের একটি বড় ধরণের টিম সহ সরেজমিনে প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করবে । প্রত্যেকটি কারখানাতেই কারেক্টিভ অ্যাকশন প্ল্যান প্রদান করা হয়েছে এবং কারখানাগুলোকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কমপ্লায়েন্সের অধিনে নিয়ে আসতে সুনির্দিষ্টভাবে অগ্নি, ভবন এবং বৈদ্যূতিক সংস্কার সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট রূপরেখা প্রদান করা হয়েছে । এই ব্যবস্থার অধীনে অনুকূল ঋণ শর্তাবলি বজায় রাখতে হলে কারখানা মালিকদের কারেকটিভ অ্যাকশন প্ল্যানে সময় মতো অগ্রগতি লাভ করতে হবে । অ্যালায়েন্স প্রফেশনালরা সংস্কার প্রক্রিয়ায় ব্যাংককে কারিগরী সহায়তা প্রদান করবে এবং কারখানা মালিক এবং ঋণদাতাদের পারস্পরিক পরিচয় ঘটিয়ে দেয়ার কাজটি করবে অ্যালায়েন্স ।

পরিদর্শন এবং সংস্কার কাজ ছাড়াও, অ্যালায়েন্স শ্রমিক ক্ষমতায়নের বেশ কয়েকটি কার্যক্রম গড়ে তুলেছে, যার ভেতর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে অগ্নি নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ, প্রায় ১.২ মিলিওন শ্রমিক এবং সিকিউরিটি গার্ড এই প্রশিক্ষণ পেয়েছে । এছাড়াও অ্যালায়েন্স প্রথমবারের মত টেলিফোন হেল্পলাইন – আমাদের কথা বা আওয়ার ভয়ে চালু করেছে – যেখানে শ্রমিকরা নিজেদের নাম গোপন রেখে নিরাপত্তা এবং অন্যান্য উদ্বেগ সংক্রান্ত রিপোর্ট করতে পারে ।

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

অনুগ্রহপূর্বক সাধারণ এবং গণমাধ্যম ঊভয় অনুসন্ধানের জন্য এখানে ক্লিক করুন ।