Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

 Home page top

.

অ্যালায়েন্স প্রকাশনা

অ্যালায়েন্স তার উদ্যোগের অগ্রগতি এবং কর্মকান্ড সম্পর্কে নিয়মিত হালনাগাদ প্রদানে প্রতিশ্রুতবদ্ধ, এবং তার মূল কার্যক্রমের কার্যকরিতা বিষয়ক এবং ভবিষ্যতে কোন কোন ক্ষেত্রে কাজ করতে হবে সে বিষয়ক বাহ্যিক মূল্যায়নের ব্যাপারে সচেষ্ট রয়েছে ।

অ্যালায়েন্সের সমস্ত প্রকাশনা দেখুন এখানে

অংশীদারিত্ব

অ্যালায়েন্স শ্রমিক সংগঠন, কারখানার মালিক, এনজিও, সুশিল সমাজ, কারিগরি ও প্রকৌশল পরামর্শদাতা, শিল্প সংস্থ্যা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কারিগরি মানসম্পন্ন, প্রভাবী এবং টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কাজ করে যাচ্ছে । সুনির্দিষ্ট অংশিদারদের মধ্যে রয়েছে:

  • ন্যাশনাল ফায়ার প্রটেকশন অ্যাসোসিয়েশন
  • আন্তর্জাতিক ফাইনান্স কর্পোরেশন

চার বছরে কারখানাগুলোতে অ্যালায়েন্স নিরাপত্তা বিষয়ক উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে

.

সদস্য কোম্পানিগুলো ২০১৮-এর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরাপত্তা লক্ষ্য অর্জনে প্রতিশ্রুতবদ্ধ রয়েছে

ঢাকা – গত বছরের, পর্যাপ্ত কারখানা নিরাপত্তা উন্নয়ন এবং শ্রমিক প্রশিক্ষণ ও শ্রমিক ক্ষমতায়নের উদ্যোগ সম্প্রসারণ ঘোষণা পূর্বক আজকে অ্যালায়েন্স তার চতুর্থ বার্ষিকী প্রতিবেদন প্রকাশ করছে । তথ্য নিশ্চিত করে যে, নতুনভাবে যোগ হওয়া এবং সম্প্রসারিত হওয়া কিছু কারখানা ব্যতীত প্রায় সমস্ত কারখানাই সংশোধনমূলক কর্ম পরিকল্পনা (সিএপি) সম্পন্ন করার পথে রয়েছে ।

“শত শত কারখানায় সংস্কার কাজ করা একটি গুরুতর কর্মভার, এবং গত চার বছরের এই সংক্ষিপ্ত সময়ে অ্যালায়েন্স তার অংশীদ্বারদের সঙ্গে একত্রে যে সফলতা অর্জন করেছে তাতে আমরা অত্যন্ত গর্বিত,” বলেছেন অ্যালায়েন্স এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রাষ্ট্রদূত জিম মরিয়ার্টি । “ যতক্ষণ না আমরা আমাদের ম্যান্ডেট অর্জন না করতে পারছি, অ্যালায়েন্স কারখানার নিরাপত্তা বাড়াতে না পারছি এবং শ্রমিকদের ক্ষমতায়ন না করতে পারছি ততক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়গুলো আমাদের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে” ।

আরও উনত্রিশটি অ্যালায়েন্স কারখানা পর্যাপ্ত সংশোধনী কর্মপরিকল্পনা সম্পন্ন করেছে

.

প্রথম এবং দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের চেয়ে তৃতীয় ত্রৈমাসিকে সংশোধনী কর্মপরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে চারগুনেরও বেশি

ঢাকা, বাংলাদেশ - অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি আজকে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে সেপ্টেম্বর মাসে, অ্যালায়েন্স অধিভুক্ত আরও ২৯টি কারখানা তাদের সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনায় (ক্যাপ) উল্লেখিত সমস্ত মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে, যার ফলে সংস্কার কাজ সম্পন্নকারী কারখানার মোট সংখ্যা দাঁড়ালো ১৯৫ ।

ক্যাপ সম্পন্নকারী কারখানাগুলো হলো, এআরকে ওয়াশিং, আয়েশা ক্লোথিং কোর্পোরেশন লিমিটেড, আয়েশা ওয়াশিং লিমিটেড, ব্যবিলন ট্রিমস লিমিটেড (পিকেজি), সিভিক অ্যাপারেলস লিমিটেড, কালার সিটি, কলোসাস অ্যাপারেল লিমিটেড ইউনিট ২, কনফিডেন্স ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড, কর্টজ অ্যাপারেল লিমিটেড, ডিবি টেক্স লিমিটেড, ঢাকারিয়া লিমিটেড, (ইয়াপুং ইনকর্পোরেশন), ডিএনভি ক্লথিং লিমিটেড, গ্লোবাল নাসা ওয়্যার লিমিটেড, হামজা টেক্সটাইল লিমিটেড, ইমপ্রেসিভ গার্মেন্ট (প্রাইভেট লিমিটেড ), ইন্টিমেট অ্যাটায়ার লিমিটেড, মাহদিন সুয়েটার লিমিটেড, মাম গার্মেন্টস লিমিটেড, মানসিন কোং (বিডি) লিমিটেড, মারিনা অ্যাপারেলস লিমিটেড, মাইমুম টেক্সটাইল লিমিটেড, নাসা বেসিক লিমিটেড, নাসা ফ্যাশন লিমিটেড, নাসা হাই-টেক ওয়্যার লিমিটেড, ওয়ান কোম্পোজিট মিলস লিমিটেড, ট্রাই অন সু ম্যাটেরিয়াল বিডি লিমিটেড, সান অ্যাপারেল লিমিটেড, সামজের রেজিয়া ফ্যাশন লিমিটেড এবং দি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারস লিমিটেড ।

সেপ্টেম্বর ২০ তারিখে মুন্সিগঞ্জ টেক্সটাইল কারখানার অগ্নিকান্ডে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ — অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশে ওয়ার্কার সেইফটি গত বুধবার, বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জে জেলার আইডিয়াল টেক্সটাইল মিল-এর অগ্নিকান্ডে নিহত ৬ জনের পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছে । এই কারখানাটি অ্যালায়েন্স অধিভুক্ত নয় ।

এই মর্মান্তিক ঘটনা এটাই প্রমান করে যে বাংলাদেশের সকল কারখানায় – শুধু মাত্র অ্যালায়েন্স সহ বর্তমান নিরাপত্তা উদ্যোগের আওতাধীন কারখানাগুলোই নয় – অবশ্যই পরিদর্শন এবং সংস্কার কাজ হওয়া দরকার, তাদের শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দেয়া প্রয়োজন যেন তারা জরুরি মুহুর্তে নিজেদের রক্ষা করতে পারে । আমরা বাংলাদেশ সরকারের নিকট আমাদের আকুল আবেদন জানাই যেন সরকার কারখানার নিরাপত্তা উন্নয়নে জাতীয় কর্ম পরিকল্পনার প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করে, এবং বাংলাদেশের সকল কারখানার কর্ম পরিবেশ উন্নয়ন নিশ্চিত করে ।

আরও ছেচল্লিশটি অ্যালায়েন্স কারখানা পর্যাপ্ত সংশোধনী কর্মপরিকল্পনা সম্পন্ন করেছে; অন্য দুটি কারখানা স্থগিত

.

আগস্টে কারখানাগুলোর ক্যাপ সম্পন্নকরণের হার প্রায় দ্বিগুন বৃদ্ধি পেয়েছে

Dঢাকা, বাংলাদেশ - অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি আজকে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে আগস্ট মাসে, অ্যালায়েন্স অধিভুক্ত আরও ৪৬টি কারখানা তাদের সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনায় (ক্যাপ) উল্লেখিত সমস্ত মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে, যার ফলে ক্যাপ- সম্পন্নকারী কারখানার মোট সংখ্যা দাঁড়ালো ১৬৬ ।

“অ্যালায়েন্স-অধিভুক্ত কারখানাগুলো তাদের প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ দ্রুত গতিতে সম্পন্ন করছে, এবং শ্রমিক নিরাপত্তাকে যে সমস্ত কারখানা অগ্রাধিকার প্রদান করেছে তাদের স্বীকৃতি প্রদান করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত,” বলেছেন অ্যালায়েন্স কান্ট্রি ডিরেক্টর, সাবেক রাষ্ট্রদূত জিম মরিয়ার্টি । “ আমরা আত্নবিশ্বাসী যে আগামী বছরের মধ্যেই আমাদের অধিকাংশ কারখানাগুলোতে সংস্কার কাজ সম্পন্ন হবে, এবং আমরা এখন বিশ্বস্ত পার্টনারদের সাথে কাজ করছি যেন আমাদের কারখানা পরিদর্শন, নিরাপত্তা উন্নয়ন এবং শ্রমিক প্রশিক্ষণ ও ক্ষমতায়ন উদ্যোগগুলো দীর্ঘ মেয়াদে টিকে থাকে” ।

আরও ছাব্বিশটি অ্যালায়েন্স কারখানা পর্যাপ্ত সংশোধনী কর্মপরিকল্পনা সম্পন্ন করেছে; অন্য একটি কারখানা স্থগিত

.

জুলাইয়ে কারখানার সংস্কার কাজ অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে

ঢাকা, বাংলাদেশ — অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি আজকে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে জুলাই মাসে, অ্যালায়েন্স অধিভুক্ত আরও ২৬টি কারখানা তাদের সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনায় (ক্যাপ) উল্লেখিত সমস্ত মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে, যার ফলে সংস্কার কাজ সম্পন্নকারী কারখানার মোট সংখ্যা দাঁড়ালো ১১৮ ।

ক্যাপ সম্পন্নকারী কারখানাগুলো হলো অনন্ত ক্যাজুয়ালওয়্যার লিমিটেট, আধুনিক পোশাক শিল্প লিমিটেড, আলমোড অ্যাপারেলস, অ্যালায়েন্স নিট কম্পোজিট লিমিটেড, আসওয়াদ কম্পোজিট মিলস লিমিটেড, আয়েশা ক্লথিং কোম্পানি লিমিটেড – প্রিন্টিং ইউনিট, ক্রেজি ফ্যাশন, ডিভাইন ডিজাইন লিমিটেড, এসেস ফ্যাশনস লিমিটেড, এভিন্স গার্মেন্টস লিমিটেড, ইন্টারন্যাশরাল নিটওয়্যার এন্ড অ্যাপারেলস লিমিটেড(ইউনিট ১), কাজিপুর ফ্যাশন লিমিটেড-ইউনিট ১, মেট্রিক্স সোয়েটারস লিমিটেড, নিউ ডাক্কা ইন্ড্রাষ্ট্রিজ লিমিটেড, ওদেসা ফ্যাশন লিমিটেড, ওপেক্স ওয়াশিং প্ল্যান্ট লিমিটেড, পার্কওয়ে প্যাকেজিং এন্ড প্রিন্টিং লিমিটেড, রাইও ফ্যাশন ওয়্যার লিমিটেড, রাইজিং নিট টেক্সটাইল লিমিটেড (ওয়াশিং ডিভিশন),সেলেক টেক্সটাইল লিমিটেড (আরএমজি ইউনিট), শাসম স্টাইলিং ওয়্যারস লিমিটেড, থানবি প্রিন্ট ওয়ার্ল্ড লিমিটেড, দ্যাট’স ইট গার্মেন্টস লিমিটেড, টিপ টপ ফ্যাশনস লিমিটেড, ভয়েজার অ্যাপারেলস লিমিটেড এবং ওয়্যার ম্যাগ ।

আরও দশটি অ্যালায়েন্স কারখানা পর্যাপ্ত সংশোধনী কর্মপরিকল্পনা সম্পন্ন করেছে; অন্য দুটি কারখানা স্থগিত

.

কারখানার সংস্কার কাজ অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে

ঢাকা, বাংলাদেশ - অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি আজকে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে অ্যালায়েন্স অধিভুক্ত আরও দশটি কারখানা তাদের সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনায় (ক্যাপ) উল্লেখিত সমস্ত মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে, যার ফলে সংস্কার কাজ সম্পন্নকারী কারখানার মোট সংখ্যা দাঁড়ালো ৯২ ।

ক্যাপ সম্পন্নকারী কারখানাগুলো হলো বেঙ্গল উইন্ডসর থারমোপ্লাষ্টিক লিমিটেড, জেএমএস গার্মেন্ট লিমিটেড, কর্ণফুলি স্পোর্টসওয়্যার ইন্ডাষ্ট্রি লিমিটেড, লালমাই স্পোর্টসওয়্যার ইন্ডাষ্ট্রি লিমিটেড, মার্চ স্পোর্টসওয়্যার লিমিটেড, মেনহাজ স্টাইলস এন্ড ক্রাফট লিমিটেড, তিতাস স্পোর্টসওয়্যার ইন্ডাষ্ট্রি লিমিটেড, টয় উডস (বিডি) কোং লিমিটেড, ইউনিয়ন একসেসরিস লিমিটেড, এবং ইয়াঙ্গুন স্পোর্টস সুজ ইন্ডাষ্ট্রি লিমিটেড ।

“কারখানার কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা কে সর্বাগ্রে প্রধান্য দেয়ার জন্য এই প্রতিটি কারখানার উচ্চ প্রশংসার দাবিদার,” বলেছেন অ্যালায়েন্সের এ-দেশীয় পরিচলাক জিম মরিয়ার্টি । “ একত্রে কাজ করার মাধ্যমে আমরা কারখানাগুলোতে নিরাপত্তা বিষয়টিকে ব্যাতিক্রম কিছুতে পরিণত না করে বরং এটিকে একটি নিয়মে পরিণত করতে পারি” ।

মাল্টিফ্যাবস লিমিটেড এর ভয়াবহ বয়লার বিস্ফোরণে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

ঢাকা, বাংলাদেশ - গাজিপুরের মাল্টিফ্যাবস লিমিটেড নামক একটি পোশাক কারখানায় ভয়াবহ বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনায় অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটি গভীরভাবে শোকাহত, এই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে পাঁচজন শ্রমিক এবং আহত হয়েছেন ৩০ জনেরও বেশি শ্রমিক । এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি ।

এই দুর্ঘটনাটি বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা উন্নয়নে আমাদের সকল অংশিদ্বারদের সঙ্গে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয়কে আরও শক্তিশালী করেছে । বাংলাদেশের কারখানাগুলোতে – এবং এই সমস্ত কারখানায় যারা কাজ করেন তাদের প্রত্যেকের জন্য – মনুষ্যোচিতভাবে যতটা সম্ভব ততটা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সকলের দায়িত্ব ।

আরও ৬ টি কারখানা পর্যাপ্ত সংশোধনী কর্মপরিকল্পনা সম্পন্ন করেছে; অন্য ছয়টি কারখানার স্থগিত

.

কারখানা সংস্কার এবং জবাবদিহিতামূলক পদক্ষেপ বছরের মাঝামাঝি সময়ে অব্যাহত রয়েছে

ঢাকা, বাংলাদেশ - অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি আজকে এই মর্মে ঘোষণা করছে যে, মার্চ মাসে অ্যালায়েন্স-অধিভূক্ত আরও ছয়টি কারখানা তাদের সংশোধনি কর্ম পরিকল্পনায় (ক্যাপ) উল্লেখিত সমস্ত মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে, এতে ক্যাপ সম্পন্নকারী সর্বমোট কারখানার সংখ্যা দাড়ালো ৮২ ।

এই সমস্ত কারখানাগুলো হলো ব্যাবিলন গার্মেন্টস লিমিটেড, কলাম্বিয়া অ্যাপারেলস লিমিটেড, আর-প্যাক (বিডি) প্যাকেজিং কোং লিমিটেড (পিকেজি), আর.এস.বি ইন্ডাস্ট্রিয়াল লিমিটেড, সাফা সোয়েটারস লিমিটেড (সাফা সিউয়িং লিমিটেড) এবং ইউনি গিয়ারস লিমিটেড ।

“সংস্কার কাজকে অগ্রাধিকার দেবার জন্য এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তার প্রতি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি প্রদর্শনের জন্য আমরা এই কারখানাগুলোকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি,” বলেছেন অ্যালায়েন্স কান্ট্রি ডিরেক্টর জিম মরিয়ার্টি । “এক বছরের সামান্য কিছু বেশি সময় পর অ্যালায়েন্সের মেয়াদ শেষ হবে, এই ধরনের সফলতা অর্জন বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা রক্ষায় আমাদের লক্ষ্যের কেন্দ্রবিন্দু। "

আরো নিবন্ধ...

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

অনুগ্রহপূর্বক সাধারণ এবং গণমাধ্যম ঊভয় অনুসন্ধানের জন্য এখানে ক্লিক করুন ।