Alliance for Bangladesh Worker Safety

বাংলা

স্বাগত

.

অ্যালায়েন্স প্রকাশনা

অ্যালায়েন্স তার উদ্যোগের অগ্রগতি এবং কর্মকান্ড সম্পর্কে নিয়মিত হালনাগাদ প্রদানে প্রতিশ্রুতবদ্ধ, এবং তার মূল কার্যক্রমের কার্যকরিতা বিষয়ক এবং ভবিষ্যতে কোন কোন ক্ষেত্রে কাজ করতে হবে সে বিষয়ক বাহ্যিক মূল্যায়নের ব্যাপারে সচেষ্ট রয়েছে ।

অ্যালায়েন্সের সমস্ত প্রকাশনা দেখুন এখানে

কারখানা নিরাপত্তা: শ্রমিকদের দৃষ্টিকোন থেকে


এই ভিডিওটি ইংরেজিতে দেখুন

অংশীদারিত্ব

অ্যালায়েন্স শ্রমিক সংগঠন, কারখানার মালিক, এনজিও, সুশিল সমাজ, কারিগরি ও প্রকৌশল পরামর্শদাতা, শিল্প সংস্থ্যা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কারিগরি মানসম্পন্ন, প্রভাবী এবং টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কাজ করে যাচ্ছে । সুনির্দিষ্ট অংশিদারদের মধ্যে রয়েছে:

• ন্যাশনাল ফায়ার প্রটেকশন অ্যাসোসিয়েশন
মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়
আন্তর্জাতিক ফাইনান্স কর্পোরেশন
ইউএসএইড

Twenty-Six More Alliance Factories Achieve Substantial Completion of their Corrective Action Plans; Operations Suspended in One Other

.

Factory remediation accelerates in month of July

DHAKA, Bangladesh—The Alliance for Bangladesh Worker Safety announced today that during the month of July, 26 additional Alliance-affiliated factories completed all material components outlined in their Corrective Action Plans (CAPs), bringing the total number of factories to have completed their CAPs to 118.

The factories include Ananta Casualwear Ltd., Adhunik Poshak Shilpa Ltd., Alamode Apparels, Alliance Knit Composite Ltd., Aswad Composite Mills Ltd., Ayesha Clothing Company Ltd. – Printing Unit, Crazy Fashion, Divine Design Ltd., Esses Fashions Limited, Evince Garments Ltd., International Knitwear & Apparels Ltd. (Unit 1), Kazipur Fashion Ltd. Unit 1, Matrix Sweaters Ltd., New Dacca Industries Ltd., Odessa Fashion Ltd., Opex Washing Plant Ltd., Parkway Packaging & Printing Ltd., Rio Fashion Wear Limited, Rising Knit Textiles Ltd. (Washing Division), Salek Textile Ltd. (RMG Unit), Shams Styling Wears Ltd., Thanbee Print World Ltd., That’s It Garments Ltd., Tip Top Fashions Ltd., Voyager Apparels Ltd., and Wear Mag.

“We commend these factories for prioritizing remediation, and in doing so, demonstrating that every garment worker has a right to a safe workplace,” said Alliance Country Director Jim Moriarty. “This past month’s success reinforces our confidence that Alliance factories will have substantially completed remediation and be well on the way to developing a sustainable culture of safety before the Alliance sunsets in 2018.”

আরও দশটি অ্যালায়েন্স কারখানা পর্যাপ্ত সংশোধনী কর্মপরিকল্পনা সম্পন্ন করেছে; অন্য দুটি কারখানা স্থগিত

.

কারখানার সংস্কার কাজ অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে

ঢাকা, বাংলাদেশ - অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি আজকে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে অ্যালায়েন্স অধিভুক্ত আরও দশটি কারখানা তাদের সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনায় (ক্যাপ) উল্লেখিত সমস্ত মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে, যার ফলে সংস্কার কাজ সম্পন্নকারী কারখানার মোট সংখ্যা দাঁড়ালো ৯২ ।

ক্যাপ সম্পন্নকারী কারখানাগুলো হলো বেঙ্গল উইন্ডসর থারমোপ্লাষ্টিক লিমিটেড, জেএমএস গার্মেন্ট লিমিটেড, কর্ণফুলি স্পোর্টসওয়্যার ইন্ডাষ্ট্রি লিমিটেড, লালমাই স্পোর্টসওয়্যার ইন্ডাষ্ট্রি লিমিটেড, মার্চ স্পোর্টসওয়্যার লিমিটেড, মেনহাজ স্টাইলস এন্ড ক্রাফট লিমিটেড, তিতাস স্পোর্টসওয়্যার ইন্ডাষ্ট্রি লিমিটেড, টয় উডস (বিডি) কোং লিমিটেড, ইউনিয়ন একসেসরিস লিমিটেড, এবং ইয়াঙ্গুন স্পোর্টস সুজ ইন্ডাষ্ট্রি লিমিটেড ।

“কারখানার কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা কে সর্বাগ্রে প্রধান্য দেয়ার জন্য এই প্রতিটি কারখানার উচ্চ প্রশংসার দাবিদার,” বলেছেন অ্যালায়েন্সের এ-দেশীয় পরিচলাক জিম মরিয়ার্টি । “ একত্রে কাজ করার মাধ্যমে আমরা কারখানাগুলোতে নিরাপত্তা বিষয়টিকে ব্যাতিক্রম কিছুতে পরিণত না করে বরং এটিকে একটি নিয়মে পরিণত করতে পারি” ।

মাল্টিফ্যাবস লিমিটেড এর ভয়াবহ বয়লার বিস্ফোরণে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

ঢাকা, বাংলাদেশ - গাজিপুরের মাল্টিফ্যাবস লিমিটেড নামক একটি পোশাক কারখানায় ভয়াবহ বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনায় অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটি গভীরভাবে শোকাহত, এই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে পাঁচজন শ্রমিক এবং আহত হয়েছেন ৩০ জনেরও বেশি শ্রমিক । এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি ।

এই দুর্ঘটনাটি বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা উন্নয়নে আমাদের সকল অংশিদ্বারদের সঙ্গে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয়কে আরও শক্তিশালী করেছে । বাংলাদেশের কারখানাগুলোতে – এবং এই সমস্ত কারখানায় যারা কাজ করেন তাদের প্রত্যেকের জন্য – মনুষ্যোচিতভাবে যতটা সম্ভব ততটা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সকলের দায়িত্ব ।

আরও ৬ টি কারখানা পর্যাপ্ত সংশোধনী কর্মপরিকল্পনা সম্পন্ন করেছে; অন্য ছয়টি কারখানার স্থগিত

.

কারখানা সংস্কার এবং জবাবদিহিতামূলক পদক্ষেপ বছরের মাঝামাঝি সময়ে অব্যাহত রয়েছে

ঢাকা, বাংলাদেশ - অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি আজকে এই মর্মে ঘোষণা করছে যে, মার্চ মাসে অ্যালায়েন্স-অধিভূক্ত আরও ছয়টি কারখানা তাদের সংশোধনি কর্ম পরিকল্পনায় (ক্যাপ) উল্লেখিত সমস্ত মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে, এতে ক্যাপ সম্পন্নকারী সর্বমোট কারখানার সংখ্যা দাড়ালো ৮২ ।

এই সমস্ত কারখানাগুলো হলো ব্যাবিলন গার্মেন্টস লিমিটেড, কলাম্বিয়া অ্যাপারেলস লিমিটেড, আর-প্যাক (বিডি) প্যাকেজিং কোং লিমিটেড (পিকেজি), আর.এস.বি ইন্ডাস্ট্রিয়াল লিমিটেড, সাফা সোয়েটারস লিমিটেড (সাফা সিউয়িং লিমিটেড) এবং ইউনি গিয়ারস লিমিটেড ।

“সংস্কার কাজকে অগ্রাধিকার দেবার জন্য এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তার প্রতি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি প্রদর্শনের জন্য আমরা এই কারখানাগুলোকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি,” বলেছেন অ্যালায়েন্স কান্ট্রি ডিরেক্টর জিম মরিয়ার্টি । “এক বছরের সামান্য কিছু বেশি সময় পর অ্যালায়েন্সের মেয়াদ শেষ হবে, এই ধরনের সফলতা অর্জন বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা রক্ষায় আমাদের লক্ষ্যের কেন্দ্রবিন্দু। "

আরও দশটি অ্যালায়েন্স কারখানা পর্যাপ্ত সংশোধনমূলক কর্ম পরিকল্পনা সম্পন্ন করেছে; অন্য নয়টি কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক চ্ছিন্ন

.

কারখানার সংস্কার এবং জবাবদিহিতার ওপর অ্যালায়েন্সের গুরুত্বপ্রদান

ঢাকা, বাংলাদেশ - অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটি আজকে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে মার্চ এবং এপ্রিলে, আরও দশটি অ্যালায়েন্স- অধিভুক্ত কারখানা তাদের সংশোধনমূলক কর্ম পরিকল্পনায় (ক্যাপ) উল্লেখিত সমস্ত মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে, ফলে সংশোধনমূলক কর্ম পরিকল্পনা সম্পন্নকারী মোট কারখানার সংখ্যা দাড়ালো ৭৬-এ ।

কারখানাগুলো হলো: আলিফ প্রিন্ট এন্ড ইএম (এমব্রয়ডারি ভিলেজ), ব্র্যান্ডিক্স অ্যাপারেল বাংলাদেশ লিমিটেড, এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেড, হপ ইয়েক বাংলাদেশ লিমিটেড, কর্ণফুলী সুজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, লাম মিন অ্যাসোসিয়েটস (ইউনিট -2), সাভার ডাইং এন্ড ফিনিসিং ইন্ডাস্ট্রিজ, ওয়ার্ল্ড ইয়ে অ্যাপারেলস (বিডি) লিমিটেড, ইয়াঙ্গুন (সিইপিজেড) লিমিটেড এবং ইয়াঙ্গুন স্পোর্টস সু ইন্ডাস্ট্রিজ ইউনিট-২।

রানা প্লাজার চতুর্থ বার্ষিকী উপলক্ষে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

ঢাকা-বাংলাদেশ ( এপ্রিল ২৪, ২০১৭)- আজকে রানা প্লাজা ভবন ধসের ৪ বছর পূর্ণ হলো – এই হৃদয় বিদারক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিলো ১,১৩৪ জন শ্রমিক, আহত হয়েছিলো আরও কয়েক হাজার শ্রমিক এবং এই দুর্ঘটনা বাংলাদেশ পোশাক শিল্পে চিরদিনের জন্য একটি পরিবর্তন বয়ে নিয়ে আসে । দুর্ঘটনার শিকার ব্যাক্তিদের এবং তাদের পরিবার পরিজনদের সম্মানে আজকে আমরা বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভাববো এবং পোশাক শিল্প শ্রমিকদের জীবিকা অর্জন করতে গিয়ে যেন আর কখনই জীবনের ঝুঁকি নিতে না হয় তা নিশ্চিত করতে যে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হাতে নিয়েছি তা সফল করতে আমরা পুনরায় প্রতিশ্রুতবদ্ধ হবো ।

দেশের এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার পরপরই, সদস্য কোম্পানিগুলো একত্রিত হয়েছিলো অ্যালায়েন্স গঠন করার জন্য – কারখানার নিরাপত্তা উন্নয়নের, শ্রমিকরা যেন নিজেদের রক্ষা করতে পারে সে বিষয়ক জ্ঞান এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে তাদের প্রশিক্ষণ প্রদানের এবং শ্রমিকরা যেন পরিবর্তন দাবি করতে পারে সেজন্য তাদের ক্ষমতায়ন করার উচ্চাভিলাষী উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছিলো ।

ছয়টি অ্যালায়েন্স কারখানা সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনা সম্পন্ন করেছে; অন্য সাতটি কারখানা স্থগিত

.

ফেব্রুয়ারী মাসে অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে

ঢাকা, বাংলাদেশ - অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি আজকে এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করছে যে অ্যালায়েন্স অধিভুক্ত আরও ছয়টি কারখানা তাদের সংশোধনী কর্ম পরিকল্পনায় (ক্যাপ) উল্লেখিত সমস্ত মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছে, যার ফলে সংস্কার কাজ সম্পন্নকারী কারখানার মোট সংখ্যা দাঁড়ালো ৬৬ ।

সংস্কার কাজ সম্পন্নকারী কারখানাগুলো হলো এনভয় ডিজাইন লিমিটেড, এনভয় ফ্যাশন লিমিটেড, কেনপার্ক বাংলাদেশ (প্রাইভেট) লিমিটেড, মানতা অ্যাপারেল লিমিটেড, মোহরা এশিয়ান অ্যাপারেলস লিমিটেড এবং ইয়াঙ্গুন (সিইপিজেড) লিমিটেড (এক্সটেনশন বিল্ডিং).

“সংস্কার কাজকে অগ্রাধিকার দেয়ায় এই ছয়টি কারখানা প্রশংসার দাবিদার, এবং এর মাধ্যমে এই কারখানাগুলো একটি উন্নত মান সম্পন্ন নিরাপদ কর্মপরিবেশ অর্জন করলো,” বলেছেন অ্যালায়েন্সের এ-দেশীয় পরিচালক জিম মরিয়ার্টি । “কারখানাগুলো যখন অব্যাহত উন্নয়নে অঙ্গীকারাবদ্ধ হয় তখন বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে ব্যাপক পরিবর্তন সম্ভাবনা থেকে বাস্তবে পরিণত হয়” ।

ত্রিপক্ষীয় চুক্তির সমর্থনে অ্যালায়েন্সের বিবৃতি

.

সরকার, শিল্পকারখানা এবং শ্রমিক প্রতিনিধিদের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিতে শ্রমিক অধিকার এবং আইনের শাসনের প্রতি অঙ্গীকারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে

ঢাকা, বাংলাদেশ - শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারারস এন্ড এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) এবং ইন্ডাষ্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল (আইবিসি) এর মধ্যে সম্পাদিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেইফটি (“অ্যালায়েন্স”) । ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকার মত নুন্যতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আশুলিয়ায় শ্রমিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার কারনে বহু সংখ্যক শ্রমিকনেতাকে গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং এই ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পর এই চুক্তি সম্পাদিত হয় ।

এই চুক্তিতে, সকল পক্ষই আটক ব্যক্তিদের মুক্তি, বন্ধ জোনাল অফিস পুনরায় খোলা এবং আন্দোলনে অংশগ্রহনকারি চাকরিচ্যূত শ্রমিকদের মজুরি প্রদান অথবা তাদের পুনরায় কাজে নিয়োগদানের দাবিতে ঐক্যমত পোষণ করেন । স্বাক্ষরকারী সকলেই মালিকপক্ষ এবং শ্রমিকদের ভেতর শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে পোশাক কারখানারগুলোর ভেতর টেকসই সম্পর্ক নিশ্চিতকরণে প্রতিশ্রুতবদ্ধ হন ।

আরো নিবন্ধ...

লগইন

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন

বিস্তারিত এফএকিউ –এ দেখুন অ্যালায়েন্স সম্পর্কে বারংবার করা প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

দ্রুত যোগাযোগ

অনুগ্রহপূর্বক সাধারণ এবং গণমাধ্যম ঊভয় অনুসন্ধানের জন্য এখানে ক্লিক করুন ।