Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

ঢাকায় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক ভবন এবং অগ্নি নিরাপত্তা প্রদর্শনীর আশাতীত সফলতা অর্জন

.

expo2

10,000 অংশগ্রহনকারী এবং ৫০ জন প্রদর্শনকারী জাতির ইতিহাসের এই বৃহত্তম প্রদর্শনীতে অংশগ্রহন করেন ।

ঢাকা, বাংলাদেশ – দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক ভবন এবং অগ্নি নিরাপত্তা বাণিজ্য প্রদর্শনী - বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক ভবন এবং অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক এই প্রদর্শনীতে সমাবেশ ঘটেছিলো অগ্নি এবং নিরাপত্তা বিষয়ক সরঞ্জাম বিক্রতা, কারখানা প্রতিনিধি এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের- যা এ যাবতকালের বৃহত্তম সমাবেশ । এই প্রদর্শনীতে পোশাক শিল্প নেতৃবৃন্দ এবং নেতৃস্থানীয় আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সরঞ্জাম বিক্রেতা এবং বিশেষজ্ঞগণ একত্রিত হয়েছিলে এবং বাংলাদেশের নিরাপত্তা বিষয়ক সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, টুলস এবং বিশেষজ্ঞদের সাথে পরিচিত হতে পেরেছিলেন ।

সাম্প্রতিক কারাখানা নিরাপত্তা সংস্কারের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে সনদপ্রাপ্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম অপরিহার্য হয়ে উঠেছে, যা কারখানার মালিকদের হন্য এই নিরপত্তা সরঞ্জামের সহজলভ্যতা কঠিন একটি বাধা ছিলো কেননা সামান্য কিছু সনদপ্রাপ্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে তৈরি হয়,তাছাড়া অন্যান্য সবগুলোই আমদানি করতে হয়

কারখানার মালিকদের নিকট সঠিক সরঞ্জাম পৌঁছে না দিলে এবং এর ব্যবহার না জানালে টেকসই সংস্কার অর্জন সম্ভব নয়,”বলেছেন অ্যালায়েন্সের স্বতন্ত্র সভাপতি মাননীয় অ্যালেন টশার আমাদের দায়িত্ব হলো পোশাক শিল্প কারখানাগুলোতে অর্থবহ এবং দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন নিশ্চিত করা এবং কারখানার এই উন্নয়ন দীর্ঘমেয়াদে অব্যাহত রাখা

এই প্রদর্শনীর স্পন্সর এবং নেতৃত্বপ্রদান করছে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি (অ্যালায়েন্স)- উত্তর আমেরিকার ২৮ টি রিটেইলার একটি জোট যারা ২০১৩ সালে একত্রিত হয়ে বাংলাদেশ পোশাক শিল্পের নিরাপত্তার দ্রুত উন্নয়নে বছরের একটি দায়বদ্ধতামূলক চুক্তিতে উপনিত হয়েছেন   অ্যালায়েন্স সদস্য কোম্পানি যে সব কারখানা থেকে পণ্য উৎপাদন করে থাকে সে সব কারখানার ৫৮৭টি কারখানায় পরিদর্শন সম্পন্ন করেছে, পরিদর্শনকৃত কারখানার সবগুলিতেই কিছু না কিছু সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছেযা সম্পন্ন করার জন্য নিরাপত্তা সরঞ্জাম এবং কারিগরী দক্ষতার সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের প্লাটফরম এই প্রদর্শনীতে সমবেত হবেন বিক্রেতা, ব্র্যান্ড এবং কারখানা ব্যবস্থাপকগণ, কারখানা সংস্কারের অভিজ্ঞতা এবং এই শিল্পকে আরও শক্তিশালী করার কৌশল আলোচনা করবেন অংশগ্রহনকারীরা লেকচার ট্র্যাকে উপস্থিত হয়ে সর্বাধুনিক ফায়ার ডোর, স্প্রিংকলার এবং ইন্জিনিয়ারিং অ্যাসেসমেন্ট সম্পর্কে জানতে পারবেন এই প্রদর্শনীতে প্রদর্শনকারীদের মধ্যে রয়েছে নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন: হ্যানি ওয়েল, দি ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্স কর্পোরেশন (আইএফসি), লিচফিল্ড, এনএনএফসিও, টাইকো এবং ইউএল

২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারীতে অনুষ্ঠিত সর্বপ্রথম প্রদর্শনীর ধারাবাহিকতায় এই সপ্তাহের প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে অংশগ্রহন করেছিলো ২৫০০ জন এর পরিপ্রেক্ষিতে অ্যালায়েন্স এর পরামর্শে বাংলাদেশ সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি পরিবর্তন করে কারখানার নিরাপত্তা সরঞ্জামের ওপর আমদানি শুল্ক মওকুফ করেছেন

এই প্রদর্শনীর সফলতার পর আমরা বুঝতে পেরেছি যে এই ধরণের প্রদর্শনীর পুনরাবৃত্তি হওয়া প্রয়োজন যেন আরো অধিক সংখ্যক মানুষ এর থেকে লাভবান হতে পারেন,” বলেছেন অ্যালায়েন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেসবাহ রবিন পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের রক্ষা করতে কারখানার মালিকদের সর্বপ্রথম নতুন নিরাপত্তা মানদন্ডের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে হবে এবং তাদের জন্য কারখানার কম্প্লায়েন্স নিশ্চিত করতে সঠিক নিরাপত্তা সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে

ডিসেম্বরের তারিখে এই প্রদর্শনীর সমাপ্তি ঘটবে দ্বিতীয় সোশ্যাল এবং ইনভাইরোনমেন্টাল এক্সিলেন্স (সিইই) অ্যাওয়ার্ড প্রদানের মাধ্যমে, যেখানে অ্যালায়েন্স পরিবর্তনে অঙ্গিকারাবদ্ধ কারখানাগুলোর গৃহিত উদ্যোগের স্বীকৃতি স্বরূপপ্রথম ফায়ার এবং বিল্ডিং সেফটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড”-এর পৃষ্ঠপোষকতা করছে এই প্রদর্শনীর পাশাপাশি ডিসেম্বর - তারিখে অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা অ্যাপারেল সামিট, যেখানে পোশাক শিল্পের ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা করা হবে যার ভেতর অন্তর্ভুক্ত থাকবে কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, সরকারি নীতিমালা এবং অবকাঠামো

রদর্শনি বিষয়ক আরে তথ্য পেতে যোগাযোগ করুন: www.buildingandfiresafety.com

১০,০০০ অংশগ্রহনকারী এবং ৫০ জন প্রদর্শনকারী জাতির ইতিহাসের এই বৃহত্তম প্রদর্শনীতে অংশগ্রহন করেন ।

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

অনুগ্রহপূর্বক সাধারণ এবং গণমাধ্যম ঊভয় অনুসন্ধানের জন্য এখানে ক্লিক করুন ।